মেঘনায় লঞ্চ থেকে পড়ে নিখোঁজ রবিনের মরদেহ ২৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার
প্রকাশ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০২
মেঘনায় লঞ্চ থেকে পড়ে নিখোঁজ রবিনের মরদেহ ২৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার
চাঁদপুর প্রতিনিধি
প্রিন্ট অঅ-অ+

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল লঞ্চঘাটে লঞ্চ থেকে মেঘনা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়া মো. রবিনের (৩৬) মরদেহ ২৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার ষাটনল লঞ্চঘাটের পাশের নদী থেকে বিআইডব্লিউটিএ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তার মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহ উদ্ধারের পর তা বেলতলী নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে নেয়া হয়।


রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


রবিন শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার প্রেমতলা গ্রামের হায়দার আলীর ছেলে। তিনি নারায়ণগঞ্জে মা-বাবার সঙ্গে বসবাস করতেন। সেখানে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন তিনি। প্রায় দুই মাস আগে তার চাকরি চলে যায়। রবিনের শ্বশুরবাড়ি মতলব উত্তর উপজেলার বাগানবাড়ী ইউনিয়নের নবীপুর গ্রামের মোল্লাবাড়ি এলাকায়। তার স্ত্রী নাসরিন আক্তারের সঙ্গে তাদের সাড়ে চার বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।


প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে পুলিশ জানায়, শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে নারায়ণগঞ্জ থেকে চাঁদপুরগামী ‘মুকবিল-২’ লঞ্চটি ষাটনল লঞ্চঘাটে যাত্রী নামাচ্ছিল। এ সময় লঞ্চ থেকে নেমে যাওয়ার পর নিজের ব্যাগ লঞ্চে রেখে যাওয়ার কথা মনে পড়ে রবিন আবার লঞ্চে ওঠেন।


পরে লঞ্চ থেকে নামার সময় সেটি পেছনের দিকে চালিয়ে দেয়া হয়। তখন ঘাটে লাফ দিয়ে নামার চেষ্টা করলে রবিন ভারসাম্য হারিয়ে মেঘনা নদীতে পড়ে যান। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।


ঘটনার পর ‘মুকবিল-২’ লঞ্চটি দ্রুত মোহনপুর লঞ্চঘাটের দিকে চলে যায়। পরে মোহনপুর নৌ-পুলিশ লঞ্চটি আটক করে। লঞ্চটির মাস্টার মতলব উত্তর উপজেলার তাতুয়া গ্রামের মনির হোসেন (৫০) ও গ্রিজার দাউদকান্দির বালিয়াধন গ্রামের মো. সুমন মিয়াকে (২৭) গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের চাঁদপুর আদালতে পাঠানো হয়।


বিবার্তা/এমবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)

১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected] ​, [email protected]

© 2026 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com