সেতু নির্মাণের এক বছর পরও হয়নি সংযোগ সড়ক
প্রকাশ : ১৬ মে ২০২৬, ২০:৫৪
সেতু নির্মাণের এক বছর পরও হয়নি সংযোগ সড়ক
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
প্রিন্ট অ-অ+

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের বাল্লা খালের ওপর সেতু নির্মাণের প্রায় এক বছর পরও দুই দিকে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। এ অবস্থায় ১১ গ্রামের মানুষ চলাচলে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। স্থানীয় লোকজন নিজেদের উদ্যোগে সেতুর দুই দিকে মাটি ও বালুর বস্তা ফেলে কোনোরকমে যাতায়াত করছে।


উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের বাল্লা খালের ওপর নির্মিত এই সেতুটি মাঝিগাছা ও নয়ামুড়া গ্রামকে যুক্ত করেছে। সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন আশপাশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ চলাচল করে থাকেন।


উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের জন্য ২০২২-২৩ অর্থবছরে বরাদ্দ ২ কোটি ৫৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে মেসার্স লোকমান এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ৩৫ মিটার দৈর্ঘ্যের আরসিসি গার্ডার সেতুটি নির্মাণের কার্যাদেশ পায়। প্রায় এক বছর আগে সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেননি।


স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ সেতু দিয়ে নয়ামুড়া, কর্মমট, হরিপুর, ধর্মনগর, রাজ মঙ্গলপুর, ঘাগুটিয়াসহ আশপাশের ১১ গ্রামের মানুষ যাতায়াত করে। এছাড়া হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কর্মমট উচ্চ বিদ্যালয়, টনকি ছাদেকুল উলুম আলিম মাদ্রাসা, মনিয়ন্দ উচ্চ বিদ্যালয় ও গোপনাথপুর আলহাজ্ব শাহ আলম কলেজের শিক্ষার্থীরাও এ সেতু ব্যবহার করে চলাচল করে। সেতুটির সংযোগ সড়ক না থাকায় তাদের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিকল্প পথ হিসেবে টনকি অথবা নয়া বাজার হয়ে গোপনাথপুর দিয়ে পাঁচ-ছয় কিলোমিটার পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে।


মাঝি গাছা গ্রামের কৃষক মুকবুল হোসেন বলেন, সকাল বিকাল এপথে কর্মমট বাজারে যেতে হয়। সেতুর দুই পাশে সড়ক না থাকায় ওঠানামা করতে খুব কষ্ট হয়। পা ফসকে পড়ে গেলেই মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যাবে। দ্রুত সেতুর দুই প্রান্তে সংযোগ সড়ক নির্মাণের দাবি জানান তিনি।


ঠিকাদার লোকমান হোসেনের মোবাইল ফোনে কল দিলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়। উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম সুমন বলেন, সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হলেও এত দিন দুই পাশে পানি ছিল। আশা করছি এখন দ্রুত কাজটি হয়ে যাবে।


বিবার্তা/নিয়ামুল/এমবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)

১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2026 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com