টেকসই উন্নয়নে বৈশ্বিক স্বীকৃতি র‌্যাংকিংয়ে শেকৃবি
প্রকাশ : ২৫ জুন ২০২৬, ২৩:০০
টেকসই উন্নয়নে বৈশ্বিক স্বীকৃতি র‌্যাংকিংয়ে শেকৃবি
শেকৃবি প্রতিনিধি
প্রিন্ট অ-অ+

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত টাইমস হায়ার এডুকেশন টেকসই উন্নয়ন প্রভাব মূল্যায়ন ২০২৬-এ স্থান অর্জন করেছে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি)। প্রকাশিত বৈশ্বিক এ মূল্যায়নে বিশ্ববিদ্যালয়টি ১০০১–১৫০০ ব্যান্ডে অবস্থান করেছে।


গত ২৪ জুন প্রকাশিত এ মূল্যায়নে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে অবদান, গবেষণা, শিক্ষা কার্যক্রম, নীতিমালা এবং সামাজিক সম্পৃক্ততার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়।


টাইমস হায়ার এডুকেশনের টেকসই উন্নয়ন প্রভাব মূল্যায়ন বিশ্বের একমাত্র বৈশ্বিক মূল্যায়ন ব্যবস্থা, যা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে অবদান, গবেষণা, শিক্ষা, প্রাতিষ্ঠানিক নীতি এবং সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কার্যক্রম পরিমাপ করে।


২০২৬ সালের এ মূল্যায়নে বিশ্বের ১১৬টি দেশ ও অঞ্চলের ১ হাজার ৬৪৬টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশগ্রহণ করে। এতে ১৭টি পৃথক টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা সূচক এবং একটি সামগ্রিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান নির্ধারণ করা হয়।


এ বছর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বিশেষভাবে তিনটি সূচকে মূল্যায়িত হয়েছে। এর মধ্যে ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গঠন সূচকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কোর ৫৪ দশমিক ৪ থেকে ৬২ দশমিক ৭, শোভন কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সূচকে ৭ দশমিক ৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৫ এবং সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ সূচকে ১ দশমিক ০ থেকে ৩৩ দশমিক ৪।


বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ অর্জনকে শিক্ষা, গবেষণা, কৃষি উদ্ভাবন, খাদ্য নিরাপত্তা, টেকসই কৃষি উন্নয়ন এবং সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কর্মকাণ্ডের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচনা করছে।


শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. বেলাল হোসেন বলেন, “টেকসই উন্নয়ন প্রভাব মূল্যায়ন ২০২৬-এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্তি ও অবস্থান আমাদের জন্য অত্যন্ত গৌরবের। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে অবদান রাখার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান প্রচেষ্টার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এটি। ভবিষ্যতে আরও উন্নত অবস্থান অর্জনের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করে যাবে।”


শেকৃবির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. জামিলুর রহমান বলেন, “শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এ বছরই প্রথম এ বৈশ্বিক মূল্যায়নে অংশগ্রহণ করে এই সাফল্য অর্জন করেছে। ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয় আরও বড় সাফল্য অর্জন করবে বলে আমরা আশাবাদী।”


বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, শিক্ষক, গবেষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। এ স্বীকৃতি ভবিষ্যতে টেকসই কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা এবং গবেষণাভিত্তিক উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করবে।


বিবার্তা/ফাহিম/এমবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)

১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2026 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com