
‘মিরপুরে নিষ্পাপ শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় এবং গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে একাধিক শিশু ধর্ষণের ঘটনায় ৯০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ করে অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করার দাবি’ জানিয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপের শীর্ষ নেতৃদ্বয় বলেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতিই রামিসার ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ি।’
বৃহস্পতিবার (২১ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এই দাবি জানান।
তারা বলেন, ‘শিশু রামিসার সাথে ঘটে যাওয়া বর্বর ঘটনা সমগ্র জাতির সাথে সাথে আমাদেরওকেও গভীরভাবে মর্মাহত, ক্ষুব্ধ ও ব্যথিত। একইসঙ্গে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে সারাদেশে তিনটি শিশু ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে একটি ঘটনায় ধর্ষণের পর শিশু হত্যার শিকার হয়েছে। বনশ্রীতে মাদ্রাসার এক শিশুও বলাৎকারের শিকার হয়েছে। ’
নেতৃদ্বয় আরও বলেন, ‘রামিসার ওপর চালানো এই পাশবিক নির্যাতন শুধু একটি পরিবারের নয়, সমগ্র জাতির বিবেককে নাড়িয়ে দিয়েছে। একটি রাষ্ট্র কতটা নৈতিক, সামাজিক ও মানবিক অবক্ষয়ের দিকে গেলে শিশু পর্যন্ত নিরাপদ থাকে না, রামিসা হত্যাকাণ্ড তারই নির্মম প্রমাণ।
ন্যাপ নেতারা বলেন, ‘রমিসার পিতার বক্তব্য, 'আমি বিচার চাই না। আপনারা বিচার করতে পারবে না।' যেন রাষ্ট্র ও সরকারের জনগণের মনের কথা ও বিচারবিভাগের উপর ভিকটিমের আস্থাহীনতারই প্রতিধ্বনি। শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা ও মরদেহ দ্বিখণ্ডিত করার এই বর্বরোচিত ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। অতীতে তনু হত্যাকাণ্ড এবং হাদি হত্যার আসামিদের এখনো উপযুক্ত শাস্তি না হওয়ায়, এই বিচারহীনতার সুযোগেই দেশে প্রতিনিয়ত এমন জঘন্য অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটছে।’
তারা বলেন, ‘ঘর থেকে স্কুল শুরু করে কোথাও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত নয়, যা আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার ব্যর্থতা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির ফল। অপরাধীরা বারবার শাস্তি এড়িয়ে যাওয়ায় তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। কেন বারবার এমন ঘটনা ঘটছে, তার জবাব রাষ্ট্রকে দিতে হবে। একটি রাষ্ট্রের সফলতা নির্ভর করে তার সবচেয়ে দুর্বল নাগরিকের নিরাপত্তার ওপর। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে রাষ্ট্র তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ।’
বিবার্তা/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]