
কুড়িগ্রামে কয়েকদিনে শীত ও ঠান্ডায় স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। এতে করে সাধারণ মানুষরা পরেছেন বিপাকে।
রাত থেকে সকাল পর্যন্ত শীতল বাতাসে বাড়ছে কাঁপুনি।গত কয়েকদিন থেকে সূর্যের দেখা মিলছে না। এতে করে ভোগান্তিতে পড়েছে খেঁটে খাওয়া সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে কষ্ট বেড়েছে চরাঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর।
রাজারহাট সদর উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের রুবেল মিয়া বলেন শীতের কারণে আমি সকালবেলা রিক্সা নিয়ে কাজে যাইতে পারি না।এতে করে আমার সংসারে অভাব কাটছে না।
কুড়িগ্রামে সদর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের বাবু মিয়া বলেন। আমি নদীতে মাছ ধরে জিবীকা নির্বাহ করি। শীতের কারণে কয়েকদিন থেকে মাছ ধরতে পারছি না।এতে আমার সংসার চলছে না।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা যাত্রাপুর ইউনিয়নের কালির আলগার চরের মোঃ মিন্টু মিয়া বলেন ঠান্ডার কারণে আমরা ঘর থেকে বের হতে পারি না ,কাজ কর্ম হয় না ।
একই এলাকার বলেন, ঠান্ডায় কাজ না করলে পেঁটে ভাত যায় না।কাজে গেলে হাত-পা জ্বালাপোঁড়া করে, ঠিকমতো কাজ করতে পারি না।
কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা খায়রুল ইসলাম বলেন অতিরিক্ত ঠান্ডায় আমার ছেলের কয়েক দিন থেকে ডাইরিয়া শুরু হয়েছে।
এবিষয়ে কুড়িগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. স্বপ্নন কুমার বিশ্বাস বলেন, জেলায় শীতজনিত রোগে আক্রান্তদের সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলছে।
কিছু রোগী হাসপাতালের আউটডোরে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন। আবার কিছু কিছু রোগী হাসপাতালের ভর্তি হচ্ছেন।
কুড়িগ্রাম রাজারহাট আবহাওয়া ও কৃষি পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, আজ শুক্রবার সকাল ৬টায় জেলায় সবনিম্ন তাপমাত্রা ৯ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
কুড়িগ্রাম জেলা শাখার ত্রাণ ও পূর্ণবাসন কর্মকতা আব্দুল মতিন জানান ৯ টি উপজেলায় ২৫ হাজার শীতবস্ত্র বিতরণ চলছে ও নগদ ৪০ লক্ষ টাকা মজুদ আছে।
বিবার্তা/বিপ্লব/এসএস
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]