
চা বাগানের জমি বন্ধকীর জামানতের টাকা উদ্ধারের জন্য সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী সাব্বির হোসেন নামে এক চা চাষী। তার বাড়ি পঞ্চগড়ের সদর উপজেলার সাতমেড়া ইউনিয়নের জোতসাওদা এলাকায়। আজ শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে পঞ্চগড় প্রেসক্লাবে এসে সংবাদ সন্মেলন করেন ভুক্তভোগী ওই চা চাষী ।
এসময় তার লিখিত বক্তব্য পাঠে জানা যায়, পঞ্চগড় সদর উপজেলার ইসলামপুর মৌজার ৫ দাগে ৩৩৩ শতক জমির উপর স্থাপন করা চায়ের বাগান বন্ধকী নেয়ার জন্য পঞ্চগড় শহরের রাজনগর এলাকার বাসিন্দা আনোয়ার হোসেনকে ২০২৩ সালের ১৩ মার্চ ১৫ লক্ষ টাকা প্রদান করেন। এ নিয়ে দু পক্ষের মধ্যে নন জুডিশিয়াল ষ্টামে লিখিত চুক্তি স্বাক্ষরও করা হয়। ৩ বছর মেয়াদের চুক্তি পত্রের মেয়াদ শেষ হয় চলতি বছরের ১২ মার্চ। চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেও বাগান বুঝে নিয়ে টাকা ফেতর না দিয়ে টালবাহা শুরু করেন বাগান মালিক আনোয়ার হোসেন। বাগানে পাতা কর্তণ করতে গেলেও বাঁধা প্রদান করছেন তিনি। এর আগে বিভিন্ন ভাবে আপোষ মিমাংসা করার চেষ্টা করা হলেও আনোয়ার হোসেনের পক্ষ থেকে কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।
সাব্বির হোসেন আরও জানান, ২৮ মার্চ সকালে আনোয়ার হোসেনের বাড়ি গিয়ে টাকা ফেরত চাই। তখন সে টাকা দিতে অস্বীকার করে। টাকা চাওয়ায় সে আমাকে হুমকি ধামকি প্রদান করে। এনিয়ে আমি ২ এপ্রিল পঞ্চগড় চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং স্মল টি গার্ডেন এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এর জেলা সভাপতির বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি বলে জানান তিনি।
এদিকে বাগান মালিক আনোয়ার হোসেন উল্টো তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, চা বাগানের চুক্তি শেষ হওয়ার পরেও সে বাগান বুঝে দিচ্ছেনা। বাগানের ৩২শ গাছ ধব্বংস করে ফেলছে। এসব গাছ রোপন থেকে শুরু করে উৎপাদন পর্যন্ত তৈরি করতে আর চা পাতা বাজারজাত করতে প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমি পঞ্চগড় সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আজ শুক্রবার বিকেলে থানায় এবিষয়ে বসার কথা রয়েছে বলে জানান তিনি।
বিবার্তা/বিপ্লব/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]