বাড়তি দামেও সংকট কাটেনি সয়াবিন তেলের, শাক-সবজি, মাছ ও মাংসের বাজারও চড়া
প্রকাশ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:২০
বাড়তি দামেও সংকট কাটেনি সয়াবিন তেলের, শাক-সবজি, মাছ ও মাংসের বাজারও চড়া
বিবার্তা প্রতিবেদক
প্রিন্ট অঅ-অ+

নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন ও বিশ্ববাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারণে বোতলজাত তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা বাড়িয়েছে সরকার। দাম বাড়লেও এখনও বাজারে বোতলজাত তেলের সরবরাহ সংকট কাটেনি। সেই সঙ্গে পুরনো দামের তেলই নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে রাজধানীর বাজারে। অপর দিকে বাজারে শাক-সবজি, চাল, মাছ ও মাংসের বাড়তি দাম এখন সাধারণ মানুষের সহনীয়তার বাইরে চলে গিয়ে সয়ে যাওয়ার মতো অবস্থায় পৌঁছেছে। গত দুই সপ্তাহ বা তার বেশি সময় ধরে রাজধানীর অধিকাংশ বাজারে এসব নিত্যপণ্য চড়া দামেই বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে।


শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর বাজারগুলোতে সরকার নির্ধারিত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৫ টাকা বাড়ানোর পরও রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে নির্ধারিত দামের চেয়েও বেশি দামে তেল বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে।


অপরদিকে কাঁচাবাজারে ৫০ টাকার নিচে শুধুমাত্র পেঁপেই মিলছে। অন্যসব সবজি মানভেদে লাউ ধরনভেদে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, প্রতিকেজি পটল ৬০ টাকা, পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, চালকুমড়া ৫০ টাকা, আকার ও ধরনভেদে বেগুন ১০০, ১২০ ও ১৪০ টাকা, দেশি শসা ৮০ টাকা, হাইব্রিড শসা ৫০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ঢেঁড়শ ৮০ টাকা, কচুর মুখি ৭০ টাকা, কাঁকরোল ৬০ টাকা, বরবটি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, ক্যাপসিকাম ৩০০ টাকা, ধুন্দুল ৮০ টাকা, ঝিঙা ৬০ টাকা, গাজর ১৪০ টাকা, মুলা ৬০ টাকা, টমেটো ১২০ টাকা, ছোট আকারের ফুলকপি (৩০০-৪০০ গ্রাম) ১০০ টাকা ও মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।


বাজারে লাল শাক আঁটি ১৫ থেকে ২০ টাকা, কলমি শাক ১৫ টাকা, পুঁই শাক ৩০ টাকা, লাউ শাক ৩০ টাকা ও পালং শাক ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।


এসব বাজারে গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২৫০ থেকে ১ হাজার ২৮০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।


বাজারগুলো ঘুরে দেখা গেছে, ব্রয়লার প্রতিকেজি ২০০ টাকা, লেয়ার ৩৬০ টাকা ও সোনালি কক মুরগি ৩৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।


বাজারগুলোতে এক কেজি বা তার বেশি ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকা।


মাঝারি আকারের প্রতিকেজি ইলিশ ১ হাজার ৫০০ টাকা ও ছোট ইলিশ ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এসব বাজারে প্রতিকেজি রুই ও কাতল (আকারভেদে) ৩৬০ থেকে ৪০০ টাকা, গ্রাস কার্প ৩০০ টাকা, সিলভার কার্প ২২০ থেকে ৩০০ টাকা, পাঙ্গাশ ২২০ থেকে ২৫০ টাকা, পোয়া ৫০০ টাকা, পাবদা ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, টেংরা ৭০০ টাকা, বাইম ৮০০ টাকা, বেলে ৯০০ টাকা, ছোট চিংড়ি ৯০০ টাকা, বড় চিংড়ি ১ হাজার ৫০০ টাকা, বোয়াল ৮০০ টাকা দামে কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।


বাজারগুলোতে প্রতিকেজি পেঁয়াজ ৫০ টাকা, রসুন ১২০ টাকা, আদা ১৮০ টাকা ও আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।


এসব বাজারে মিনিকেট (মোজাম্মেল) ৮৫ টাকা, মিনিকেট (রশিদ ও ফ্রেশ) ৮০ টাকা, আটাশ ৫৫ টাকা, পাইজাম ৬০ টাকা ও মোটা চাল (গুটি-স্বর্ণা) ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।


বাজারগুলোতে দাম বাড়ার ঘোষণায় সয়াবিন তেল বাজার থেকে কমে গেছে। রাজধানীর অধিকাংশ দোকানে এটি পাওয়া যাচ্ছে না। না পাওয়ার কারণ জানতে চাইলে একাধিক দোকানদার জানান, কোম্পানি তেল দিচ্ছে না। যেখানে পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে আগের দামেই ২০০ টাকা লিটার দরে সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে। তবে সুপারশপগুলোতে সয়াবিন পাওয়া যাচ্ছে। পাম অয়েল প্রতিলিটার ১৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে নিম্ন আয়ের মানুষের সংসারে নতুন করে বাড়ছে ব্যয়ের চাপ।


বিবার্তা/এমবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)

১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected] ​, [email protected]

© 2026 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com