দেড় বছর পর রাজপথে আশুগঞ্জ সার কারখানা শ্রমিকরা
দাবির পক্ষে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপি
প্রকাশ : ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১৭:০৮
দেড় বছর পর রাজপথে আশুগঞ্জ সার কারখানা শ্রমিকরা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
প্রিন্ট অঅ-অ+

গ্যাস সংকটে দেড় বছর ধরে বন্ধ থাকা আশুগঞ্জ সার কারখানা দ্রুত চালুর দাবিতে রাজপথে নেমেছেন শ্রমিক-কর্মচারীরা।


সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় আশুগঞ্জ গোলচত্বর এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে মানবন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা।


শ্রমিকদের এ কর্মসূচিতে একাত্মতা জানিয়ে অংশ নেন আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শীর্ষ নেতারা।


আশুগঞ্জ সার কারখানা শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের ব্যানারে আয়োজিত এ মানবন্ধনে বক্তারা প্রধানত ৩টি দাবি তুলে ধরেন, দ্রুত গ্যাস সরবরাহ করে উৎপাদন চালু করা, কারখানার আধুনিকায়ন করা, কারখানার পূর্বনাম ‘জিয়া সার কারখানা’ পুনর্বহাল করা।


আশুগঞ্জ সার কারখানা শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি বজলুর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, কারখানার উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) তাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. আবু কাউসার ও সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর রহমান।


বক্তারা বলেন, ২০১০ সালের পর থেকে একটি কুচক্রি মহল দেশীয় সার কারখানা বন্ধ রেখে সার আমদানি বাণিজ্যে লিপ্ত হয়েছে। এর ফলে দেশীয় শিল্প যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তেমনি কৃষকরা ন্যায্য দামে সার পাচ্ছে না। গত বছরের ১ মার্চ থেকে আশুগঞ্জ সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকায় হাজারো শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছেন এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।


রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে বক্তব্য দেন আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নোয়াব আলী মুন্সি, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির শাহজাহান ভূঁইয়া ও এনসিপি নেত্রী জয়ন্তি বিশ্বাস।


তারা বলেন, "দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষির স্বার্থে আশুগঞ্জ সার কারখানা চালু করা এখন সময়ের দাবি। সরকারকে অবিলম্বে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করে কারখানাটি সচল করতে হবে।"


মানববন্ধন শেষে শ্রমিকরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল করেন। এসময় তারা "গ্যাস দাও, কারখানা চালাও", "জিয়া সার কারখানার নাম ফিরিয়ে দাও" স্লোগান দেন। প্রায় ৩০ মিনিট মহাসড়কে অবস্থানের কারণে যান চলাচল কিছুটা বিঘ্নিত হয়।


কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলে দ্রুত উৎপাদনে যাওয়া হবে।


এদিকে কারখানা বন্ধ থাকায় সারের দাম বাড়ার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন স্থানীয় কৃষকরা। তারা দ্রুত সমস্যার সমাধান চান।


বিবার্তা/নিয়ামুল/এমবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)

১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected] ​, [email protected]

© 2026 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com