
লক্ষ্মীপুরে প্রতিপক্ষের মারধরে টেইলার্স ব্যবসায়ী হোসেন আহমেদের (৫০) মৃত্যু হয়েছে।
রবিবার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের কাজিরদিঘির পাড় বাজারে এ ঘটনা ঘটে। ১০ মিনিটের কথা বলে মোটরসাইল নিয়ে তা ফেরত দিতে তালবাহানা করার জের ধরে এ ঘটনা ঘটনা।
নিহত হোসেন উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের হামছাদী গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ির মৃত সুলতান আহম্মদের ছেলে। তিনি পেশায় টেইলার্স ব্যবসায়ী। মারধরে নিহতের ছেলে সাইফুল ইসলাম আহত হয়েছে। তাকে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
স্থানীয়রা জানায়, ১০ মিনিটের কথা বলে সাইফুলের মোটরসাইকেল একই বাড়ির শাকিল নেয়। ১৯ সেপ্টেম্বর মোটরসাইকেল নিলেও তা ফেরত দিতে তালবাজনা করেন। এরজের ধরে শাকিল ও বিপ্লব মারধরে শাকিলের বাবার মৃত্যু হয়।
জানা গেছে, মৃত হোসেন আগে থেকেই হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন।
ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, সাইফুল শাকিলের কাছ থেকে মোটরসাইকেলটি ফেরত চায়। কিন্তু সে তালবাহানা করে। এ নিয়ে দুই পক্ষের লোকজন নিয়ে কাজিরদিঘিরপাড় বাজারে আমার দোকানে বৈঠকের কথা ছিল। কিন্তু শাকিল বৈঠকে বসতে রাজি না হলে মোটরসাইকেলের মালিক সাইফুল ও তার বাবা হোসেনের সাথে কথা-কাটাকাটি হয়৷ সাইফুল ও বিপ্লব মিলে হোসেনকে মারধর করে। এতে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। আমরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাবার পথে মারা যায়।
হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম বলেন, গত ১৯ অক্টোবর ১০ মিনিটের কথা বলে আমার কাছ থেকে গাড়ি নিয়ে যায় শাকিল। এরপর গাড়ি ফেরত না দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার কথা বলি। গতকাল শনিবার গাড়ি ফেরত দেওয়ার কথা বলে আমাদের বসতে ডাকে। পরে আমি, আমার বাবা ও মেজো ভাই গাড়ি আনতে গেলে শাকিল আমার বাবার বুকে ও নাকে আঘাত করে। এতে আমার বাবার মৃত্যু হয় এবং আমিও আহত হই। আমার বাবার হত্যার বিচার চাই।
সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) অরুপ পাল বলেন,মৃত অবস্থায় এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। তার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, মোটরসাইকেলকে কেন্দ্র করে মারধরে একজনের মৃত্যু হয়। অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে।
বিবার্তা/সুমন/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]