সাতক্ষীরার কলারোয়া ও আশাশুনি উপজেলা থেকে আলাদা ঘটনায় এক যুবক ও এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। যুবকের মরদেহটি একটি নর্দমা থেকে এবং বৃদ্ধের মরদেহ খাল থেকে উদ্ধার করা হয়। যুবকের ক্ষেত্রে তাকে হত্যার পর লাশ ফেলে রাখা হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে কলারোয়া উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের পাশে গ্রামীণফোন টাওয়ার সংলগ্ন একটি নর্দমা থেকে মেহেদী হাসান (২৬) নামে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মেহেদী হাসান কলারোয়া উপজেলার কয়লা ইউনিয়নের বাসিন্দা মিজানুর রহমানের ছেলে। পেশায় মধু ব্যবসায়ী মেহেদীর স্ত্রী ও চার বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে মেহেদী হাসানের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। শুক্রবার সকালে জালালাবাদ এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলামের স্ত্রীর বোন সালেহা ময়লা ফেলতে গিয়ে নর্দমায় একটি মরদেহ দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে জানালে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের মা মনোয়ারা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলে গতকাল সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। সকালে কিছু লোক এসে খবর দেয়, কে বা কারা তাকে জালালাবাদে মেরে ফেলে রেখে গেছে।’
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহীন বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।’
ওসি আরও জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এরই মধ্যে সিআইডির একটি তদন্ত দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং পুলিশ রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ করছে।
এদিকে, জেলার আশাশুনি উপজেলার বেউলার শ্বেতপুর খাল থেকে মো. আব্দুর রহিম (৭৫) নামে এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি আশাশুনি উপজেলার শ্বেতপুর গ্রামের মৃত ফরিদ মালির ছেলে।
বিবার্তা/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]