‘বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চাই’
প্রকাশ : ২১ নভেম্বর ২০২১, ০৮:৪৬
‘বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চাই’
মহিউদ্দিন রাসেল
প্রিন্ট অ-অ+

নব প্রতিষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জের প্রথম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. জেড. এম. পারভেজ সাজ্জাদ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এই অধ্যাপক সম্প্রতি নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজের অগ্রগতি ও তাঁর পরিকল্পনা নিয়ে বিবার্তা২৪ ডটনেটের সাথে একান্ত আলাপচারিতায় কথা বলেছেন। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন বিবার্তা প্রতিবেদক মহিউদ্দিন রাসেল।


বিবার্তা : নব প্রতিষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জের প্রথম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। এ বিষয়ে আপনার অনুভূতি কেমন?


ড. জেড এম পারভেজ সাজ্জাদ : প্রথমেই আমি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করছি বাঙালির মহান নেতা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। আমি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এএইচএম কামরুজ্জামানকে। স্মরণ করছি মহান মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহীদ ও দুই লাখ নির্যাতিত মা বোনদের। আমি স্মরণ করছি ১৫ আগস্টসহ বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের শিকার সকল শহীদদের।


গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি, অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল হামিদের মহতি উদ্যোগে তাঁর মাতৃভূমিতে বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নামে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ’ প্রতিষ্ঠিত করার জন্য, আমার ও কিশোরগঞ্জবাসীর পক্ষ থেকে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। একই সাথে আমি সশ্রদ্ধ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি মহামান্য রাষ্ট্রপতির প্রতি আমাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জের প্রথম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব দেয়ার জন্য। আমি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি। আশা করি সবার সহযোগিতায় মহামান্য রাষ্ট্রপতির উদ্যোগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নামে প্রতিষ্ঠিত ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ’ কে সত্যিকারের একটি বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চাই। অনুভূতির কথা যদি বলি, বঙ্গবন্ধুর নামের প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব পেয়ে আমি নিজেকে সম্মানিত বোধ করছি।


বিবার্তা : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জের কাজের অগ্রগতি কেমন?


ড. জেড এম পারভেজ সাজ্জাদ : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জের কাজের অগ্রগতি যথেষ্ঠ ভালো, আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। সবাই মনে করে, কাজ কেন দেখতে পাচ্ছি না, অবকাঠামো উন্নয়ন কেন শুরু হচ্ছে না ! কিন্তু, একটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো তৈরি শুরু হওয়ার আগে অনেক গুলো প্রক্রিয়া অতিক্রম করতে হয়। এগুলো একে একে শেষ করে শুরু হয় কনস্ট্রাকশন।


নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রথম চারটি কাজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কাজগুলো হলো জমি অধিগ্রহণ করা, অ্যাকাডেমিক পরিকল্পনা ও অর্গানোগ্রাম তৈরি করা, মাস্টার প্ল্যান করে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সার্বিক উন্নয়ন প্রস্তাব তৈরি করা ও সিন্ডিকেট গঠন করা। এই প্রত্যেকটি কাজ অনেকগুলো ধাপে সম্পাদিত হয় এবং এই কাজগুলো অনুমোদনের জন্য পর্যায়ক্রমে সিন্ডিকেট, ইউজিসি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয় এবং সর্বশেষ একনেক মিটিংয়ে অর্থের অনুমোদন হয়। অর্থের অনুমোদন পাওয়ার পরই টেন্ডারের মাধ্যমে অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ শুরু হয়।


ধরুন জমি অধিগ্রহণের কথাই যদি বলি, তাহলে প্রথমই আসবে কোথায়, কোন মৌজা, কোন কোন দাগ নাম্বারের মোট কত একর জমির উপরে বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থাপিত হবে, সেটি ঠিক করা। তারপর সংশ্লিষ্ট জেলার ভূমি অফিসের মাধ্যমে সম্ভাব্য প্রাক্কলন নেয়া, এরপর উক্ত জমি অধিগ্রহণের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রশাসনিক অনুমোদন নেয়া। তারপর জমি অধিগ্রহণের জন্য প্রজেক্ট প্রোপজাল রেডি করা এবং সেটি উল্লিখিত বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে সর্বশেষ একনেক সভায় অনুমোদিত হওয়া। অর্থপ্রাপ্তির সাপেক্ষে ডিসি অফিসে জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব দেয়া ইত্যাদি। আমাদের জমি অধিগ্রহণের জন্য ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা) তৈরির কাজ চলছে।


২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম কিশোরগঞ্জে ভবন ভাড়া করে শুরু হবে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অ্যাকাডেমিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। আগামী ১০ বছরে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেবর বৃদ্ধি পেয়ে চল্লিশটি বিভাগ, ৬টি অনুষদ, পাঁচটি ইনস্টিটিউট, তিনটি সেন্টার এবং আটটি বিশ্বমানের বিশেষায়িত গবেষণা কেন্দ্রে উন্নিত হবে। শিক্ষার্থী সংখ্যা দাঁড়াবে ১৫ হাজারে।


কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বৌলাই ইউনিয়নে ১০৩.৮৭ একর জমির উপরে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হবে। আমরা ইতোমধ্যেই জমি অধিগ্রহণের প্রশাসনিক অনুমোদন পেয়েছি। আমাদের সিন্ডিকেট গঠন প্রায় শেষ পর্যায়ে। মহামান্য রাষ্ট্রপতির সহযোগিতায় আমরা খুব কম সময়ে এই কাজগুলো করতে পেয়েছি। ডিপিপি তৈরির কাজ চলছে, আশা করি বিস্তৃত মাস্টার প্ল্যানের মাধ্যমে, আধুনিক যুগের চাহিদার সাথে সংগতি রেখে, যুগোপযোগী বিভাগ খোলাসহ, শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক প্রযুক্তির সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন একাডেমিক ভবন, গবেষণাগার, ছাত্র-ছাত্রী হল, সংস্কৃতিচর্চার জন্য ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র, শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উন্নত আবাসনসহ বিশ্ববিদ্যালয়কে, জলাধার-বাগান-বৃক্ষে, সবুজ শিক্ষাঙ্গনে রূপ দেয়ার লক্ষ্যে পরিকল্পনা চলছে। আপনাদের সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।



উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর রাষ্ট্রপতির সাথে সাক্ষাতে ড. জেড এম পারভেজ সাজ্জাদ


বিবার্তা : দেশে নব প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো জমি অধিগ্রহণসহ বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন হচ্ছে এমন অভিযোগও আসছে। আপনি কোনো বাধার সম্মুখীন হয়েছেন কিনা?


ড. জেড এম পারভেজ সাজ্জাদ : মহামান্য রাষ্ট্রপতির দিকনির্দেশনায় আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি অধিগ্রহণ থেকে শুরু করে সবগুলো কাজ কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই করতে পারছি।


বিবার্তা : একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারনী ফোরাম হচ্ছে সিন্ডিকেট। এই সিন্ডিকেট মিটিং শুরু করার বিষয়ে আপনার পরিকল্পনা কী?


ড. জেড এম পারভেজ সাজ্জাদ : আমাদের সিন্ডিকেটের ১০ জন মেম্বার বাইরের। এর মধ্যে ৭ জন আমি পেয়ে গেছি, বাকি ৩ জন আশাকরি এই সপ্তাহের মধ্যেই পেয়ে যাবো। নতুন অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয় ৭ জন সিন্ডিকেট মেম্বার এখনো পায়নি। ফলে এদিক থেকে আমরা অনেক এগিয়ে গেছি। আশা করি, সপ্তাহ খানেকের মধ্যে বাকি ৩ জন মেম্বার পেয়ে গেলে সিন্ডিকেটের মিটিং করতে পারবো। এই সিন্ডিকেটের মিটিংয়ে ডিপিপি অনুমোদন হতে হবে। সিন্ডিকেট না হওয়া পর্যন্ত আমি এটা করতে পারবো না। জমি অধিগ্রহণের ডিপিপির কাজ চলছে।


এ মাসের ভিতরে সিন্ডিকেটের বাকি ৩ জন সদস্য যদি পায় তাহলে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দ্রুত জমি অধিগ্রহণের ডিপিপি অনুমোদন করতে পারবো। সেই ডিপিপি যাবে ইউজিসিতে, সেখান থেকে যাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে, তারপর প্ল্যানিং মিনিস্ট্রিতে। সেখান থেকে যাবে অর্থ মন্ত্রণালয়ে। সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একনেক সভায় ওই টাকার চূড়ান্ত অনুমোদন হয়ে ডিপিপি পাস হবে। এরপর আমি ডিসি অফিসে জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব দিবো, এই জমি অধিকরণের প্রস্তাব তৈরি করতে গেলে ২০ ধরনের ডকুমেন্টস লাগে, যেমন জমির ম্যাপ, ট্রেসিং, ডিপিপি অ্যাপ্রভাল, জমি অধিগ্রহণের প্রশাসনিক অনুমোদন, জমির ভিডিও ইত্যাদি। সবগুলো কাজ দ্রুততার সাথে চলছে।


বিবার্তা : বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক বিষয়ে কী কী পরিকল্পনা নিয়েছেন?


ড. জেড এম পারভেজ সাজ্জাদ : আমাদের অ্যাকাডেমিক যে ডেভেলপমেন্ট আছে সেটার কথা যদি বলি সেখানে আরও বেশি ডেভেলপমেন্ট হয়েছে। আমাদের অর্গানুগ্রামও হয়ে গেছে অর্থাৎ এটা হচ্ছে একাডেমিক প্ল্যান। আগামী ১০ বছরে অ্যাকাডেমিক প্ল্যান কী হবে এখানে বিস্তারিত উল্লেখ আছে। এটা সাধারণত একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের বয়স ৩/৪ বছর হওয়ার পরে করা হয়। এটার নাম অর্গানোগ্রাম। আমরা এটা প্রস্তুত করে রেখেছি। করোনা মহামারিতে যখন সবকিছু বন্ধ, তখন আমি নিজেই বিশ্বের বিভিন্ন নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক প্রোগ্রাম ও গবেষণাগার অনুসরণ করে এটি তৈরি করেছি। কোন কোন ডিপার্টমেন্ট হবে, সায়েন্স ফ্যাকাল্টি, আর্টস ফ্যাকাল্টি, বিজনেস ফ্যাকাল্টি, ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টি, বায়োলজিক্যাল সাইন্স, স্যোসাল সায়েন্স-এ। কোন কোন ইনস্টিটিউট, সেন্টার, ইন্টার ডিসিপ্লিনারি রিসার্চ সেন্টার হবে, কোনো কোনো অফিস থাকবে, কী কী জনবল থাকবে সবই এই অর্গানোগ্রামে বিস্তারিত বলা আছে।


এই অর্গানোগ্রাম অনুমোদনের জন্য সিন্ডিকেটে, ইউজিসি হয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় পর্যন্ত যাবে। এটা আমি মিটিংয়ের আগে প্রস্তুত করে রেখেছি। এটাকে অ্যাকাডেমিক মাস্টার প্ল্যান বলতে পারেন। এখানে যেটা আছে আগামী ১০ বছরে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ টি ফ্যাকাল্টি, ৪০টি বিভাগ, ৫ টি ইনস্টিটিউট, ৩ টি সেন্টার, এবং ৮ টা ইন্টার-ডিসিপ্লিনারি রিসার্চ সেন্টার থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্বমানের ল্যাব আমি তৈরি করবো। আগামী ১০ বছরে এগুলো হবে। এ সময়ে শিক্ষক থাকবে ১ হাজার। কর্মকর্তা–কর্মচারী মিলে প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার থাকবে।


বিবার্তা : বর্তমানে কয়টি বিভাগ খোলার অনুমোদন পেয়েছেন এবং এটা কবে নাগাদ শুরু হবে?


ড. জেড এম পারভেজ সাজ্জাদ : ইতোমধ্যে ইউজিসি থেকে চারটি বিভাগ খোলার অনুমোদন আমরা পেয়েছি। এগুলো হলো কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ম্যাথমেটিকস, ইংলিশ অ্যান্ড অ্যাকাউন্টিং। এ চারটি বিভাগ দিয়ে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে।


আমার প্রথম অ্যাকাডেমিক সেশন হচ্ছে ২০২১-২২। এখন যে ভর্তি প্রক্রিয়া চলছে সেটা কিন্তু আমাদের নিয়োগ হওয়ার আগেই শুরু হয়েছে। এটার ডিউ ছিল জানুয়ারিতে ২০২১ এ। করোনার জন্য এটা এ পর্যন্ত আসছে। তাই এই গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় আমরা যেতে পারিনি। এবারের ভর্তি প্রক্রিয়ার শুরুর অনেক পরে আমরা নিয়োগ পেয়েছি। আমাদের এখানে অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম শুরু হবে চলতি বছর, অর্থাৎ এই ডিসেম্বরে যারা এইচএসসি পরীক্ষা দিবে তাদের নিয়ে। আমরা আশা করছি, আগামী জুন থেকে এটা শুরু হবে। চারটি বিভাগের প্রত্যেকটিতে শিক্ষার্থী থাকবে ৩০ জন করে।


বিবার্তা : কনস্ট্রাকশনের কাজ কবে শুরু করার পরিকল্পনা আছে?


ড. জেড এম পারভেজ সাজ্জাদ : ইতোমধ্যে আমাদের কনস্ট্রাকশন রিলেটেড কাজগুলো করার জন্য মাস্টার প্ল্যান ও ডিপিপি তৈরির পরিকল্পনা চলছে। এটার জন্য আমরা প্ল্যান করে ফেলেছি। তারপরেও এগুলো পাস হতে তো একটু সময় লাগবে। আগামী ২০২২ এর মাঝামাঝি অথবা শেষ কোয়াটারে দিকে কনস্ট্রাকশনের কাজ শুরু করার পরিকল্পনা আছে।


বিবার্তা : এ বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আপনার স্বপ্ন কী ?


ড. জেড এম পারভেজ সাজ্জাদ : আমি আগামী ৩০ বছরের মধ্যে বিশ্বের শীর্ষ ২০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে এটাকে দেখতে চাই। সেই লক্ষ্যে কাজ করা। আমার আরেকটা প্ল্যান হচ্ছে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়ের আদলে ল্যাপ স্থাপন করা। আমি বিশ্ববিদ্যালয়কে সত্যিকারের একটি বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চাই। বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা, জ্ঞান সৃষ্টি এবং জ্ঞান বিতরণ এই কাজ গুলি সমান তালে চলবে। বিশ্বের উন্নত অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলা। বিদেশী প্রফেসররা আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে না থাকলেও আমরা এটার প্রস্তাব রেখেছি। বাহিরে আমরা সত্যিকারের বিশ্ববিদ্যালয়ের যে চেহারা দেখেছি, সেই চেহারা এখানে বাস্তবায়ন করার প্রস্তাবনা দিয়েছি। আশাকরি, এইসব যদি অনুমোদন হয় তাহলে পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করা যাবে।


বিবার্তা: বিবার্তাকে সময় দেয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।


ড. জেড এম পারভেজ সাজ্জাদ : আপনাকেও ধন্যবাদ।


বিবার্তা/রাসেল/কেআর/এমও

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com