সুপ্রিম কোর্টের এজলাসে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত অত্যন্ত দুঃখজনক: অ্যাটর্নি জেনারেল
প্রকাশ : ২০ জুন ২০২৬, ১৪:২৫
সুপ্রিম কোর্টের এজলাসে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত অত্যন্ত দুঃখজনক: অ্যাটর্নি জেনারেল
বিবার্তা প্রতিবেদক
প্রিন্ট অ-অ+

সুপ্রিম কোর্টের এজলাসে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারে সম্মিলিতভাবে প্রধান বিচারপতিকে অনুরোধের কথাও জানান তিনি।


এদিকে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ট্রাইব্যুনালে দাখিল হওয়া কোনো অভিযোগই যাতে প্রতিহিংসামূলক বা ভুয়া না হয়, সে বিষয়ে প্রসিকিউশন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।


শনিবার (২০ জুন) ঢাকা ক্লাবে সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের (এসআরএফ) বার্ষিক সাধারণ সভায় যোগ দিয়ে তারা এসব কথা বলেন।
দুপুরে রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টাস ফোরামের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর ও আইন বিটের সাংবাদিকসহ জ্যেষ্ঠ আইনজীবীরা।
অনুষ্ঠানে অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, রামিসা হত্যা মামলাটির আপিল শুনানি দ্রুততম সময়ে করতে রাষ্ট্রপক্ষ উদ্যোগ নিয়েছে। এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের এজলাসে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে সম্মিলিতভাবে প্রধান বিচারপতিকে অনুরোধ করা হবে বলেও জানান তিনি।
এসময় সুপ্রিম কোর্টের সাংবাদিকতা একটি পেশাদারিত্বের জায়গা ধরে রেখেছে জানিয়ে এ অবস্থান ধরে রাখার আহ্বান জানান তিনি।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, ট্রাইব্যুনালে দাখিল হওয়া একটি অভিযোগও যাতে প্রতিহিংসামূলক ও ভুয়া না হয়, এ বিষয় কঠোর অবস্থানে প্রসিকিউশন। তবে মামলার সংখ্যা বাড়ছে, ফলে দুটি ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যক্রমে চাপ তৈরি হতে পারে বলেও জানান তিনি।
এ সময় মামলাজট নিরসনে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবীরা।
আইনজীবী শিশির মনির বলেন, সুপ্রিম কোর্টে সাংবাদিকদের ঢুকতে না দেয়ায় বিচার বিভাগের সঙ্গে সাংবাদিকদের একটি মানসিক দূরত্ব তৈরি হচ্ছে। বর্তমানে জুলাই আগস্টের বিচার ধীরগতি হয়ে গেছে। এমন হলে আলামতগুলো নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
রামিসার বিচারের তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, যদি এই মামলাটি দ্রুত হয়ে থাকে, তাহলে বুঝতে হবে রাষ্ট্রের দ্রুত বিচার করার সক্ষমতা আছে। সাড়ে বারোশো মৃত্যুদণ্ডের মামলা দ্রুত শেষ করার জন্য স্পেশাল কোর্ট করতে পারে। সবচেয়ে বড় কথা বিচার অঙ্গনে বড় ধরনের পরিবর্তন না হলে মানুষের ভেতরে হতাশা কাজ করবে।


বিবার্তা/এসএম

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)

১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2026 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com