দেশে উল্লেখযোগ্য হারে অপরাধ কমেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫:০৪
দেশে উল্লেখযোগ্য হারে অপরাধ কমেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বিবার্তা প্রতিবেদক
প্রিন্ট অঅ-অ+

দেশে খুন, অপহরণ, ধর্ষণ, অস্ত্র মামলা ও নারী নির্যাতনের মতো প্রধান অপরাধের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।


বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে সাদপন্থীদের সঙ্গে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ক্রমান্বয়ে উন্নতি হচ্ছে। ২০২৫ সালের তুলনায় বর্তমানে খুন, অপহরণ, ধর্ষণ, অস্ত্র মামলা ও নারী নির্যাতনের মতো প্রধান অপরাধের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।


তিনি বলেন, সমস্ত ব্যারোমিটার বা সূচক অনুযায়ী দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। যদিও জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী শতভাগ উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আরও কিছু সময়ের প্রয়োজন, তবে বর্তমান সার্বিক চিত্রে সরকার সন্তুষ্ট।


প্রতিটি জেলা থেকে সংগৃহীত তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোনো তথ্যের ভুল বা বিভ্রান্তি থাকলে পুলিশ সদর দপ্তরের রেকর্ড যাচাই করে তা সংশোধন করা হবে। একইসঙ্গে পুলিশ বাহিনীকে পুরোপুরি সক্রিয় করার কাজও চলমান রয়েছে।


ছিনতাই ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপ
সম্প্রতি ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ছিনতাই প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর ও দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে।


সম্প্রতি ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে এক শিক্ষিকার মৃত্যুর ঘটনার উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ওই ঘটনায় পুলিশ দ্রুত তৎপরতা দেখিয়েছে। ঘটনার মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে মূল আসামিকে গ্রেপ্তার এবং ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। পরে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালিয়ে আরও কয়েকজন আসামিকে গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত মালামাল জব্দ করেছে।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন কঠোর ও তাৎক্ষণিক অভিযানের কারণে দেশজুড়ে ছিনতাইয়ের প্রবণতা কমছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ আরও কমবে।


পুলিশ বাহিনীর ভেতরে থেকে যারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে অসহযোগিতা করছেন বা গোপনে সরকারের কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করছেন, তাদের চিহ্নিত করতে বিশেষ তদারকি চলছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।


তিনি বলেন, প্রতিটি বাহিনীতেই নিজস্ব ‘ইন্টারনাল ইন্টেলিজেন্স’ বা অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা নজরদারি ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে। অসহযোগিতাকারী কর্মকর্তাদের শনাক্ত করার কাজ চলছে। একইসঙ্গে সাধারণ জনগণের কাছেও এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য থাকলে তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।


বিবার্তা/এমবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)

১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected] ​, [email protected]

© 2026 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com