নড়াইলে ২৮ মণের ‘বাহুবলী’র দাম চান ১০ লাখ
প্রকাশ : ১৪ মে ২০২৬, ১৬:৩১
নড়াইলে ২৮ মণের ‘বাহুবলী’র দাম চান ১০ লাখ
নড়াইল অফিস
প্রিন্ট অ-অ+

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নড়াইলের কালিয়া উপজেলার খড়রিয়া গ্রামে রিয়া অ্যাগ্রো ফার্মে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে প্রায় ২৮ মণ ওজনের ‘বাহুবলী’ নামে একটি ষাঁড়। তার দৈর্ঘ্য ১৪ ফুট ও উচ্চতা ৬ ফুট। সাদা কালো রঙের ষাঁড়টি জেলারসবচেয়ে বড় ষাঁড় বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফ্রিজিয়ান শাহীওয়াল জাতের ষাঁড়টি। দু’বছর আগে কুষ্টিয়া আলমডাঙ্গা থেকে ২০০ কেজি ওজনের ষাঁড়টি রিয়া অ্যাগ্রো ফার্মের মালিক রিপন মিনা কিনে আনেন। ষাড়টিকে ভালো বেসে নাম রেখেছে ‘বাহুবলী’ বাহুবলীর বয়স এখন চার বছর।


বুধবার (১৩ মে) বিকালে রিয়া অ্যাগ্রো ফার্মের মালিক রিপন মিনা বলেন, প্রাকৃতিক উপায়ে কোনো ধরনের কৃত্রিমমোটাতাজাকরণ না করে ঘাস, খৈল, ভুট্টার গুঁড়া ও চিটাগুড় খাইয়ে ধীরে ধীরে ষাঁড়টিকে বড় করেছেন। কৃত্রিম ভাবে মোটাতাজা করলে এবং অতিরিক্ত খাবার দিলে ষাঁড়টির ওজন আরো অনেক বেশি হতো। তবে তাতে শরীরে চর্বি বেড়ে যেত এবং ষাঁড়টি ঝিমিয়ে পড়ত। কিন্তু পরিমিত প্রাকৃতিক খাবার দেওয়ার কারণেই বাহুবলী সুঠাম দেহের অধিকারী।


ষাঁড়টিকে আমি সন্তানের মতো যত্নে লালন-পালন করেছি। তবে বাড়ি থেকেই বিক্রি করতে চাই। আমরা খুব বেশি লাভের কথা ভাবছি না। সুলভ মূল্য হিসেবেই ষাঁড়টির দাম ১০ লাখ টাকা চাচ্ছি।


ষাঁড়টির দেখা শোনার দায়িত্বে থাকা আহাদ মিয়া বলেন, বাহুবলী ষাঁড়টি খুবই শান্ত প্রকৃতির। তবে কোনো কারণে রেগে গেলে সামলাতে বেগ পেতে হয়। ঘর থেকে বের করতে গেলে ১০ থেকে ১২ জন লোকের প্রয়োজন হয়। তাকে যখন বের করা হয় তখন তাকে দেখতে স্থানীয় লোকজন ভিড় জমায়। বাহুবলী কে নিয়ম মেনে তিন বেলা খেতে দিতে হয়। খড়, কাঁচা ঘাস,ভুট্রা, চিড়াগুড়,খৈলসহ দেশীয় খাবার খাওয়ানো হয়। নিয়মিত শ্যাম্পু দিয়ে তাকে গোসল করানো হয়।


জেলা প্রাণী সম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছরকোরবানীর জন্য মোট ৪৫ হাজার ৪৯৭টি গবাদি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। তার মধ্যে ষাঁড় ১৪ হাজার ৮৭৪টি, বলদ ৬৩৯টি, গাভী ৫ হাজার ১৪১টি, ছাগল ২৪ হাজার ৭৮৮ এবং ভেড়া ৫৫টি। জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ৩৯ হাজার ৭৩৩টি। পশু চাহিদার তুলনায় উদ্বৃত্ত থাকছে ৫ হাজার ৭৬৪টি। যা জেলার চাহিদা পূরণ করে অন্য জেলায় বিক্রি করা হবে।


নড়াইল জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ রাশেদুল হকবৃহস্পতিবার (১৪মে) দুপুরে বলেন,খামারসহ গৃহস্থালি বাড়িতে যেসব গরু-ছাগল লালন-পালন করা হচ্ছে, প্রাণি সম্পদ বিভাগের লোকজন তা নিয়মিত মনিটরিং করে থাকেন। গবাদি পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাট গুলোতে ভেটেরিনারি মেডিকেল টিমের সদস্যরা কাজ করবে। কোরবানি ঈদ কে সামনে রেখে খামারিরা কম-বেশি লাভবান হবেন বলে তিনি আশাবাদী।


বিবার্তা/শরিফুল/এমবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)

১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2026 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com