‘বেসিসকে একটা ভবিষ্যতমুখী সদস্যবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চাই’
প্রকাশ : ২০ ডিসেম্বর ২০২১, ১৩:১৯
‘বেসিসকে একটা ভবিষ্যতমুখী সদস্যবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চাই’
উজ্জ্বল এ গমেজ
প্রিন্ট অ-অ+

মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল একজন সিরিয়াল টেকনোপ্রেনার। টেকনোলজি, ফাইন্যান্স এবং ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে সফটওয়্যার আর্কিটেক্ট, কনসালটেন্ট, মেন্টর এবং উদ্যোক্তা হিসেবে তার রয়েছে ২ যুগেরও বেশি অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের আইসিটি ইন্ডাস্ট্রির একজন পাইওনীয়ার হিসেবে এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স সল্যুশনসকে জনপ্রিয় করার পেছনে রয়েছে তার অসামান্য অবদান। বিদেশে পড়াশোনা শেষে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ নিয়েই দেশে ফিরে প্রতিষ্ঠা করেন অ্যাডভান্সড ইআরপি। বিভিন্ন শিল্পে অটোমেশনের গুরুত্ব বোঝানোর মাধ্যমে বাংলাদেশে ইআরপি সল্যুশনসের জনপ্রিয়তা তৈরিতে ভূমিকা রাখেন তিনি ও তার সমসাময়িক উদ্যোক্তাগণ। এখন পর্যন্ত আইসিটি ইন্ডাস্ট্রির উন্নয়ন এবং এর ইকোসিস্টেম প্রতিষ্ঠায় নিরন্তর কাজ করে চলেছেন তিনি। বর্তমানে তার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, মানবসম্পদ উন্নয়ন, সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন, বিজনেস ইন্টেলিজেন্স এবং ই-কমার্স খাতে কাজ করে চলেছেন।


এবারের অনুষ্ঠেয় দেশের সফটওয়্যার প্রস্তুত ও রফতানিকারকদের শীর্ষ বাণিজ্যিক সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) ২০২২-২৩ মেয়াদে কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচনে প্রজ্ঞা ও তারুণ্যের সমন্বয়ে ১০ সদস্যের ‘সিনার্জি স্কোয়াড’ প্যানেলে জেনারেল সদস্য ক্যাটাগরিতে প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করছেন অ্যাডভান্সড ইআরপি (বিডি) লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল।


তিনি বেসিসের দুই মেয়াদে সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে কার্যনির্বাহী পরিষদে কাজ করেছেন। ২০১৮-২০ মেয়াদে কার্যনির্বাহী পরিষদে লোকাল মার্কেট স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন এই উদ্যোক্তা।


নির্বাহী কমিটির ২০২২-২৩ নির্বাচন হবে ২৬ ডিসেম্বর। ২ বছর মেয়াদে ১১টি পদের জন্যে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।



রবিবার (১৯ ডিসেম্বর) বিবার্তার মুখোমুখি হন তিনি। জানান বেসিস নির্বাচনের হালচাল নিয়ে গঠনমূলক ও আশাবাদী নানান কথা। সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করেছেন বিবার্তা২৪ডটনেটের নিজস্ব প্রতিবেদক উজ্জ্বল এ গমেজ।


বিবার্তা: আপনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন কেনো?


মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল: আমি মনে করি, এবারে যে চ্যালেঞ্জের মুখে সমগ্র ইন্ডাস্ট্রি এবং যে সব নতুন সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত আমাদের সামনে তাতে তারুণ্য আর অভিজ্ঞতার সমন্বয় খুবই জরুরি। আমি এর আগে দুই বার বেসিসের ইসি সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হয়েছি। গত টার্মে লোকাল মার্কেট বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান হিসাবে কাজ করেছি। বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা এবং রিলেশনশিপ দুই-ই আমার আছে। আবার যত জন ইলেকশন করছেন, এই কম্বিনেশন আর কারো নেই। আমি মনে করি, আমি আমার এই অভিজ্ঞতা খুব কার্যকর ভাবে আমাদের সদস্যদের ব্যবসায় সম্প্রসারণ এবং নিরাপদ করার কাজে ব্যবহার করতে পারবো। এই তাড়না থেকেই এবার ইলেকশনে অংশ গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত।


বিবার্তা: আপনার কী মনে হয়, এবারের নির্বাচন বেসিসের গতিশীলতার জন্য কেনো জরুরি?


মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল: শুধু বাংলাদেশ নয়, করোনা অতিমারিতে সারা পৃথিবীর প্রায় সকল রকমের ব্যবসায়িক কার্যক্রম গত প্রায় দুই বছর ভীষণভাবে প্রভাবিত হয়েছে। আমরা যারা প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করি আমাদের যেমন বিভিন্ন রকম চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে, তেমনি অনেক নতুন নতুন সম্ভাবনার দ্বারও উন্মোচিত হয়েছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এবং নতুন সম্ভাবনার সর্বোচ্চ সুযোগ নেয়া- এই দুই লক্ষ্য পূরণ করতেই আমাদের ভবিষ্যতমুখী প্রাজ্ঞ ইন্ডাস্ট্রি লিডারশীপের কোনো বিকল্প নেই। এবার আমাদের ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি নিয়ে কাজ করছে এমন ব্যক্তিদের যেমন দরকার, তেমনি দুর্যোগের সময় সঠিক নেতৃত্ব দিতে পারবে এমন প্রাজ্ঞ নেতৃত্বও দরকার। এই সমন্বয়টা সব সময় সহজ হয় না। হয় না বলেই এবারের নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, কোনো রকমের ভুল আমাদের অস্তিত্ব সংকটের কারণ হয়ে পড়তে পারে।



বিবার্তা: সদস্যরা কেনো আপনাকে ভোট দেবে?


মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল: যেমনটা বলেছি, আমি এর আগে পর পর দুই টার্ম নির্বাচিত হয়ে বোর্ডে কাজ করেছি। এবার বিভিন্ন প্যানেল থেকে যারা নির্বাচন করছেন সবার সাথে কাজ করার বেশি অভিজ্ঞতা আমার আছে। গত টার্মে আমি লোকাল মার্কেট স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে করোনাকালীন সময়ে লোকাল মার্কেটে সক্রিয় বেসিসের সবচাইতে বড় সদস্য সেগমেন্ট নিয়ে কাজ করেছি। এই অভিজ্ঞতা আমাকে সামনে যে নতুন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে তা মোকাবেলা করার জন্য যথেষ্ট সাহায্য করবে বলে মনে করি। আমার এই ইউনিক অভিজ্ঞতা বোর্ডের কার্যকারিতাকে অনেকাংশে বাড়িয়ে দিবে বলে আমার বিশ্বাস।


বিবার্তা: নির্বাচিত হলে বেসিসকে কোন স্তরে দেখতে চান?


মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল: আজ বেসিসে১হাজার আটশরবেশি সদস্য রয়েছে। আমাদের ইন্ডাস্ট্রি যেভাবে উন্নতি করছে তার সাথে তাল মিলিয়ে বেসিস একটি ভবিষ্যতমুখী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠবে এটাই বিশ্বাস। আমরা অন্যান্য দেশের ট্রেডবডিগুলোর সাথে সমতার ভিত্তিতে কোলাবরেট করে আমাদের সদস্যদের নতুন নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারবো বলে মনে করি।


বিবার্তা: নতুন মেয়াদে কমিটির সামনে কী ধরনের চ্যালেঞ্জ থাকবে বলে মনে করছেন?


মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল: করোনা পরবর্তী বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং নতুন সম্ভাবনার সুযোগ নেয়ার জন্য নিজেদের প্রস্তুত করা সবচাইতে বড় চ্যালেঞ্জ হবে বলে আমার বিশ্বাস। সরকার ব্যাপকভাবে ডিজিটালাইজেশনের যে উদ্যোগ নিয়েছেন তাতে আমাদের প্রচুর সু্যোগের সৃষ্টি হয়েছে। এই সুযোগের ফলাফল গুটি কয়েক সদস্যের পরিবর্তে পুরো ইন্ডাস্ট্রি কিভাবে নিতে পারে তার পরিবেশ নিশ্চিত করাও আগামী দিনের একটি বড় চ্যালেঞ্জ আমাদের সামনে থাকবে। নতুন নতুন বাজারে প্রবেশ করা, ট্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচারকে সদস্যবান্ধব করা, স্কিলড রিসোর্সের অভাব দূর করতে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া, সদস্যদের অ্যাক্সেস টু ফান্ডের সুবিধা বাড়ানো ইত্যাদি চ্যালেঞ্জ আমাদের সামনে মোকাবেলা করতে হবে।



বিবার্তা: আপনি নির্বাচনে জয়ী হলে কোন কাজগুলোকে অগ্রাধিকার দিবেন?


মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল: সদস্যরা যদি আমাকে তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে জয়ী করেন তাহলে সংগঠনটির সার্বিক উন্নয়নে বিশেষ দিকগুলোতে নজর দিবো। সেগুলো হলো-


১. বেসিসের ইন্টারনাল কম্পিটেন্স এবং জবাবদিহিতা বাড়িয়ে মেম্বার সার্ভিসের মান উন্নত করা।


২. আমরা অ্যাক্সেস টু ফান্ড, ল্যাক ইফ স্কিল্ড রিসোর্স, চ্যালেঞ্জ ইন একয়ান্ডিং মার্কেট, পলিসি সাপোর্ট, ট্যাক্স রেজিম ইত্যাদি যে এক্সটারনাল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছি তার জন্য বাস্তবায়ন যোগ্য প্র‍্যাগমেটিক কার্যপ্রণালী তৈরি করা।


বিবার্তা: বেসিস সদস্যদের সার্বিক উন্নতির জন্য আপনার কী পরিকল্পনা থাকবে?


মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল: বেসিস একটি ইন্ডাস্ট্রি ট্রেডবডি যার মূল লক্ষ্য এর সদস্যদের ব্যবসা বাড়ানো, ব্যবসাকে সাস্টেনেবল করা এবং ব্যবসা করার ক্ষেত্রে যেসব প্রতিবন্ধকতা আসে তা দূর করতে বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারদের সাথে কাজ করা। এর একটি দিক বেসিসের ইন্টারনাল ফ্যাক্টরস। যেমন মেম্বার সার্ভিসের দুর্বলতাগুলো দূর করা। আর একটি দিক এক্সটারনাল ফ্যাক্টর তথা বাজার সম্প্রসারণ, ক্যাপাসিটি বিল্ডিং এবং ইজ অব ডুয়িং বিজনেস এই তিন ক্ষেত্রে অর্থবহ কার্যপ্রণালী তৈরি ও বাস্তবায়ন করা। এই দুই ফ্যাক্টর মাথায় রেখে আমি আগামী দুই বছর খুব নির্দিষ্ট কিছু কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে চাই।



ইন্টারনাল ফ্যাক্টর: বেসিসের মেম্বার সার্ভিস উন্নত করা এবং উন্নত মেম্বার এক্সপেরিয়েন্স নিশ্চিত করার জন্য আমি যেসব কাজ করতে চাই। যেমন-


১. বেসিসের মেম্বার সেলফ সার্ভিস অবকাঠামো ঢেলে সাজানোর ব্যবস্থা করবো যাতে, রেগুলার স্ট্যান্ডার্ড সার্ভিসগুলো কোনো হিউম্যান ইন্টার্ভেনশন ছাড়া নির্ভুল ও নিখুঁতভাবে সম্পন্ন হয়।


২. প্রতিটি সার্ভিসের জন্য সিটিজেন চার্টারের মত মেম্বার চার্টার প্রণোয়ন করা হবে এবং সুনির্দিষ্ট সার্ভিস লেভেল অ্যাসিওরেন্সের পদ্ধতি প্রণয়ন করা হবে।


৩. প্রতিটি সেবা গ্রহণের পর মেম্বার সেটিসিফ্যাকশন সার্ভে করা হবে এবং এই সার্ভের ফলাফল সেবাদাতা এবং সেবার মানের বাৎসরিক মূল্যায়নে ব্যবহার করা হবে।


৪. মেম্বারদের ২৪/৭ সেবা নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিকমানের কল সেন্টার সার্ভিসের সম্ভাব্যতা পর্যালোচনা করা হবে।



এক্সটারনাল ফ্যাক্টরস: সদস্যদের ব্যবসা সম্প্রসারণ ও ইজ অব ডুয়িং বিজনেস নিশ্চিত করতে যে কাজ করতে চাই। যেমন-


১. সদস্যদের মধ্যে ইন-অর্গানিক কোলাবোরেশনের মাধ্যমে ক্যাপাসিটি বৃদ্ধির জন্য প্রি-অ্যাক্টিভ উদ্যোগ নিবে বেসিস। এতো জন্য টাউনহল থেকে শুরু করে নির্দিষ্ট ডেস্কের মাধ্যমে ম্যাচ-মেকিংয়ের অবকাঠামো তৈরি করা হবে।


২. লোকাল বাজারর সম্প্রসারণের জন্য দেশীয় সফটওয়্যারের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে পলিসি রিফর্মের জন্য সরকার এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হবে।


৩. সেবা এবং উৎপাদন উভয় খাতের শিল্প উদ্যোক্তাদের সাথে নিয়ে ইন্ডাস্ট্রি কম্প্যাটিবল সফটওয়্যার তৈরির গাইডলাইন থেকে শুরু করে অ্যাডপশন স্ট্র্যাটেজি প্রণোয়ন করা হবে। বিভিন্ন গ্রাহক ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সাথে কোলাবরেশনের মাধ্যমে সাস (SaaS) মডেলে দেশীয় সফটওয়্যারের বাজার তৈরি করা হবে।


৪. বিদেশি প্রযুক্তির প্রয়োগ এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য দেশিয় সক্ষমতা তৈরি করে আগামী ৩ বছরের মধ্যে বিদেশি রিসোর্সের উপর নির্ভরশীলতা সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনার জন্য কর্মপরিকল্পনা প্রণোয়ন ও বাস্তবায়ন করা হবে।


৫. বিদেশে বাজার সৃষ্টি ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে টার্গেট মার্কেটগুলোতে বাংলাদেশ দূতাবাস এবং সেই দেশগুলোর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সাথে অর্থবহ যোগাযোগ ও সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করা হবে।


৬. ফ্রিল্যান্সার ডিরেক্টরি তৈরি করে লোকাল মার্কেটপ্লেস তৈরি করা হবে যাতে I টিইএস (TES) সদস্যদের দক্ষ মানবসম্পদ পেতে সুবিধা হয়।


৭. বেসিসের উদ্যোগে ফ্রন্টিয়ার টেকনোলোজির দক্ষতা বাড়াতে আন্তর্জাতিক সংস্থা, দেশিয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে যৌথ কোর্স চালু করার উদ্যোগ নেয়া হবে।


৮. পেমেন্ট প্রাপ্তি, ট্যাক্স রেজিম, ইন্সেন্টিভ প্রাপ্তি ইত্যাদি ফাইন্যান্সিয়াল ট্রানজেকশনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান জটিলতা নিরসনে সসদ্যবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে এখন পর্যন্ত অর্জিত সাফল্যগুলোর ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সাথে কোলাবোরেশন জারি রাখা হবে।



বিবার্তা: নির্বাচন উপলক্ষে বেসিস সদস্যদের জন্য কিছু বলুন:


মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল: যাদের একটি ভবিষ্যতমুখী, বাস্তবায়নযোগ্য পরিকল্পনা আছে এবং সফলভাবে বাস্তবায়ন করার মতো একটি বিশ্বাসযোগ্য এবং অভিজ্ঞ টিম আছে তাদেরকেই নির্বাচিত করুন। It is not about looking good, it is about doing good.


বিবার্তা/গমেজ/জহির

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com