সাক্ষাতকার
সাংবাদিকতায় নতুন বাস্তবতা সৃষ্টি হয়েছে : শ্যামল দত্ত
প্রকাশ : ২৬ আগস্ট ২০২১, ২১:০৬
সাংবাদিকতায় নতুন বাস্তবতা সৃষ্টি হয়েছে : শ্যামল দত্ত
উজ্জ্বল এ গমেজ
প্রিন্ট অ-অ+

আপনি যদি কাল গিয়ে বলেন, একটা পত্রিকা বের করতে চাই, তাহলে পেতে পারেন। খোঁজ নিয়ে দেখাই হবে না যে, আপনার কী যোগ্যতা আছে। কে সাংবাদিক, কে মালিক, কে সম্পাদক এদের কি কোনো সুনির্দিষ্ট নীতিমালা আছে? উত্তর হবে নাই। যার জন্য এখন যে কেউ বলতে পারেন কালকে আমি সম্পাদক, মালিক বা সাংবাদিক।
কথাগুলো বলছিলেন দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত। গণমাধ্যমের মতো দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান পরিচলনার জন্য প্রত্যেকটা ইস্যুতে সুনির্দিষ্ট পলিসি বা নীতিমালা তৈরি সময়ের দাবি বলেও মনে করেন এই জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক।


সম্প্রতি রাজধানীর মালিবাগস্থ দৈনিক ভোরের কাগজের অফিসে বিবার্তা২৪.নেটের সাথে কথা বলেন ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত। একান্ত আলাপে উঠে আসে দেশের মূলধারার গণমাধ্যমগুলোর অতীত ও বর্তমান অবস্থা, চ্যালেঞ্জ, সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব, এসব সমস্যা উত্তরণে করণীয় এবং সেইসাথে প্রিন্ট মিডিয়ার ভবিষ্যৎ বিষয় নিয়ে তার গঠনমূলক ভাবনা। দীর্ঘ আলাপের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বিবার্তার পাঠকদের জন্য এখানে তুলে ধরা হলো।


বিবার্তা: আপনি যখন সাংবাদিকতা শুরু করেন আর এখনকার সাংবাদিকতায় কোনো পার্থক্য দেখছেন কি?


শ্যামল দত্ত : পার্থক্য তো অনেক। তখনকার গণমাধ্যম বাস্তবতা আর এখনকার বাস্তবতার মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। আমরা যখন আশির দশকের শেষের দিকে সাংবাদিকতা শুরু করি ৩৫ বছর পর যদি মূল্যায়ন করি তাহলে বলবো যে, একেবারে ভিন্ন একটা বাস্তবতায় আমাদের এখন কাজ করতে হচ্ছে। এখন একটা নতুন বাস্তবতা এসেছে। সাংবাদিকতার ধরনের পার্থক্য, সাংবাদিকতার মালিকানার পার্থক্য, সম্পাদকীয় প্রতিষ্ঠানের পার্থক্য এবং সর্বোপরি টেকনোলজির পার্থক্য। প্রযুক্তির এতো বেশি প্রভাব হয়েছে যে গণমাধ্যমেরর অনেক কিছুই পাল্টে গেছে। গণমাধ্যমের ধরন পাল্টেছে, গণমাধ্যমের স্বাদ পাল্টেছে এবং পাঠকের রুচিও পাল্টেছে। সেইসাথে গণমাধ্যমের চ্যালেঞ্জও পাল্টেছে। আগে গণমাধ্যমের এতো চ্যালেঞ্জ ছিল না। গণমাধ্যমের এতো প্রকৃতিও ছিল না। টেলিভিশন ছিল না, অনলাইন ছিল না। সব মিলিয়ে বর্তমানে সাংবাদিকতায় একটা নতুন বাস্তবতা সৃষ্টি হয়েছে।