
বর্ষা মৌসুম এলেই নড়াইলের নড়াগাতী থানার ইসলামপুর গ্রামে শুরু হয় ভিটেমাটি হারানোর খেলা। নবগঙ্গা নদীর পানি বৃদ্বি পাওয়ার সাথে সাথে শুরু হয় পাড়ের মানুষের আতঙ্ক। গত এক দশকে নদী ভাঙনে ইতিমধ্যে বিলীন হয়েছে কয়েকটি গ্রাম,হারিয়েছে বসতভিটা,ফসলি জমি, রাস্তা,বেড়িবাধসহ বির্স্তীন এলাকা। স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ না হওয়ায় শতাধিক পরিবার চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকলে সরজমিনে দেখা গেছে, ইসলামপুর গ্রামের পূর্বপাড়ে গত দশ বছর ধরে একাধারে নদী ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। অসহায় ভিটাহারা এসব পরিবারের অনেকে সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পে, রাস্তার পার্শ্বে ঠাঁই নিয়েছে। অন্তত দুই কিলোমিটার ভাঙন কবলিত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে স্থায়ী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নিলে পুরো ইসলামপুর গ্রামের অস্তিত্ব মানচিত্র থেকে মুছে যাবে।
ইসলামপুর গ্রামের রোজিনা বেগম ও আমেনা বেগম বলেন,‘দুটি ঘর আগেই নদীতে চলে গেছে। এখন যে ঘরে থাকি,সেটিও ঝুঁকিতে রযেছে। রাতে ভাঙনের শব্দ শুনলেই ঘুম ভেঙে যায়। ছেলে মেয়েদের নিয়ে সব সময় আতঙ্কে থাকি।
আমির মোল্যা বলেন,‘নদী ভাঙনের কারণে আমার দুই চাচা পাঁচ বছর আগে এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন। এখন আমাদের বসতবাড়ি ও কবর স্থান ভাঙছে। স্থায়ী ব্যবস্থা না নিলে ইসলামপুরের অনেক পরিবার হারিয়ে যাবে।’
নড়াইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অভিজীৎ কুমার সাহা শনিবার (২৫জুলাই) সকালে বলেন,নবগঙ্গা নদী দীর্ঘদিন ধরেই ভাঙন প্রবণ। নদী ভাঙন প্রতিরোধে একটি প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে,অনুমোদন পেলেই কাজ শুরু হবে।
বিবার্তা/শরিফুল/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]