
ভেনেজুয়েলায় সম্প্রতি আঘাত হানা শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ৬ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। একইসঙ্গে এ দুর্যোগে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন আরও অর্ধলক্ষাধিক মানুষ। এদিকে ভূমিকম্প-পরবর্তী উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে সরকারের সমালোচনাও বাড়ছে।
সংবাদমাধ্যম বলছে, এ ঘোষণা এমন সময়ে এলো, যখন ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের নেতৃত্বাধীন ভেনেজুয়েলা সরকার প্রাণঘাতী এ ভূমিকম্পের পর পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যর্থতার অভিযোগে ক্রমবর্ধমান সমালোচনার মুখে রয়েছে।
ভূমিকম্পের পর নিখোঁজ স্বজন ও বন্ধুদের খুঁজতে থাকা ভেনেজুয়েলানরা অভিযোগ করেছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় সরকার ও সামরিক বাহিনী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে।
গত ২৪ জুন ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে উপকূলীয় লা গুয়াইরা প্রদেশ এবং রাজধানী কারাকাস সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
হোর্হে রদ্রিগেজ জানান, ভূমিকম্পে সৃষ্ট ধ্বংসস্তূপের ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ ইতোমধ্যে সরানো হয়েছে। তবে দেশটির পুনরুদ্ধার কার্যক্রম কীভাবে এগোবে, তা নিয়ে এখনও নানা প্রশ্ন রয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পে ভেনেজুয়েলার অবকাঠামোগত ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২ হাজার কোটি মার্কিন ডলার। ভূমিকম্পের পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিলেও সেই অর্থ কোথা থেকে আসবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে সামরিক অভিযানের মাধ্যমে সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার ওপর ব্যাপক প্রভাব বজায় রেখেছে। মাদুরোর শাসনামলে আরোপ করা যুক্তরাষ্ট্রের কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাও এখনও বহাল রয়েছে।
মানবাধিকার ও নীতিবিষয়ক বিভিন্ন সংগঠন বলছে, ভেনেজুয়েলায় আন্তর্জাতিক অর্থায়ন সহজ করতে অবশিষ্ট নিষেধাজ্ঞাগুলো শিথিল বা প্রত্যাহার করা উচিত।
বিবার্তা/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]