
কালবৈশাখী ঝড়ে আমার একমাত্র বসত ঘর লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। এর পর থেকে অন্যের ঘর থাকছি। কিভাবে ঘর মেরামত করব; এটা ভেবে কয়েক রাত ধরে ঘুমাতে পারি না। আজ হঠাৎ করে এই ছেলেরা (স্বেচ্ছাসেবী) ঢেউ টিন নিয়ে হাজির। এখন অনেক উপকার হলো। এভাবেই কান্নাজড়িত কণ্ঠে একথাগুলো বলছিলেন শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার রামেরকুড়া গ্রামের আফরোজা (তুলে মাও) নামের এক বিধবা নারী।
রবিবার (১০ মে) দুপুরে তার বাড়িতে গিয়ে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন 'ভয়েস অব ঝিনাইগাতী'র সদস্যরা দুই বান্ডিল ঢেউটিন তুলে দেন।
শুধু আফরোজা বেগম নয়, গত ১৫ এপ্রিল (বুধবার) দিবাগত রাতে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে তার মত ক্ষতিগ্রস্ত আরও অসহায় ছয়টি পরিবারকে দুই বান্ডিল করে ঢেউটিন প্রদান করা হয়।
আমেরিকার নিউজার্সিতে একটি ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানির প্রধান গবেষক প্রবাসী বাংলাদেশি ড. জাফর ইকবালের আর্থিক সহায়তায় এ ঢেউটিন গুলো বিতরণ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন 'ভয়েস অব ঝিনাইগাতী'র প্রতিষ্ঠাতা ও ইউপি সদস্য সাংবাদিক মো. জাহিদুল হক মনির, সংগঠনের সহসভাপতি শিক্ষক মো. সোহেল রানা প্রমুখ।
উপকারভোগী মো. আব্দুল মালেক বলেন, ঝড়ে ঘরের টিন উড়ে যাওয়ার পর পরিবার নিয়ে খুব কষ্টে ছিলাম। এখন অন্তত ঘরটা আবার ঠিক করতে পারব। এখন অন্তত মাথা গোঁজার ঠাঁইটা ঠিক করতে পারবো। এজন্য আমরা কৃতজ্ঞ।
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন 'ভয়েস অব ঝিনাইগাতী'র প্রতিষ্ঠাতা ও ইউপি সদস্য সাংবাদিক মো. জাহিদুল হক মনির বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের মানবিক দায়িত্ব। প্রবাসী বাংলাদেশি ড. জাফর ইকবাল মহোদয়ের আর্থিক সহায়তায় এ ঢেউটিন দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও এলাকার মানুষের পাশে থাকবো ইনশাআল্লাহ।
বিবার্তা/মনির/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]