
যশোরে চলন্ত মোটরসাইকেলে গুলি চালিয়ে বিএনপি নেতা আলমগীর হত্যা মামলায় তার জামাই পরশসহ দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।
৪ জানুয়ারি, রোববার দুপুরে পুলিশ সুপারের কনফারেন্স রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম।
আটককৃতরা হলেন, নিহতের জামাই শংকরপুর এলাকার বাসেদ আলী পরশ ও একই এলাকার আমিনুল ইসলাম সাগর। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় দুজনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন নিহতের স্ত্রী।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, মূলত শ্বশুরের সম্পত্তি ও গাড়ির প্রতি লোভ ছিল জামাইয়ের। এছাড়া মেয়ের ওপর দীর্ঘদিনের ক্ষোভও ছিল তার। সেই লোভ ও ক্ষোভের জের ধরেই হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।
এছাড়া আমিনুল ইসলাম সাগরের সঙ্গেও আলমগীরের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শত্রুতা চলছিল। তারা দুজনই পূর্বপরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করে বলে তিনি জানান। তবে তারা কেউ সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নেননি। ভাড়াটে খুনি দিয়ে এ হত্যা সংঘটিত হয়েছে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, শনিবার সন্ধ্যায় ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন খুন হন। মোটরসাইকেলে যাওয়ার পথে পাশ থেকে আরেকটি মোটরসাইকেলে থাকা সন্ত্রাসীরা তার মাথা লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়।
পরে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশ যৌথভাবে অভিযানে নেমে তাদের আটক করে। অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম।
বিবার্তা/এসএস
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]