
মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে দুই দিনব্যাপী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭৭ জন অবৈধ অভিবাসী কর্মীকে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জোহর অভিবাসন বিভাগের পরিচালক মো. রুসদি মো. দারুস।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গোপন গোয়েন্দা তথ্য ও সাধারণ মানুষের অভিযোগের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে বিভিন্ন খাবারের দোকান এবং সবজি প্যাকেটজাতকরণ কারখানায় তল্লাশি চালানো হয়।
আইন অমান্যকারী অভিবাসীদের পাশাপাশি তাদের নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
অভিযানের প্রথম দিন, গত ২৭ এপ্রিল, নগরীর বেশ কয়েকটি খাবারের দোকানে একযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানে বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই ওয়েটার ও রাঁধুনি হিসেবে কাজ করার দায়ে ৩৯ জন অভিবাসীকে আটক করা হয়। আটকদের মধ্যে ২৬ জন মিয়ানমারের, ১১ জন বাংলাদেশি এবং ২ জন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক।
এসময় অবৈধভাবে কর্মী নিয়োগের দায়ে এক মালয়েশীয় মানবসম্পদ ব্যবস্থাপককেও হেফাজতে নেয়া হয়েছে।
পরদিন, ২৮ এপ্রিল, অভিযানটি সম্প্রসারিত করা হয় একটি সবজি প্যাকেটজাতকরণ কারখানায়। সেখানে বৈধ পরিচয়পত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়া এবং ভিজিট পাস ব্যবহার করে অবৈধভাবে কাজ করার অভিযোগে আরও ৩৮ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ৩৭ জন ইন্দোনেশীয় এবং একজন চীনের নাগরিক।
অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় ও কর্মসংস্থানের সুযোগ দেয়ার অভিযোগে কারখানার এক মালয়েশীয় ব্যবস্থাপককেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে কর্তৃপক্ষ।
বর্তমানে আটক ৭৭ জন অভিবাসীকে সেতিয়া ট্রপিকা ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ এবং ভিসার শর্তভঙ্গ ও অতিরিক্ত সময় অবস্থানের দায়ে তদন্ত শুরু করেছে অভিবাসন বিভাগ। জোহর ইমিগ্রেশন পরিচালক স্পষ্ট জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ার শ্রম আইন ও অভিবাসন নীতিমালা লঙ্ঘনকারী কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকেই ছাড় দেয়া হবে না এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।
বিবার্তা/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]