
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বন্যার ক্ষতি পুসিয়ে নিতে পদ্মার বিস্তীর্ণ চরে বিভিন্ন ধরণে ফসল চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথেই সোনার ফসল ফলাতে জমি চাষ ও বীজ বপনে ব্যস্ত এখন তারা। ক্ষতি পুসিয়ে নিতে চরের কৃষকদের প্রণোদনাসহ সবধরণের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন কৃষি বিভাগ।
চলতি রবি মৌসুমে দৌলতপুর উপজেলার পদ্মার বিস্তীর্ণ চরে বিভিন্ন ধরণের ফসল ফলাতে কৃষকদের এখন ব্যস্ততার শেষ নেই। টানা বন্যার ক্ষতি পুসিয়ে সোনালী ফসলের সমারোহ ঘটাতে চলছে বিরামহীন কর্মযজ্ঞ। চলতি মৌসুমে পদ্মার চরে ১২ হাজার ৫৩০ হেক্টর জমিতে গম, মসুর, ভুট্টা, সরিষা, আলু, পেঁয়াজ, রসুন ও মোটর সহ বিভিন্ন ধরণের ফসলের চাষ হয়েছে। যা মোট আবাদযোগ্য জমির প্রায় অর্ধেক। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে ভাল ফলনের আশা কৃষকদের।
রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের কৃষক সোহেল হোসেন জানান, বন্যার সময় পদ্মার চর জলমগ্ন থাকে। ওই সময় চরে কোন ফসল হয়না। আবার বন্যায় ফসল তলিয়ে আমাদের মত অনেক কৃষক ক্ষত্রিগ্রস্থ হোন। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে ক্ষতি পুসিয়ে নিতে বিভিন্ন ধরণের ফলস চাষে ব্যস্ত হয়ে পড়েন কৃষকরা।
তিনি জানান, গম, মসুর, ভুট্টা, সরিষা, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, মোটর ও খেসাড়িসহ বিভিন্ন ধরণের ফসলে চাষ হচ্ছে পদ্মার চরে। ইতোমধ্যে অর্থকরী ফসল পেঁয়াজ উঠতে শুরু করেছে। কৃষকরা দামও ভালো পাচ্ছেন। অন্যান্য ফসলে ফলনও ভালো হবে বলে আশা করছেন তিনি।
দৌলতপুরে মোট আবাদযোগ্য জমি ৩২ হাজার ৩৫০ হেক্টর। এরমধ্যে পদ্মার চরেই রয়েছে ১২ হাজার ৫৩০ হেক্টর আবাদি জমি। যা বন্যা সময় পানিতে তলিয়ে যায়। বন্যার পানি নেমে যাওয়র পর পরই কৃষকরা রবি ফসল ফলাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। তাই কৃষকদের প্রণোদনার পাশাপাশি সব ধরণের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে দৌলতপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রেহেনা পারভীন।
যারা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সোনালী ফসল ফলায়, সেই সোনা ফলানো কৃষকদের সার্বিক সহায়তা দিলে সমৃদ্ধ হবে কৃষি। ফলে কমবে আমদানি নির্ভরতা।
বিবার্তা/শরীফুল/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]