মায়ের ভালোবাসায় শিক্ষার্থীদের গড়তে চায় বিজবন্ড আইটি
প্রকাশ : ২৬ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৬:২০
মায়ের ভালোবাসায় শিক্ষার্থীদের গড়তে চায় বিজবন্ড আইটি
উজ্জ্বল এ গমেজ
প্রিন্ট অ-অ+

অনলাইন ফ্রিল্যান্সিংয়ে আব্দুল হামিদের হাতেখড়ি ২০০৮ সালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাস বিষয় নিয়ে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। পরে চাকরির আশায় না ঘুরে নিজের উদ্যোগে কিছু করার স্বপ্ন নিয়ে ঘরে বসে শুরু করেন অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার। শুরুতে তেমন সফলতা না পেলেও অদম্য মনোবল, ধৈর্য ও কঠোর পরিশ্রম তাকে সফলতার দ্বারপ্রান্তে এনে দিয়েছে। বর্তমানে তিনি বিজবন্ড আইটি লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টরের দায়িত্ব পালন করছেন।


সম্প্রতি রাজধানীর ফার্মগেটের ফার্মভিউ সুপার মার্কেটে বিজবন্ডের অফিসে বিবার্তার সঙ্গে কথা বলেন আব্দুল হামিদ। একান্ত আলাপে বেরিয়ে আসে তার জীবনের নানা কাহিনী। ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু এবং ক্যারিয়ারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা হয় তার সঙ্গে। সেই গল্প বিবার্তা২৪ডটনেটের পাঠকদের জানাচ্ছেন উজ্জ্বল এ গমেজ।


আব্দুল হামিদের জন্ম সিরাজগঞ্জে। শৈশব থেকেই ইচ্ছে, বড় হয়ে কলেজের অধ্যাপক হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় সেই ইচ্ছে যায় বদলে। এবার বিসিএস ক্যাডার বা সরকারি কর্মকর্তা হওয়ার ইচ্ছা জাগে মনে। তারও পরে একটা সময় এসে মনে হলো চাকুরি করে মানুষের সেবা করা যাবে, কিন্তু নিজের সিদ্ধান্তকে বাস্তবায়ন করা যাবে না। আর একজন কর্মকর্তা হিসেবে যতটুক কাজ করা যাবে এর চেয়ে বেশি করা যাবে একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক হলে। তাই পড়াশুনা শেষে আর চাকরির দিকে তাকাননি।


স্বপ্ন দেখা এবং তা বাস্তবায়ন করা সব মানুষের পক্ষেই সম্ভব নয়। তবে উদ্যোগ ও সদিচ্ছা থাকলে অনেকের পক্ষে সম্ভব। জ্ঞানীদের এই কথাকে নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করতে আব্দুল হামিদ ২০১০ সালে শুরু করেন অনলাইননির্ভর বিজনেস বিজবন্ড । এসময় তিনি অনুভব করেন, তার উদ্যোগ বাস্তবায়িত করতে হলে একটি দক্ষ ও যোগ্য টিম দরকার। এরকম একটি টিম তৈরি করার জন্যই চিন্তা করেন ট্রেনিং ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করার। ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠা করেন আউটসোর্সিং ক্যারিয়ার গড়ার প্রতিষ্ঠান বিজবন্ড আইটি। এর মাধ্যমে মায়ের মতো ভালোবাসা দিয়ে প্রতিটি ছাত্রকে গড়ে তুলতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।



আব্দুল হামিদ জানান, প্রথমে শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি পরে ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে রূপ লাভ করে। এখানে যারা শিক্ষা নেবে, কাজ করবে সবাই একটা আত্মার বন্ধনের মধ্যে থাকবে। আর দেশে বেকার তরুণ-তরুণী যারা ভাল কর্মসংস্থানের চিন্তা করছে, অনেকেই চাকুরি করছে কিন্তু সন্তুষ্ট না, তার যে প্রয়োজন তা পাচ্ছে না। এসব মানুষ যেন নিজেই অনলাইন আউটসোর্সিং এর প্রশিক্ষণ নিয়ে কাজ করে সুন্দরভাবে জীবনযাপন করতে পারে তার জন্য এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা।


তিনি বলেন, বাংলাদেশের অনেক শিক্ষিত বেকার তরুণ-তরুণী রয়েছে। তাদের মেধা আছে, কিন্তু চাকুরি পাচ্ছেন না। কিন্তু অনলাইনে ক্যারিয়ার গঠন করার মধ্য দিয়ে এই সমস্যা দূর করা সম্ভব। এই লক্ষ্য নিয়ে দেশের সবচেয়ে বড় ফ্রিল্যান্সার কমিউনিটি তৈরি করতে চায় বিজবন্ড আইটি। প্রত্যেকটা শিক্ষার্থীকে সফল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে গড়ে তোলাই প্রতিষ্ঠানটির প্রধান উদ্দেশ্য।


শুরুতে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স, এসিআই লিমিটেড, গ্রামীণফোনসহ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজ করেন আব্দুল হামিদ। তখন সরকারি ডিজিটাল ফেয়ার, ই-কমার্স ফেয়ার, আইটি এক্সপোতে অংশগ্রহণ করেন। পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সার ও অনলাইন আউটসোর্সিং এক্সপার্টদের সাথে পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা নেন। সেইমতো প্রশিক্ষণ নিয়ে শুরু করেন সিপিএ মার্কেটিং ও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ব্যবসা। অনলাইনের এই কাজগুলো কোন রকম বিড করা ছাড়াই করা যায় বলে শুরু থেকেই বেশ ভালো করছিলেন তিনি। কাজটি সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতেই এই আইটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। কিছু দিন কাজ করার পর পার্টনাররা তাকে ঠকিয়ে চলে যান। ফলে একাধিকবার পার্টনার চেঞ্জ করতে হয়েছে। অনেক টাকা ব্যয় হয়েছে। হোঁচট খেয়ে ব্যবসা বন্ধ হওয়ার পথে চলে যায়। তবুও হতাশ হননি, হাল ছাড়েননি, সাহস নিয়ে এগিয়ে যান তরুণ এ উদ্যোক্তা।



আব্দুল হামিদ জানান, শুরুতে পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো রকম অর্থনৈতিক সাপোর্ট দেয়া হয়নি। ধারদেনা করে পদে পদে আঘাত পেয়ে, অনেক সংগ্রাম করে নিজের সন্তানের মতো করে গড়ে তুলেছেন বিজবন্ড আইটি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট। এসব করতে গিয়ে অনেক চ্যালেঞ্জ এসেছে। সেগুলো তিনি মোকাবেলা করে আজ এই পর্যন্ত এসেছেন। তাই যারা এই প্রতিষ্ঠানে শেখার জন্য আসবেন তাদেরকে মায়ের স্নেহে শিক্ষা দিতে চান তিনি।


আব্দুল হামিদ বলেন, বেকার তরুণ-তরুণীকে ফ্রিল্যান্সিংয়ে ক্যারিয়ার গড়তে সারাদেশে বিনামূল্যে গ্রাফিক্স ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং ও ওয়েব ডিজাইনের ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্সের আয়োজন করেছে সরকার। এই কোর্সে তাদের ৫০ দিনে ২০০ ঘন্টার প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে পরিচালিত ‘লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং ডেভেলপমেন্ট’ প্রকল্পের আওতায় এ প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষকদের দিয়ে এই প্রশিক্ষণ পরিচালিত হচ্ছে। সরকারের উদ্দেশ্য ভালো ও সৎ। এটা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।


তিনি বলেন, তবে একজন ছাত্রকে শুধু প্রশিক্ষণ দিলেই যথেষ্ট না, আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিংয়ের কারিগরি বিষয়গুলো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেয়ার পর একজন ছাত্র যখন নিজে কাজ করতে যান, তখন পদে পদে নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হন। আর তখনই তাদের অতিরিক্ত সাপোর্ট ও গাইডেন্সের প্রয়োজন হয়। এটা একজন নতুন ফ্রিল্যান্সারের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেসব প্রতিষ্ঠান ওই সময়টাতে মেন্টর হিসেবে তাদের সাপোর্ট ও সময় দিতে পারে, শুধু তারাই এই ক্যারিয়ারে সফল হন। বাকিরা ইচ্ছে, আগ্রহ ও চেষ্টা থাকা সত্ত্বেও সাফল্যের মুখ দেখতে পান না। সফল হলেও তাদের সংখ্যা খুবই কম। তারা অনেক কিছুই শিখছেন, কিন্তু শেখার প্রধান যে উদ্দেশ্য টাকা আয় করা, সেটা আর হচ্ছে না।



মেন্টরশিপ নিয়ে ছাত্রদের বক্তব্য বিষয়ে হামিদ বলেন, তারা মনে করে প্রশিক্ষণের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ শেষে কাজ করার সময় সঠিক পরামর্শ ও গাইডলাইনের। এটা না থাকলে সফলতা ধরা দেয় না।


এদিক থেকে বিজবন্ড আইটিতে যারা প্রশিক্ষণ নিতে আসেন তাদের সাথে আগে কথা বলে মনোভাব বুঝতে চেষ্টা করা হয়। ছাত্রটা কী শুধু জানার জন্য প্রশিক্ষণ নিচ্ছে, না জীবনের প্রয়োজনে টাকা আয় করার জন্য। অনেকেই আসেন, কেউ কেউ না বুঝেই প্রশিক্ষণ নেন। পরে যখন বুঝতে পারেন এই পথ তার জন্য না, তখন থেমে যান। আবার অনেকে শেখার মনোভাব নিয়ে শুরু করেন কিন্তু ডিটারমিনেশন না থাকায় চ্যালেঞ্জের মুখে মাঝপথে থেমে যান।


কথা প্রসঙ্গে জানা গেল, বিজবন্ড আইটিতে আউটসোর্সিংয়ের জন্য ৩০ জন দক্ষ প্রশিক্ষক দিয়ে সিপিএ মার্কেটিং, ইউটিউব মার্কেটিং, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, থ্রিডি আনিমেশন, এসইও, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট কোর্সগুলো করানো হয়। চট্টগ্রামেও বিজবন্ডের একটা শাখা রয়েছে। শত শত শিক্ষার্থী এখন দুটি প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন।


বিজবন্ডে যারা আসে তাদেরকে শুধু প্রশিক্ষণ দিয়েই ছেড়ে দেয়া হয় না। কোর্স শেষে প্রত্যেক ছাত্রের বিশেষভাবে যত্ন নেয়া হয়। গাইড করা হয়। তারা যেন নিজে কাজ করে স্বাবলম্বী হতে পারে এ জন্য সব ধরনের সাপোর্ট দেয়া হয়। এর ফলে গত দুই বছরে এখান থেকে সহস্রাধিক প্রশিক্ষণার্থী সফলভাবে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এদের মধ্যে যারা অনলাইনকে ক্যারিয়ার হিসেবে নিয়েছেন, যারা মাঝপথে থেমে না গিয়ে নিয়মিত কাজ করছেন তাদের সবাই আজ সফল।



অনলাইনকে ক্যারিয়ার হিসেবে নিয়ে যারা কাজ করতে চান তাদের উদ্দেশ্যে আব্দুল হামিদের ভাষ্য, আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হতে ভালো মানের কাজ জানতে হবে। কোনোরকম বা অল্প কাজ জানা স্টুডেন্টরা কখনোই এ কাজে তাদের ক্যারিয়ারকে দীর্ঘ করতে পারবেন না। আত্মবিশ্বাস, পরিশ্রম ও ধৈর্যের কোনো বিকল্প নেই। কোনো ছাত্র যদি মনে করেন কিছু কাজ শিখলাম, নেটে বসে ডেস্কটপে বা ল্যাপটপে কাজ করলাম, আর আমার ডলার চলে আসবে, বিষয়টা এমন না। প্রথমে একজন ফ্রিল্যান্সারকে মনে রাখতে হবে, একটা কাজ ভালভাবে শিখে তারপর কাজে মন দিতে হবে। মনোযোগ দিয়ে কাজ করলে সাফল্য আসবেই। কারও সফলতা আসতে সময় বেশি লেগে যেতে পারে। এ জন্য হতাশ হলে চলবে না।


পাশাপাশি সময়কে মূল্য ও গুরুত্ব দিতে হবে। যে যতটুকু সময় অনলাইনে থাকবে, ওই সময়টুকু তাকে পুরোপুরি সঠিক ব্যবহার করতে হবে। পুরো সময়টা তাকে আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে। ব্যর্থতা আসবে। কিন্তু লেগে থাকলে নিশ্চিত এক দিন তার সফলতা আসবেই। এছাড়াও প্রতিনিয়ত নতুন নতুন বিষয় জানার, শেখার আগ্রহ থাকতে হবে। ইংরেজিতে কথা বলা ও লেখায় দক্ষতা অর্জন করতে হবে। এটা অনলাইন ক্যারিয়ারকে করে তুলবে সহজ।



বর্তমান প্রেক্ষাপটে ক্যারিয়ার হিসেবে আউটসোর্সিং বিষয়ে আব্দুল হামিদ বলেন, এ পেশায় বাংলাদেশ আজ বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। বড় বড় প্রতিষ্ঠান আজ বাংলাদেশকে তাদের পছন্দের তালিকায় স্থান দিচ্ছে। এটি একটি বড় অর্জন। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, এ অর্জনটিকে ধরে রাখতে পারলে ও বাস্তবে পরিপূর্ণভাবে রূপ দিতে পারলে একদিন দেশে আর বেকার সমস্যা থাকবে না।


আগামী বছরের শুরু থেকে প্রতি ব্যাচে দুইজনকে সম্পূর্ণ ফ্রি প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। বিশেষ করে যাদের বাবা বা মা নেই, প্রশিক্ষণ নেয়ার জন্য ইচ্ছে আছে, কিন্তু কোনো উপায় নেই, এমন গরীব শিক্ষার্থীকে শিখানো হবে ফ্রিতে। প্রতি ব্যাচে ১০ জন শিক্ষার্থী থাকে। দুইজনকে ফ্রি পড়ালে প্রতিষ্ঠানে তেমন কোনো প্রভাব পড়বে না। সারা বছরে ১০০ জন শিক্ষার্থীকে ফ্রি প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের সফল হওয়া পর্যন্ত সব ধরনের সাপোর্ট দেয়া হবে।


বাংলাদেশের বিশাল বেকার জনগোষ্ঠীকে তথ্য প্রযুক্তির প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জন করায় ভূমিকা রাখতে চায় বিজবন্ড। স্বাধীনতার ৪৫ বছর পর বিজয়ের মাসে অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রামে জয়ী হওয়ার স্বপ্ন দেখে প্রতিষ্ঠানটি। অনলাইন আউটসোর্সিং ক্যারিয়ার গঠন করার মধ্য দিয়ে সেই স্বপ্ন পূরণ করে ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারবে বলে প্রতিষ্ঠানটি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে।


বিজবন্ড চায় দেশের বেকারদের কর্মসংস্থান তৈরির একটা ব্র্যান্ড হিসেবে কাজ করতে। একজন ফ্রিলান্সার প্রতিমাসে ভালভাবে কাজ করলে অনায়াসেই ২০০-৩০০ ডলার আয় করতে পারে। আবার কাজের কোয়ালিটি ঠিক থাকলে ও দক্ষ হলে ওই ব্যক্তিই ২০০০-৩০০০ ডলারও আয় করতে পারে। বিজবন্ড চায় শিক্ষার্থীদের কাজের কোয়ালিটির জায়গাতে কাজ করতে। এ উদ্যোগে সরকারের পক্ষ থেকে যদি কোনো সহযোগিতা পায়, তাহলে আরো বড় পরিসরে কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। ইতোমধ্যেই চট্টগ্রামে একটা শাখা খোলা হয়েছে। আগামী বছরে সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ সব জেলা ও বিভাগীয় শহরে শাখা খোলার পরিকল্পনা রয়েছে।


বিবার্তা/উজ্জ্বল/হুমায়ুন/মৌসুমী

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

৪৬, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ

কারওয়ান বাজার (৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২১৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com