
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের স্থানীয় বাজারে ঈদুল আজহার আগে সপ্তাহের ব্যবধানে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম। কেজিতে ৫-১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দুটির দাম।
তবে বাজারে সরবরাহ কিছুটা কম থাকায় আদার দাম বেড়েছে। মূলত সরবরাহ বাড়ায় মসলাজাত এপণ্যে দুটির দাম কমেছে বলে জানান বিক্রেতারা। ঈদুল আজহার আগে দাম বাড়ার আর সম্ভাবনা নেই বলেও জানান তারা।
বুধবার (৬ মে) সকালে হিলি বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারের প্রতিটি দোকানে পেঁয়াজ ও রসুনের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। বাজারে মানভেদে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩৫ টাকা কেজি। যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল ৩৫-৪০ টাকা।
অন্যদিকে গত সপ্তাহে ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া রসুন এখন পাওয়া যাচ্ছে ৬০-৭০ টাকায়।
অন্য দিকে বাজারে আদার সরবরাহ কম থাকায় মানভেদে প্রতি কেজি আদা মান ভেদে ১৪০-১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বাজারে নতুন আদা এলে দাম কিছুটা কমা সম্ভাবনা রয়েছে।
হিলি বাজারের বিক্রেতা মঈনুল হোসেন জানান, পাবনার মুড়িকাটা পেঁয়াজের মৌসুম শেষ হওয়ায় মাঝে সরবরাহ কিছুটা কম ছিল। তবে এখন নতুন জাতের হালি পেঁয়াজ বাজারে আসায় দাম মণ প্রতি ২০০-৩০০ টাকা কমেছে। পাশাপাশি নতুন রসুন বাজারে আসায় এর দামও নিম্নমুখী।
অন্য দিকে আদার সরবরাহ কিছুটা কম থাকায় মোকামে আজ ১৫০-১৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। আগের কেনা আদা থাকায় খুচরা আমি আজ ১৬০ টাকা কেজি বিক্রি করতেছি।
হিলি বাজারে কিনতে আসা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ঈদের আগে পেঁয়াজ, রসুন এর দাম কম থাকায় কিছুুটা স্বস্তির মধ্যে আছি। পেঁয়াজ কিনলাম ৩২ টাকা কেজি দরে ৫ কেজি আর রসুন ৬০ টাকা কেজি দরে ২ কেজি। কিন্তু আদার দাম হঠাৎ বাড়তি। গত কয়েক দিন আগে আদার দাম ছিলো ১১০-১২০ টাকা। অথচ আজ ১ কেজি আদা নিলাম ১৫০ টাকা।
দিনাজপুর জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক বোরহান উদ্দিন বলেন, কোনো ব্যবসায়ী যাতে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে পণ্যের দাম বাড়াতে না পারেন, সেজন্য আমরা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছি। ক্রয়-বিক্রয় মূল্য তদারকি করা হচ্ছে এবং অনিয়ম পেলেই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
বিবার্তা/রববানী/এসএম
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]