
রাজধানীর সড়ক থেকে যুবকের কাটা হাত-পা উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টা পর সন্দেহভাজন এক যুবককে আটকের তথ্য দিয়েছে পুলিশ।
শাহীন আলম নামে ২১ বছর বয়সী ওই যুবক ‘ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে’ রুমমেটকে হত্যার পর লাশ টুকরো করে ফেলে দিয়েছিল বলে ভাষ্য পুলিশের।
মতিঝিল জোনের সহকারী কমিশনার হুসাইন মুহাম্মাদ ফারাবী বলেন, শনিবার দুপুরে সিসিটিভি ভিডিও দেখে শনাক্ত করে তাকে আটক করা হয়।
আটক শাহীন আলম মতিঝিলের হীরাঝিল হোটেলের কর্মচারী।
গ্রেপ্তার শাহীন ও নিহত ওবায়দুল্লাহ মতিঝিলের কবি জসীম উদ্দিন রোডের একটি ফ্ল্যাটে থাকতেন।
রাতে পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেন, ওবায়দুল্লাহর লাশের বাকি অংশ উদ্ধারে তারা কাজ করছেন।
শুক্রবার রাতে পল্টনে আনন্দ কমিউনিটি সেন্টারের সামনে থেকে একটি কাটা পা উদ্ধার করে পুলিশ। শনিবার সকালে বায়তুল মোকাররমের সামনে থেকে দুটি হাত ও পরে কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে আরেকটি পা উদ্ধার করা হয়।
এর মধ্যে হাতের আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে পুলিশ জানতে পারে, দেহের খণ্ডিত অংশগুলো ৩০ বছর বয়সী ওবায়দুল্লাহ নামের এক ব্যক্তির। তার বাড়ি নরসিংদীর শিবপুরে। তিনি একটি হোমিও প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশের তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, স্কাউট ভবনের সামনের একটি সিসিটিভি ভিডিওতে সাইকেলে চড়ে এসে এক ব্যক্তিকে কালো পলিথিনে কিছু একটা ফেলে চলে যেতে দেখা যায়। পরে ওই ভিডিও বিশ্লেষণ করে শাহীনকে শনাক্ত করে আটক করা হয়।
আটক শাহীন আলমকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের তরফে এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, নিহত ওবায়দুল্লাহ শাহীন এবং পরিবার নিয়েও নানাভাবে কটূক্তিমুলক কথা বলতো। সে কারণে ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে শুক্রবার রাতে ওবায়দুল্লাহকে শ্বাসরোধে হত্যা করে শাহীন। পরে লাশ গুম করতে খণ্ডবিখণ্ড করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেয়।
শাহীনের কাছ থেকে লাশ টুকরো করতে ব্যবহৃত চাপাতিটি জব্দ করা হয়েছে।
বিবার্তা/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]