মার্কিন মিডিয়াবাজির অসারতা
প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর ২০১৬, ২১:৫২
মার্কিন মিডিয়াবাজির অসারতা
জিয়াউদ্দিন সাইমুম
প্রিন্ট অ-অ+

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতেই প্রখ্যাত মার্কিন বুদ্ধিজীবী ও লেখক নোয়াম চমস্কি বলেছিলেন, রিপাবলিকান দলীয় প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়ের কারণ ‘ভীতি আর ‘ভেঙে পড়া সমাজ’। তাঁর ভাষায়, ‘মার্কিন জনগণ অসহায়, বিচ্ছিন্নবোধ করছে। (তারা) শক্তিধর ক্ষমতার দ্বারা ভিকটিম- যাদেরকে তারা বুঝতে পারছে না এবং প্রভাবিত করতে পারছে না।’


চমস্কি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিবেশকে ১৯৩০ এর দশকের মার্কিন মহামন্দার সময়ের সাথে তুলনা করেন। তিনি বলেছিলেন, ‘ভাবাবেগ, দারিদ্র্য এবং দুর্ভোগ এখন অনেক বেশি। কিন্তু আগে দরিদ্র কর্মজীবী আর বেকার মানুষের মধ্যে আশার অনুভূতি ছিল, যার এখন ঘাটতি পরিলক্ষিত হচ্ছে। এর বড় কারণ জঙ্গি শ্রমিক আন্দোলনের বিকাশ এবং মূলধারার বাইরে রাজনৈতিক সংগঠনের অস্তিত্ব।’


রাখঢাক ছাড়াই এটা বলে ফেলা যায়, মিডিয়াবাজির কারণেই নির্বাচনের শুরু থেকেই আলোচনায় ছিলেন হিলারি ক্লিনটন। বিভিন্ন জরিপে হিলারির জয়ের বিষয়টি অনেকাংশেই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। নির্বাচন যেন ছিল এক ধরনের আনুষ্ঠানিকতা। তবে শেষ সময়ে সব জরিপ ভুল প্রমাণ করে অবিশ্বাস্য এক জয় পেলেন বিভিন্ন সময় বিতর্কের জন্ম দেয়া রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্প।


এদিকে ট্রাম্পের এই জয়ে মার্কিন নির্বাচন নিয়ে করা ৮৫-৯০ পার্সেন্ট জরিপই ভুল প্রমাণিত হলো।


মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত বিরাট ব্যবধানে হিলারি জয় পাবেন বলে মিডিয়া ‘নির্মিত’ তথ্য পাওয়া যাচ্ছিল। তবে ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই গণেশ উল্টে যায়। ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়ের পাল্লা ভারী হতে থাকে। সবচেয়ে দোদুল্যমান ভোটারদের এলাকা ফ্লোরিডা, ওহিও, নর্থ ক্যারোলিনা এবং ইসকনসিনে জয় পেয়ে যান ট্রাম্প। এখন হয়তো সবারই প্রশ্ন- জনমত জরিপ বিশ্লেষণকারীরা কীভাবে এত বড় ভুল করলেন?


ইউনিভার্সিটি অব ভার্জিনিয়ার সেন্টার ফর পলিটিক্সের পরিচালক ল্যারি সেবাটো বলেন, ‘আমরা কীভাবে এত বড় ভুল করলাম সেই ধাঁধা থেকে বের হওয়ার উপায় খুঁজছি।’ এই অবস্থাকে বেশ খারাপ বলে মন্তব্য করেন তিনি। তবে জরিপ বিশ্লেষকদের এই ভুলের কারণ হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শ্বেতাঙ্গ ভোটকে গণনায় না আনা এবং আফ্রিকান আমেরিকানদের ভোটের ওপর বেশি নির্ভরতা।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হিলারি-ট্রাম্প নির্বাচনী জরিপ ভুল হওয়ার আরেকটি বড় কারণ ট্রাম্পের ‘লাজুক’ ভোটার। যারা বিভিন্ন কারণে বিতর্কের জন্ম দেয়া প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ট্রাম্পকে ভোট দেয়ার কথা প্রকাশ করতে পারেননি। তবে ট্রাম্প সমর্থকরা বলছেন, দলীয় পক্ষপাতের কারণেই জরিপ ও বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ ভুল হয়েছে। তাদের এই দাবিকে কি উড়িয়ে দেয়ার সুয়োগ আছে?


নির্বাচনে জয়লাভের জন্য ট্রাম্পের ২৭০ ইলেক্টোরাল ভোটের প্রয়োজন ছিল। সেখানে তিনি পেয়েছেন ২৮৮ ভোট। অন্যদিকে হিলারি পেয়েছেন ২১৮ ইলেকটোরাল ভোট।


অথচ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণাপর্ব শুরু হওয়ার পর থেকেই ডেমোক্র্যাটিক দলের প্রার্থী, সাবেক ফার্স্ট লেডি ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিন্টনের পক্ষে যে মাত্রার জনসমর্থনের খবর ‘নিয়ন্ত্রিত’ পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমে দেখা গেছে, তাতে কেউ দুঃস্বপ্নেও কল্পনা করতে পারেনি যে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো একজন ‘পাগলাটে’ ও ‘শ্বেত জাত্যাভিমানী’ বাক্যবাগিশের কাছে হিলারির পরাজয় ঘটবে। তারপরও লন্ডনের দৈনিক গার্ডিয়ান ট্রাম্পের বিজয়কে অভিহিত করেছে ‘যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে অসম্ভব রাজনৈতিক বিজয়’ হিসেবে।


হালের নির্বাচনে পক্ষপাতদুষ্ট মিডিয়ার মতামতই যে চূড়ান্ত নয়, তা আরেক দফা প্রমাণিত হলো। প্রথাগত সাংবাদিকতার তথাকথিত নিরপেক্ষতার নীতি উপেক্ষা করে অধিকাংশ বড় পত্রিকা ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালিয়েছে। যেমন, নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট, ওয়াল স্ট্রিট জার্নালসহ যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার সংবাদমাধ্যমের প্রথম সারির পত্রিকাগুলো প্রকাশ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নিজ নিজ অবস্থান ঘোষণা করেছিল।


সম্পাদকীয় নিবন্ধসহ প্রচুর বিশ্লেষণী লেখায় পত্রিকাগুলো বলেছিল, কেন ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট করা উচিত হবে না। প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে ট্রাম্পের অযোগ্যতা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বিভিন্ন পত্রিকা ডজন ডজন যুক্তি তুলে ধরেছিল।


নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর সম্পাদকীয়র শিরোনাম ছিল, ‘হোয়াই ডোনাল্ড ট্রাম্প শুড নট বি প্রেসিডেন্ট’। হাফিংটোন পোস্ট লিখেছিল: ‘টেন রিজনস ট্রাম্প শুড নেভার বি প্রেসিডেন্ট’।


একই ধরনের শিরোনামে অজস্র পত্রিকা ও অনলাইন নিউজপোর্টালে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে জোর প্রচারণা চলেছে।


এখন দেখা যাচ্ছে, সংবাদমাধ্যমের প্রচারণার প্রভাব আমেরিকান ভোটারদের ওপর আদৌ পড়েনি। কারণ মিডিয়া রাজনৈতিক পক্ষভুক্ত হয়ে গেলে তা জনগণ ঠিকই বুঝতে পারে। কিন্তু পক্ষভুক্ত হবার কারণে মিডিয়াই তা বোঝে না। না বোঝার কারণটাও স্পষ্ট।
ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ ও সাহিত্যিক এডমন্ড বার্ক সংবাদপত্রকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বললেও হালের কর্পোরেট মিডিয়া টাইকুনদের কাছে তার দেয়া সাংবাদিকতায় নৈতিকতার সংজ্ঞা এখন বাতিল ‘পণ্য’। কারণ গোলকায়নের নিক্তিতে মাপতে গেলে বর্তমান সামাজিক কাঠামোতে কর্পোরেট মালিকানায় সংবাদপত্র বা মিডিয়া হচ্ছে কর্পোরেট ব্যবসার বহুমুখী মাধ্যমগুলোর একটি।


একদিকে এটা মালিকের ব্যবসা বৃদ্ধি ও ব্যবসার নিরাপত্তার হাতিয়ার; অন্যদিকে প্রতিযোগী বা শত্রুকে বিনাশ করার মোক্ষম ‘মারণাস্ত্র’। তাই কর্পোরেট মালিকানাধীন মিডিয়ার সাংবাদিকরা এখন আর আদৌ ‘রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ’ নন। বলা হচ্ছে ‘তারা কর্পোরেট মালিকদের ‘প্রথম স্তম্ভ’ এবং অনেক ক্ষেত্রে কর্পোরেট স্বার্থ রক্ষার আন্ডারকাভার ‘ডেথ স্কোয়াড’।


সমাজ বিবর্তনের ধারায় দিনে দিনে এভাবেই মিডিয়া জগতের নৈতিকতাকে প্রতিস্থাপন করেছে ব্যবসা আর ব্যবসার প্রধান উপজীব্য হয়ে উঠেছে কেচ্ছা। তাই আজকের এ সমাজ কাঠামোর অধীনে সাংবাদিকতা নৈতিকতা নির্ভর নয়, কেচ্ছানির্ভর। মার্কিন নির্বাচনে জনমত জরিপ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সঙ্গ কারণে।


এবারের নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মূল স্লোগান ছিল ‘উই আর গোয়িং টু মেক আওয়ার কান্ট্রি গ্রেট অ্যাগেইন’। সম্ভবত, এই স্লোগানই আমেরিকার ৭২ শতাংশ শ্বেতাঙ্গ জনগোষ্ঠীকে ট্রাম্পের প্রতি আকৃষ্ট করেছে, যা মিডিয়া ধরতে পারেনি বা ধরার চেষ্টা করেনি।


অথচ অধিকাংশ মার্কিনীর স্বপ্নের ‘গ্রেট আমেরিকা’ হলো শ্বেত জাত্যাভিমানী আমেরিকা। এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার অভিবাসীরা গিয়ে সেই আমেরিকার ‘গ্রেটনেস’ নষ্ট করেছে। অভিবাসন বন্ধ করে দিয়ে, অবৈধ অভিবাসীদের তাড়িয়ে দিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সেই পুরনো ‘গ্রেটনেস’ ফিরিয়ে আনবেন। এই হলো ট্রাম্পের ভোটারদের আকাঙ্ক্ষা।


এই ভোটারদের এক বিরাট অংশ ছিল ‘হিডেন’ বা অপ্রকাশ্য; এরা মনের কথা প্রকাশ্যে বলেনি, জনমত জরিপকারীদের ধোঁকা দিয়েছে। কারণ গণতন্ত্র, মুক্তি, সর্বজনীন মানবাধিকার, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও বহুত্ববাদ— এসব আমেরিকান আদর্শের বিপরীত কথা প্রকাশ্যে উচ্চারণ করার সময় সেদেশে এখনও আসেনি। কিন্তু দেশটির সংখ্যাগুরু শ্বেতাঙ্গ ভোটারদের বড় অংশই মনে মনে এসব আদর্শ আর মানতে চায় না।


ইউরোপসহ পৃথিবীর দেশে দেশে যে ‘বিশুদ্ধ’ জাত্যাভিমান মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে; ধর্মীয়, বর্ণগত, জাতিগত— যাবতীয় রকমের সংকীর্ণতায় মোড়ানো জাতীয়তাবাদের যে বাতাস পৃথিবীব্যাপী বইছে, হ্যামিল্টন-জেফারসনদের মহান দেশ আমেরিকাও যে তার বাইরে নেই, ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো ব্যক্তির প্রেসিডেন্ট হওয়ার মধ্য দিয়ে সেটাই প্রমাণিত হলো।


বিবিসিও তার ভুল বুঝতে পেরেছে। লজ্জার মাথা খেয়ে রায় দিলো: ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচনে জিততে এমন পাঁচটি কৌশল নিয়েছিলেন, যা অনেকের কাছে অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুর্বোধ্য ছিল। ট্রাম্পের পাঁচটি কৌশল হলো-


ট্রাম্পের ‘শ্বেত জোয়ার’: প্রথম দিকে যদিও বেশির ভাগ মার্কিন নাগরিক ট্রাম্পকে অপছন্দ করেছিল, শেষ পর্যন্ত তারাই তাকে সমর্থন দিয়েছে। যাদের একটি বড় অংশ হল শ্বেতাঙ্গ।


বিতর্ক ও কেলেঙ্কারির পরেও অবিচল থাকা: রিপাবলিকান প্রার্থী হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের অংশ নেয়ার পর থেকে তার বিরুদ্ধে একের পর এক বিতর্ক দেখা দেয়। কখনও ট্রাম্প নিজের বক্তৃতায় এমন কিছু কথা বলেছেন, যা নিয়ে বহু বিতর্কের জন্ম হয়েছে। এমনকি নারী কেলেঙ্কারির মত ঘটনায় জড়িয়ে তাকে কম দুর্ভোগ পোহাতে হয়নি। কিন্তু এসব কিছুর পরে তিনি বিচলিত না হয়ে অবিচল থেকে শেষ পর্যন্ত নির্বচনের জয়ী হলেন।



রাজনীতিতে ‘বহিরাগত’ হয়েও কাউকে পাত্তা না দেয়া: ট্রাম্প মূলত ছিলেন একজন বড় মাপের আবাসন ব্যবসায়ী। কিন্তু তিনি ব্যবসায়ী হলেও রাজনীতির মাঠে নামার পর কাউকে ছাড় দেননি। তার প্রমাণ বিশ্ববাসী একাধিকবার দেখেছে। নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিতে গিয়ে বার বার ডেমোক্রেটিক প্রার্থী হিলারি ক্লিটনের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়েছেন। এমনকি বেফাঁস কথাবার্তাও বলেছেন।


হিলারির ই-মেইল ফাঁস: নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে হিলারির ই-মেইল ফাঁস করে দেয় এফবিআই। ট্রাম্প ওই ইস্যুকে ভালোভাবেই নিজর পক্ষে কাজে লাগিয়েছেন।


নিজের ধারণার ওপর ট্রাম্পের আস্থা: ট্রাম্প শুরু থেকেই বলছিলেন তিনি হবেন প্রেসিডেন্ট। তখন অনেকেই মনে মনে তাকে পাগল নির্বোধ বলে সম্বোধন করেছেন। তিনি হয়ত নিজের অনেক সময় বুঝতেন না তিনি কী বলছেন। তারপরও তিনি কখনো হতাশ হননি। নিজের কাজের জন্য কম বির্তকের মুখোমুখি হননি। তার পরও তিনি নিজের উপর ঠিকই আস্থা রেখেছেন। হয়ত তখন জানতেন না সত্যিই সত্যিই তিনি প্রেসিডেন্ট হবেন।


দৃশ্যত নানা কারণেই ডোনাল্ড ট্রাম্প রিপাবলিকান পার্টির ১৬ জন প্রার্থীকে হারাতে পেরেছেন। এতে ব্যক্তিত্বেরও ব্যাপার আছে। মনে হয়েছে কিছু মানুষ তাঁর টিভি রিয়েলিটি শোর ব্যক্তিত্বকে পছন্দ করে ফেলেছিল। আবার এই হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের কিছু অন্তর্নিহিত কারণও আছে।


প্রথমত বলতে হয়, অনেক মার্কিনির অর্থনৈতিক অবস্থা আজ থেকে ২৫ বছর আগের তুলনায় খারাপ। পূর্ণকালীন চাকরিজীবীদের গড় আয় ৪২ বছর আগের তুলনায় কম। আর শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক দিয়ে যারা মাঝারি গোছের, তাদের পক্ষে ভালো বেতনের চাকরি পাওয়া দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে।


বস্তুত, সমাজের একদম নিচের স্তরের মানুষের প্রকৃত মজুরি (মূল্যস্ফীতি-সমন্বিত) এখনো ৬০ বছর আগের পর্যায়ে পড়ে আছে। এর ফলে ট্রাম্প যখন বলেন, মার্কিন দেশের অর্থনীতি পচে গেছে, তখন যে তিনি সমর্থন পাবেন, তাতে বিস্ময়ের কী আছে।


আসলে মার্কিন সরকারের ওপর মানুষের যে ব্যাপক আস্থাহীনতা সৃষ্টি হয়েছে, সেটাই হচ্ছে ট্রাম্পের সমর্থনের ভিত্তি। কিন্তু ট্রাম্পের প্রস্তাবিত নীতির কারণে পরিস্থিতি হয়তো আরও খারাপ হবে। কারণ, তাঁর নীতিও তো ধনী তোষণমূলক।


লেখক: সাংবাদিক, প্রাবন্ধিক


বিবার্তা/জিয়া/কাফী

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

৪৬, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ

কারওয়ান বাজার (৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২১৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com