
চিত্রনায়ক মোহাম্মদ শাহরিয়ার (ইমন) ওরফে সালমান শাহ হত্যার অভিযোগে করা মামলায় খলনায়ক আশরাফুল হক ডনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রবিবার (৯ আগস্ট) পুলিশ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
কিছুক্ষণের মধ্যে তাকে আদালতে তোলা হবে বলে জানা গেছে।
সূত্রটি জানিয়েছে, বিমানবন্দর এলাকা থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ ডনকে গ্রেফতার করে। পরে সিআইডির একটি টিম এসে ডনকে নিয়ে যায়। সিআইডিতে একটি মামলা চলমান। তাকে এখন কোর্টে পাঠানো হয়েছে।
২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর মধ্যরাতে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে মামলাটি দায়ের করেন ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম।
সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা হক ছাড়াও আসামির তালিকায় রয়েছেন তার মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, চলচ্চিত্র অভিনেতা ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আব্দুস ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকালে নিউ ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহর সঙ্গে দেখা করতে যান তার মা নীলা চৌধুরী, বাবা কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরীসহ পরিবারের সদস্যরা। সেখানে গিয়ে তারা জানতে পারেন, সালমান ঘুমাচ্ছেন। কিছুক্ষণ পর প্রডাকশন ম্যানেজার সেলিম ফোন করে জানান, সালমানের কিছু একটা হয়েছে।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, পরিবারের সদস্যরা সেদিন ফোনকল পেয়ে দ্রুত বাসায় গিয়ে দেখেন, সালমান শয়নকক্ষে নিথর হয়ে পড়ে আছেন, কয়েকজন বহিরাগত নারী তার হাত-পায়ে তেল মালিশ করছেন। পাশের কক্ষে বসে ছিলেন সামিরার আত্মীয় রুবি। সালমানের মা চিৎকার করে ছেলেকে হাসপাতালে নেয়ার অনুরোধ করেন। হাসপাতালে যাওয়ার পথে তারা সালমানের গলায় দড়ির দাগ এবং মুখমণ্ডল ও পায়ে নীলচে দাগ দেখতে পান।
ঘটনার দিন সালমানকে প্রথমে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল ও পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। দীর্ঘ ২৯ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও জানা যায়নি নায়কের প্রকৃত মৃত্যু রহস্য। সালমান শাহর স্ত্রী এ মৃত্যুকে আত্মহত্যা দাবি করলেও নায়কের মা এ মৃত্যুকে পরিকল্পিত হত্যা বলে দাবি করেছেন।
বিবার্তা/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]