
পুষ্টি ঘাটতি পূরণে জিংকসমৃদ্ধ ব্রি ধান-১০২ এর আবাদ সম্প্রসারণ এবং কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে ঠাকুরগাঁওয়ে মাঠ দিবস ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। “জিংক ধানের ভাত খেলে, পুষ্টি মেধা উভয় মিলে” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে কৃষকদের জিংকসমৃদ্ধ ধানের উৎপাদন, পরিচর্যা ও পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতন করা হয়।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে নবগঠিত ভূল্লী উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের মাদারগঞ্জ এলাকায় ইয়াছিন মার্কেটের পেছনে এ মাঠ দিবসের আয়োজন করা হয়। এতে এলাকার শতাধিক কৃষক-কৃষাণী অংশগ্রহণ করেন।
মাঠ দিবসে কৃষকদের সামনে জিংকসমৃদ্ধ ব্রি ধান-১০২, ব্রি ধান-১০০ ও ব্রি ধান-৭৪ জাতের উৎপাদন সক্ষমতা, চাষাবাদ পদ্ধতি এবং পুষ্টিগুণ তুলে ধরা হয়। কৃষি বিশেষজ্ঞরা জানান, শিশু ও নারীদের শরীরে জিংকের ঘাটতি পূরণে এসব ধান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ইএসডিও’র কোঅর্ডিনেটর কৃষিবিদ মো. আশরাফুল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ইএসডিও’র নির্বাহী ও প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ড. মোহাম্মদ শহীদ উজ জামান, হারভেস্টপ্লাস বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার ওয়াহিদুল আমিন তপু, প্রোগ্রাম ম্যানেজার কৃষিবিদ মো. মজিবর রহমান, প্রজেক্ট ম্যানেজার কৃষিবিদ মো. শাহিনুল কবির, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা উত্তম কুমার বর্মণ, ইএসডিও’র প্রোগ্রাম অফিসার মিজানুর রহমান, মো. আবু তালহা (শিশির)সহ স্থানীয় শিক্ষক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
বক্তারা বলেন, শুধু খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করলেই হবে না, মানুষের জন্য পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য নিশ্চিত করাও জরুরি। এ লক্ষ্যেই বিজ্ঞানীরা জিংকসমৃদ্ধ ধানের নতুন নতুন জাত উদ্ভাবন করেছেন, যাতে সাধারণ মানুষ ভাতের মাধ্যমেই প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা পূরণ করতে পারে।
তারা আরও বলেন, মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, প্রদর্শনী ও মাঠ দিবসের আয়োজন করা হচ্ছে। পাশাপাশি জিংকসমৃদ্ধ ধানের আবাদ বৃদ্ধি এবং এসব ধানের চালের ভাত দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান বক্তারা।
বিবার্তা/বিধান/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]