
নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ তলা বিশিষ্ট নির্মাণাধীন একাডেমিক ভবনের কাজ বন্ধ রয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অভিযোগ চাহিদা মোতাবেক ৪ থেকে ৭ শতাংশ কমিশন না দেওয়ায় প্রকৌশলী বিভাগ কাজে বাধা দিচ্ছেন।
অন্যদিকে প্রকৌশলী বিভাগের দাবি, নির্মাণ সামগ্রী নিম্নমানের হওয়ায় কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। ঠিকাদার এবং প্রকৌশলী বিভাগের বিপরীতমুখী অবস্থানের কারণে থমকে গেছে ৬ কোটি ৮৮ লাখ টাকার এই প্রকল্পটি।
শনিবার (১৮জুলাই) বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মাঠের অধিকাংশ এলাকা জুড়ে দিনের পর দিন পড়ে আছে বালু ও পাথরের বিশাল স্তুুপ। যে কারণে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের সকালের সমাবেশ (অ্যাসেম্বলি) বন্ধ রয়েছে। সামান্য বাতাসে পুরো মাঠ ধুলিময় হয়ে ওঠায়, প্রতিনিয়ত নাকাল হতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। বন্ধ রয়েছে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা। নতুন ভবনের বেজমেন্ট তৈরির জন্য খনন করা গভীর গর্তে বৃষ্টির পানি জমে ডোবার সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে যে কোন মুহুর্তে খেলার ছলে শিক্ষার্খীদের পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ইডেন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী রেজাউল আলম বলেন, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা কাজের মোট বাজেটের ৪ থেকে ৭ পার্সেন্ট কমিশন না দেওয়ায়, নিমার্ণ কাজ বন্ধ রেখেছে। নির্মাণ সামগ্রী মান খারাপের বিষয়ে কৃর্তপক্ষ তা বাচাই করেনি। বালু ও পাথরের মান খারাপ হলে পরিবর্তন করে দেওয়ার কথাও বলেন তিনি।
নড়াইল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী অরুনাভ রায় রবিবার (১৯ জুলাই) সকালে বলেন, ঠিকাদারের কাজের মান সিডিউল মোতাবেক না হওয়ায় সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, নিয়ম অনুযায়ী কাজ না হলে কার্যাদেশ বাতিল পূর্বক নতুন ঠিকাদার নিয়োগ করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।
নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো, মহিউদ্দিন বলেন, প্রকৌশল বিভাগ ও ঠিকাদারের মধ্যে রেষারেষির কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষাকার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে। আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে এই সংকটের সমাধান চাই।
বিবার্তা/শরিফুল/এসএম
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]