কৃষকের কাছে চাঁদা না পেয়ে ফসল বিনষ্ট, বাড়িতে হামলা চালিয়ে হুমকি
প্রকাশ : ২১ আগস্ট ২০২৬, ০১:৫৬
কৃষকের কাছে চাঁদা না পেয়ে ফসল বিনষ্ট, বাড়িতে হামলা চালিয়ে হুমকি
গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
প্রিন্ট অঅ-অ+

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের বাজুনিয়াপাড়া এলাকায় এক অসহায় কৃষকের কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে জমিতে লাগানো পটলের গাছ কর্তন , রোপণকৃত ধানের চারা বিনষ্ট ও বসতবাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। শুধু এসব করেই ক্ষ্যান্ত হয়নি তারা, এ ঘটনায় থানায় এজাহার দেওয়ায় প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন ভুক্তভোগী ধীরেন্দ্র নাথ সরকার ও তার পরিবারের সদস্যরা।


এ ঘটনায় বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে ধীরেন্দ্র নাথ সরকার থানায় এজাহার দায়ের করেন।


অভিযুক্তরা হলেন- উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের বাজুনিয়াপাড়া এলাকার মৃত আলা বকস্ খন্দকারের ছেলে আব্দুল বাকী খন্দকার ও তার ছেলে হাসানুল খন্দকার, মৃত কাসেম মন্ডলের ছেলে শফি মন্ডল ও শাহিন মন্ডলসহ অজ্ঞাত ১০/১২ জন।


স্থানীয়রা জানান, ধীরেন্দ্র নাথ সরকারের সঙ্গে একই এলাকার আব্দুল বাকী খন্দকারের ৩০ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে সমাধান না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে মামলা চলমান রয়েছে।


এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ আগস্ট গভীর রাতে আব্দুল বাকী খন্দকারের নেতৃত্বে ১০-১২ জন ব্যক্তি লাঠি, ছোরা, হাসুয়াসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ধীরেন্দ্র নাথের পটলের জমিতে প্রবেশ করেন। সেখানে তারা পটল গাছ কেটে এবং বাঁশের জাংলা ভেঙে দুই লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করে।


পরে ১৭ আগস্ট ভোরে তারা ধীরেন্দ্র নাথের বসতবাড়িতে গিয়ে টিনের বেড়া ও দরজায় আঘাত করে ভাঙচুর করেন এবং তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। শেষে বাড়ির দেওয়ালে ২ লাখ টাকা চাঁদা না দিলে স্বপরিবারে দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যাওয়ার কথা লিখে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।


ধীরেন্দ্র নাথ সরকার জানান, তিনি সকালে পটল ক্ষেতে গিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখতে পান। স্থানীয় কয়েকজনের মাধ্যমে তাঁর জমির বাঁশের খুঁটি ও পটল গাছের জাংলা প্রতিপক্ষের একজনের বাড়ির উঠানে পড়ে থাকার খবর পান। একই দিন ভোরে ১৬ শতক জমিতে রোপণকৃত গুটি স্বর্ণা জাতের ধানের চারা উপড়ে ফেলে প্রায় ২০ হাজার টাকার ক্ষতি করা হয়েছে বলে দাবি করেন ধীরেন্দ্র নাথ।


গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, এজাহার পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


বিবার্তা/নুর আলম/এমবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)

১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected] ​, [email protected]

© 2026 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com