
আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানির পশু হৃষ্টপুষ্ট করণে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারীরা। জেলার প্রায় ১৫ হাজার খামারে চলছে কোরবানির পশু হৃষ্টপুষ্ট করনের কাজ। খামারিরা জানান গো খাদ্যের উর্ধ্বগতিতে বেড়েছে খামারের ব্যয়। পাশাপাশি সীমান্ত দিয়ে চোরাইভাবে গরু আসা নিয়ে শংকায় রয়েছেন তারা। তবে প্রাণি সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, জেলায় উৎপাদিত পশু দিয়েই স্থানীয়ভাবে কোরবানির চাহিদা মেটানো সম্ভব।
আসন্ন ঈদুল আজহায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা প্রায় ১ লক্ষ ৬৯ হাজার। কোরবানি যোগ্য পশু রয়েছে ১ লাখ ৩২ হাজার ৩৩৫টি। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পশু দিয়েই জেলার চাহিদা মিটবে বলে আশা করছেন খামারিরা। ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার ৭৯২ জন খামারী দিন রাত প্রাকৃতিক উপায়ে পশু হৃষ্টপুষ্ট করণের কাজ করছেন। প্রতিটি খামারে ছোট, মাঝারি ও বড় সবধরণের কোরবানির পশু রয়েছে। খামারিরা জানান, গো খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বেড়েছে খামারের ব্যয়। গরু প্রতি মাসিক ব্যয় বেড়েছে ৭/৮ হাজার টাকা । প্রতি মন ফিড ১২৫০ টাকা থেকে বেড়ে ১৩শ ২০ টাকা , প্রতিকেজি সাইলেস আগে সাড়ে ৭ টাকায় কিনলেও এখন ৮/৯ টাকায় কিনতে হচ্ছে। বাড়তি খরচ বহন করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে খামার মালিকরা। তবে প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে অবৈধ পথে কোরবাণির পশু আসলে খামারীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এদিকে জেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কোরবানির চাহিদা মিটাতে জেলার খামারগুলোতে পর্যাপ্ত কোরবানির পশু রয়েছে । খামারিদের গবাদি পশু হৃষ্টপুষ্ট করণে স্টেরয়েডের ব্যবহার রোধে সচেতনতামূলক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
কোরবানীর জন্য প্রয়োজনীয় পশু প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়ে হৃষ্টপুষ্টকরণে ক্ষতিকর স্টেরয়েডের ব্যবহার রোধে নানা পদক্ষেপের কথা জানান, জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা হাবিবুল ইসলাম।
খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় সংশ্লিষ্টরা তৎপর হবেন এমনটাই প্রত্যাশা ।
বিবার্তা/নিয়ামুল/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]