
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে গেল ১০ দিনের ব্যবধানে একে একে তিনটি মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটেছে। একের পর এক চুরির ঘটনায় সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার না থাকায় এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হওয়ায় চোর চক্র নির্বিঘ্নে তাদের তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।
জানা গেছে, রবিবার (৫জুলাই) যোহরের নামাজের সময় মসজিদের সামন থেকে একটি মোটরসাইকেল চুরি হয়েছে। এর দুইদিন আগে গত শুক্রবার (৩ জুলাই) থানাহাট বাজার কাচাবাজারের সামন থেকে একটি ডিসকাভার মোটরসাইকেল ও ২৪ জুন উপজেলা পরিষদের ভিতর থেকে দিনদুপুরের একটি ডিসকাভার মোটরসাইকেল চুরি হয়ে গেছে। এটিকে এলাকাবাসী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি মনে করছেন।
এদিকে একটির পর একটি চুরির ঘটনা ঘটলেও থানাপুলিশের চোর শনাক্ত কিংবা গাড়ি উদ্ধারে তেমন কোনো তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি।
এলাকাবাসীর দাবি, গত কয়েক মাস ধরেই চিলমারীর বিভিন্ন পয়েন্টে মাদকসেবীদের আনাগোনা বেড়েছে। এর ফলেই চুরি ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। রাতে চিলমারী ও থানাহাটের প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে পর্যাপ্ত পুলিশি টহল না থাকায় সুযোগ নিচ্ছে অপরাধীরা।
স্থানীয় বাসিন্দা মেহেদী হাসান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, চিলমারীর মতো শান্ত এলাকায় মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে এতগুলো গাড়ি চুরি হয়ে গেল, যা ভাবাই যায় না। আমরা এখন নিজেদের মালামাল নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। দ্রুত চোর চক্রকে ধরা না হলে আমাদের কোনো নিরাপত্তা থাকবে না।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন মহল জানান, চিলমারীতে একের পর এক চুরির ঘটনা এটাই প্রমাণ করে যে, এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কতটা নাজুক হয়ে পড়েছে। দ্রুত এই আন্তঃজেলা চোর চক্রকে গ্রেফতার করা না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
চিলমারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার জানান, মামলা হয়নি, গতবছরের একটা মামলা আছে, ওটা নিয়ে কাজ করতে হবে।
বিবার্তা/রাফি/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]