বিরোধী দল অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করলে বড় ক্ষতির সম্মুখীন হবে দেশ: নুর
প্রকাশ : ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৬:৩৩
বিরোধী দল অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করলে বড় ক্ষতির সম্মুখীন হবে দেশ: নুর
বিবার্তা প্রতিবেদক
প্রিন্ট অঅ-অ+

দেশে জ্বালানি ও বিদ্যুতের একটু সংকট, এই সংকট একটি জাতীয় সংকট। তাই পলিসিগত আলোচনা বাদ দিয়ে আমাদের বিরোধী দলের বা অন্যান্য রাজনৈতিক দলের বন্ধুরা যদি রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামের নামে দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করে; দেশ বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হবে বলে মন্তব্য করেছেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।


রবিবার (৩০ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে পটুয়াখালী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) নির্মাণকাজের অগ্রগতি ও সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।


নুরুল হক নুর বলেন, দেশে জ্বালানি ও বিদ্যুতের একটু সংকট, এই সংকট একটি জাতীয় সংকট। এটা এই ৬ মাসের সরকার এসে কিন্তু বিদ্যুৎ জ্বালানি জটিলতা তৈরি করেনি। তাই পলিসিগত আলোচনা বাদ দিয়ে আমাদের বিরোধী দলের বা অন্যান্য রাজনৈতিক দলের বন্ধুরা যদি রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামের নামে দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করে; দেশ কিন্তু বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হবে।


রাজনৈতিক ঐক্যের বিষয়ে তিনি বলেন, জুলাই পরবর্তী আমাদের সবাই মিলে বাংলাদেশ পুনর্গঠনের যে ঐতিহাসিক সুযোগ এসেছে সেই সুযোগটি কাজে লাগাতে হবে। যে যেখানে আছে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ৭৫ পরবর্তী বাংলাদেশে একটি অস্থির সময়ে যেভাবে বাংলাদেশের গ্রামগঞ্জে গিয়ে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে রাষ্ট্র বিনির্মাণে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, বর্তমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও দল মত নির্বিশেষে সেভাবেই গ্রামে-পাড়া মহল্লায় গিয়ে মানুষকে দেশের কাজে বিনিয়োগের চেষ্টা করছেন।


বর্তমান সরকার প্রসঙ্গে নুরুল হক নুর বলেন, আমরা আশাবাদী আগামী ৫ বছরের মধ্যে এই সরকারের মাধ্যমে দেশকে অনেকখানি একটা সঠিক গন্তব্যের দিকে নিয়ে যেতে পারব। পুরোপুরি তো ৫ বছরের সম্ভব না, একটা স্ট্যান্ডার্ড জায়গায় আমরা বাংলাদেশকে দাঁড় করাতে পারব।


বাংলাদেশের বর্তমান পররাষ্ট্রনীতি নিয়েও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে পররাষ্ট্রনীতির পরিবর্তন এসেছে। আগে যেটা বলা হত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ভারত নির্ভরশীল, তো সেখান থেকে কিন্তু সরকার শক্তভাবে ফিরে এসেছে। এখন বাংলাদেশ স্বাধীনভাবে তার পররাষ্ট্রনীতি বিবেচনা করে।


এদিকে ২০২৮ সালের মধ্যে পটুয়াখালী ইপিজেড চালুর কথা রয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পটি চালু করা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন নুরুল হক নুর।


তিনি বলেন, ২০২৩ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত ৩ বছরে কিন্তু ৪৭ পার্সেন্ট অগ্রগতি হয়েছে। আগামী দেড় বছরে কতটুকু সম্পন্ন করা যায় এ নিয়ে আমার ব্যক্তিগতভাবে সংশয় আছে। তবে আপনারা জানেন, বর্তমান সরকার, প্রকল্পের মেয়াদ না বাড়িয়ে, ব্যয় না বাড়িয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার একটি তাগিদ দিয়েছে। তাই যেহেতু এটি আমার জেলার তাই আমি এটি (ইপিজেড) পরিদর্শনে এসেছি।


ইপিজেড চালু হলে পটুয়াখালীতে লাখ লাখ বেকার তরুণের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী।


পরিদর্শনকালে পটুয়াখালী ইপিজেড নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, পটুয়াখালী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং ইপিজেড নির্মাণ প্রকল্পের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ গণঅধিকার পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


বিবার্তা/এমবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)

১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected] ​, [email protected]

© 2026 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com