
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হলফনামায় তথ্য গরমিল ছিলনা। বরং যে ভূল ছিল তা বা জানার ছিল রিটার্নিং কর্মকর্তা চাওয়ার পরে সেটি সংশোধন দেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পেইড প্রপাগাণ্ডা সেল থেকে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ছড়ানো হচ্ছে।
৭ জানুয়ারি, বুধবার দুপুরে পঞ্চগড় শহরের নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এমন দাবি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী সারজিস আলম।
এসময় তিনি বলেন, আমার আয়কর রিটার্ন ও হলফনামা নিয়ে সোসাল মিডিয়াতে কে বা কাহারা বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছেন। আয়কর রিটার্ন ও হলফনামায় তথ্যের গরমিলের কথা বলা হয়েছিল ডেইলি স্টারে।
হলফনামার ব্যাপারে তিনি বলেন, যেদিন মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয় সেদিন সবাই যাচাই-বাছাই করেন। এখানে উপস্থিত ছিলেন আমাদের মাননীয় জেলা প্রশাসক, রিটার্নিং অফিসার । আমাদের হলফনামায় যেগুলো দেওয়া ছিল সেগুলো সব ঠিক ছিল। আয়কর রিটারনে তথ্যের ভিত্তিতে একটা মিসটেক করেছি, আমাদের এডভোকেট এর টাইপিং একটা মিসটেক ছিল যেখানে যার নয় লক্ষ টাকার লেখার কথা ছিল সেখানে তিনি ২৮ লক্ষ টাকা লিখেছিলেন। ওই মুহূর্তে জেলা প্রশাসক বলেছিলেন যে আপনারা আবার একটা নতুন পাতা তৈরি করে সাবমেন্ডারি আমাদেরকে জমা দিবেন। আমরা সেটাতে সম্মতি যাপন পোষণ করেছি। পরবর্তীতে আমরা আমাদের যে অনিচ্ছাকৃত ভুল ছিলো সেটা আমরা আবার পাতা তৈরি করে দিয়েছি এবং এটা কিন্তু আইনগতভাবে করা যায় সেটা সবার সামনেই আমরা বলেছি। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে হয়, চারদিক দিয়ে শুরু করে এবং বিভিন্ন মিডিয়াতে যেভাবে ফ্রেমিং করে গুজব ছড়ানো হচ্ছে সেটা অত্যন্ত লজ্জাজনক দুঃখজনক। আমার কাছে মনে হয়েছে এটা একটা প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে হয়রানি করা।
তিনি আরও বলেন, আমি নাকি ওবায়দুল কাদেরকে দেশ ছেড়ে পালাতে আমার গাড়িতে করে সহযোগিতা করেছি। যারা আমাদের পেলে কল্লা আলাদা করে দেবে তাদের আমরা সহযোগিতা করবো। বিএনপি বর্তমানে নানা ধরনের গুজব ছড়াচ্ছে। ভয়ভীতি দেখাচ্ছে লোকজনকে, নির্বাচনে কালো টাকার প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। যেটি আওয়ামী লীগ করেছিল।
তিনি বলেন, আমি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পন্য সরবরাহের ব্যবসা বাণিজ্য যুক্ত হয়েছি কিছুদিন আগে। আমরা কোন ধরনের তথ্য গোপন করিনি। যা সত্য তাই দেখিয়েছি। যেহেতু সদ্য বিবাহিত আমি সে কারণে স্ত্রীকে তেমন কিছু দেইনি। সে এখনো পড়াশোনা করছে, গৃহিণী সে, কোন ব্যবসা বাণিজ্যের সাথে যুক্ত নয়।
এ সময় তিনি সকলের উদ্যেশ্যে বলেন, যে আমার এই এক থেকে দেড় বছরের ভিতরে আমার বিরুদ্ধে কেউ যদি কোন দুর্নীতির অভিযোগ এনে দিতে পারেন আইনগতভাবে আপনারা যা ব্যবস্থা নিবেন আমি তাই মাথা পেতে নিব।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা ও উপজেলা এনসিপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী সহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।
বিবার্তা/গোফরান/এসএস
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]