
বন অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় অঞ্চল, ঢাকার বন সংরক্ষক এ এস এম জহির উদ্দিন আকন বলেন, শেরপুরের ঐতিহ্য এখানকার গারো পাহাড়। কিন্তু এ গারো পাহাড়ে একটি সিন্ডিকেট থাবা বসিয়ে বালু ও পাথর উত্তোলন করছে। ছড়া, ঝরনা ও টিলা কেটে অবৈধভাবে বালু পাথর উত্তোলনে হুমকিতে পড়েছে জীববৈচিত্র্য। তাই কারবারিদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে শেরপুরের মধুটিলা ইকোপার্ক এলাকায় সেভ ওয়াইল্ডলাইফ এন্ড ন্যাচার (সোয়ান) এর উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, গারো পাহাড় রক্ষায় সচেতন নাগরিক সমাজ, বনবিভাগ, বিজিবি, পুলিশ, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এখানকার সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, সচেতন নাগরিক সমাজ, ইআরটি টিম মেম্বাররা এ ব্যাপারে খুবই আন্তরিক। আশা করছি, দ্রুতই এ সিন্ডিকেটের লাগাম টেনে ধরা হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের জেলা সভাপতি মো. নাঈম ইসলাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণী বিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এম. এ. আজিজ, শাইনের নির্বাহী পরিচালক মুগনিউর রহমান মনি, বন্যপ্রাণী অধিকারকর্মী কাঞ্চন মিস্টার মারাক, আরণ্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ড. আব্দুল মোতালেব, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিভাগের সুমন সরকার, বালিজুড়ি রেঞ্জের রেঞ্জ অফিসার সুমন মিয়া, বন বিভাগের রাংটিয়া রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক এসবি তানভীর আহমেদ ইমন, মধুটিলা ইকোপার্কের রেঞ্জ কর্মকর্তা দেওয়ান আলী, সোয়ানের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাঈম তালুকদার, বন্যপ্রাণী বিষয়ক সম্পাদক আকরাম আলী, এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের মধুটিলার সদস্যগণ।
এর আগে সকালে তিনি ময়মনসিংহ বন বিভাগের আয়োজনে হাতি সংরক্ষণ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন।
বিবার্তা/জাহিদুল/এসএম
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]