
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে প্রকল্পের টাকা ও এক জেলের নামের চাল আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের এ ঘটনা দুটির বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে ডাকযোগে পৃথক দুটি লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে জিলবুনিয়া গ্রামের মো. ছত্তার খান এ অভিযোগে করেছেন।
অভিযোগে তিনি বলেন, আমি একজন পেশাজীবী জেলে। আমার নামে বরাদ্দ থাকা চাল আমাকে না দিয়ে তা সংশ্লিষ্টরা আত্মসাৎ করেছেন। অথচ মাষ্টাররোলে আমার নাম লেখা রয়েছে।
অপর এক অভিযোগে একই গ্রামের আল-আমীন শেখ বলেছেন, টিআর প্রকল্পের আওতায় রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদ মাঠ ভরাট ও পরিষদের আসবাবপত্র ক্রয়ের জন্য ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ২ লাখ ৭০ হাজার টাকার কাজ দায় সারাভাবে করা হয়েছে। প্রকল্পের সাইনবোর্ডও ঝুলানো হয়নি। এমনকি মানসম্মত মালামাল ক্রয় না করে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে। তদারকি না হওয়ায় অনিয়ম ও দুর্নীতির সৃষ্টি হয়েছে। তিনি জনস্বার্থে এবং সরকারি অর্থের স্বার্থে সরেজমিনে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কমনা করছেন। পাশাপাশি দায়ী ব্যক্তিদের অনিয়ম প্রমানিত হলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানান।
এসব বিষয়ে পরিষদের মেম্বর ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মো. সোহেল রানা কামাল বলেন, দুটি অভিযোগের একটিও সত্য নয়। ছত্তার খানের নামে এবার চাল বরাদ্দ ছিলোনা তাই সে পায়নি।
প্রকল্পের কাজে অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, যথযথভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে। অনিয়ম বা দুর্ণীতির অভিযোগ ভিত্তিহীন।
রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা কেএম জুলফিকার আলী হায়দার বলেন, প্রকল্পের একজন সদস্য ছিলেন আল আমিন শেখ। আমি যতটুকু শুনেছি একজন সদস্যর স্বাক্ষরও জাল করা হয়েছে। সেসব বিষয়ে অভিযোগের করার বিষয়টি শুনেছি।
এ বিষয়ে মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাবিবুল্লাহ বলেছেন, ডাকযোগে এ সংক্রান্তে কোন অভিযোগ এসেছে কিনা তা দেখে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিবার্তা/রাজীব/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]