
বাগে পেয়েও সুযোগটা কাজে লাগাতে পারল না পাকিস্তান। সিলেট টেস্টে বাংলাদেশকে অল্প রানে আটকানোর সুযোগ পেয়েছিল তারা। তবে পাকিস্তানকে সেই সুযোগটা নিতে দেননি লিটন দাস। দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশকে প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রানের সংগ্রহ এনে দিয়েছেন তিনি। অথচ একটা সময় বাংলাদেশ দেড় শ রান করতে পারবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কা জেগেছিল। কেননা ইনিংসের শুরু থেকেই ধাক্কা খাচ্ছিল বাংলাদেশ।
শুরুটা হয়েছিল মাহমুদুল হাসান জয়ের ‘ডাক’ মারা দিয়ে। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ।লিটন যখন ব্যাটিংয়ে নামেন তখন বাংলাদেশের দলীয় স্কোর ছিল ৪ উইকেটে ১০৬ রান। ক্রিজে নামার পর মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজের বিদায়ও দেখলেন দ্রুত।
স্বীকৃত ব্যাটার বলতে তখন শুধু তিনিই।তবে অন্যরা উইকেটের মিছিলে যোগ দিলেও নিঃসঙ্গ শেরপার মতো লড়ে গেলেন লিটন। শুধু লড়লেন না প্রতিপক্ষের শিরদাঁড়া দিয়ে শীতল পানিও নামালেন তিনি। কাজটা করতে অবশ্য তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন বোলাররা। কেননা দলের সর্বোচ্চ ৬৪ রানের জুটিটি হয়েছে ৯ম উইকেটে।
লিটনের সঙ্গী ছিলেন শরীফুল। তার আগে আরেকটি পঞ্চাশোর্ধ্ব জুটি হয়েছে ৭ম উইকেটে। তাইজুল ইসলামকে নিয়ে ৬০ রানের জুটি গড়েন উইকেটরক্ষক ব্যাটার। পরে পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি হাঁকালেন লিটন। মাঠের চতুর্দিকে মোহাম্মদ আব্বাস-খুররাম শেহজাদদের বল আছড়ে ফেললেন তিনি। সেঞ্চুরিটাও করেছেন দেখার মতো। তিন অংক স্পর্শ করতে যখন ১ রানের প্রয়োজন তখন শেহজাদকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৬ষ্ঠ সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। ১২৬ রানের ইনিংসটি সাজিয়েছেন ১৬ চার ও ২ ছক্কায়।
লিটনের পরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রান করেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নিয়েছেন শেহজাদ। অন্যদিকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩টি নিয়েছেন আব্বাস।
বিবার্তা/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]