ভোটের পর পরিস্থিতি থিতু হলে সুপ্রতিবেশীসুলভ চেতনা বাড়বে
প্রকাশ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬, ২২:৫৮
ভোটের পর পরিস্থিতি থিতু হলে সুপ্রতিবেশীসুলভ চেতনা বাড়বে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রিন্ট অ-অ+

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছেন, তাদের প্রত্যাশা– নির্বাচনের পর পরিস্থিতি থিতু হলে এ অঞ্চলে সুপ্রতিবেশীসুলভ চেতনা বাড়বে। গতকাল শুক্রবার চেন্নাইতে আইআইটি মাদ্রাজ টেকনো-এন্টারটেইনমেন্ট ফেস্ট শাস্ত্র ২০২৬-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।


বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ঝটিকা সফরে ঢাকায় পৌঁছান ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেখান থেকে ফিরে বাংলাদেশ পরিস্থিতি ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নিয়ে মুখ খোলেন। চেন্নাইয়ে সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পালাবদল, ভারতের নিরাপত্তা ও ‘প্রতিবেশী প্রথম’ প্রসঙ্গে। জবাবে জয়শঙ্কর বলেন, ‘আমি দুদিন আগে সেখানে (বাংলাদেশে) গিয়েছিলাম; সাবেক প্রধানমন্ত্রীর (খালেদা জিয়া) শেষ শ্রদ্ধায় ভারতের প্রতিনিধিত্ব করতে গিয়েছিলাম। এ মুহূর্তে বাংলাদেশ নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে। নির্বাচন নিয়ে আমরা তাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছি। আমাদের প্রত্যাশা, নির্বাচনের পর পরিস্থিতি থিতু হলে এ অঞ্চলে সুপ্রতিবেশীসুলভ চেতনা বাড়বে।’


জয়শঙ্কর বলেন, ‘ভারত প্রতিবেশী দেশগুলোর স্থিতিশীলতায় বিশ্বাসী। ভারতের দুই ধরনের প্রতিবেশী আছে– ভালো ও মন্দ। বেশির ভাগ প্রতিবেশীই মনে করে, ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটলে তাদেরও প্রবৃদ্ধি হবে। ভারতের উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে তারাও উন্নত হবে। ভারতের পররাষ্ট্রনীতি পুরো বিশ্বকে একটি পরিবার হিসেবে মনে করে এবং শক্তি ও অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সমস্যা নিরসনের চেষ্টা করে। আর এ বার্তাই আমি বাংলাদেশে দিয়ে এসেছি।’


এর আগে অবশ্য প্রতিবেশীসুলভ আচরণের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, সাধারণভাবে প্রতিবেশীর সঙ্গে সবাই ভালোই আচরণ করে। প্রতিবেশী অসুবিধায় পড়লে সাহায্যের হাত বাড়ানো হয়। কিছু না হলেও ‘হাই-হ্যালো’ সম্পর্ক থাকে। বন্ধুত্ব স্থাপনের চেষ্টা করা হয়। দেশ হিসেবেও প্রতিবেশীদের সঙ্গে এমনই আচরণ করা হয়ে থাকে। এ সুপ্রতিবেশীসুলভ মনোভাবেরই নিদর্শন দেখা যায় ভারতের প্রতিবেশীদের ক্ষেত্রে। তাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়ানো হয়েছে। বিনিয়োগ করা হয়েছে।


তিনি বলেন, “কভিডের সময় অধিকাংশ প্রতিবেশী ভারত থেকেই প্রথম প্রতিষেধক (টিকা) পেয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধের সময় খাদ্য, সার ও জ্বালানি সংকট দেখা গিয়েছিল। ভারত সাধ্যমতো সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে। শ্রীলঙ্কার দুর্দিনে চার বিলিয়ন ডলার অর্থ সাহায্য করেছে। সম্প্রতি ‘দ্বিতয়া’ সাইক্লোনের সময়েও শ্রীলঙ্কার জন্য প্রথম সাহায্য ভারতই পাঠিয়েছে। সবাই জানে, বিপদের সময় ভারত আছে। এগিয়ে আসবে। ভারতের ওপর নির্ভর ক


বিবার্তা/এসএস

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)

১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2026 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com