ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাণিজ্যিকভাবে কেঁচোর চাষে সাড়া ফেলেছেন কৃষাণী মুর্শেদা
প্রকাশ : ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০০:৪৮
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাণিজ্যিকভাবে কেঁচোর চাষে সাড়া ফেলেছেন কৃষাণী মুর্শেদা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
প্রিন্ট অ-অ+

কেঁচোকে বলা হয় প্রাকৃতিক লাঙল। যে মাটিতে কেঁচো থাকে সে মাটিতে ফলন ভালো হয়। কেঁচো থেকে তৈরি অন্যতম জৈব সার হচ্ছে ভার্মি কম্পোস্ট। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভার্মি কম্পোস্ট-এর অন্যতম উপাদান কেঁচোর আবাদ করে সচ্ছলতা ফিরে পেয়েছে হতো দরিদ্র একটি পরিবার।


কৃষি বিভাগ জানিয়েছেন, দক্ষ উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কারিগরি সহায়তা ও প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করা হচ্ছে। ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার হলো এক জৈব সার। যা জমির উর্বরতা বাড়াতে সাহায্য করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের ইব্রাহীমপুর (দক্ষিণ) গ্রামের হতদরিদ্র কৃষক কাউসার মিয়ার স্ত্রী মুর্শেদা বেগম। কৃষি বিভাগের সহায়তায় এনটিপি-২ প্রকল্পের আওতায় ৪/৫ বছর আগে রেড ওয়ার্ম জাতের চায়না কেঁচোর আবাদ শুরু করেন। এটি এখন তার অন্যতম আয়ের উৎস্যে পরিণত হয়েছে।


কৃষানী মুর্শেদা জানান, এই সার তৈরির পদ্ধতি অনেক সহজ। এ পদ্ধতিতে কেঁচোর মলত্যাগের পর দেহ থেকে এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ বের করে যে সার তৈরি হয় তাকে কেঁচো কম্পোস্ট বা ভার্মি কম্পোস্ট বলা হয়। এছাড়া সার তৈরিতে শাক– সবজির উচ্ছিষ্ট, মুরগির বিষ্ঠা ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। প্রতিমাসে ৫/৬ কেজি কেঁচো উৎপাদন হয় যা থেকে প্রতিমাসে ১০/১২ হাজার টাকা আয় হয়।


স্থানীয়রা জানান, প্রথমে অনেকেই নাক ছিটকালেও তার সফলতায় এখন অনেকেই কেঁচো চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।


নবীনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ জাহাঙ্গীর আলম জানান, লাভজনক এ ব্যাবসা প্রসারে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও উপকরণ সরবরাহের করা হচ্ছে। মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি কৃষক ও কৃষানীরা লাভবান হবে এমনটাই প্রত্যাশা।


বিবার্তা/নিয়ামুল/এমবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)

১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2026 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com