
বেকারি পণ্যের দাম আগামী শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) থেকে সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে হস্তচালিত বেকারি মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ব্রেড, বিস্কুট ও কনফেকশনারি প্রস্তুতকারক সমিতি।
মালিকরা জানিয়েছেন, ওই সময় থেকে পণ্যের দাম ২০ শতাংশ বাড়বে। আবার কিছু ক্ষেত্রে পণ্যের দাম ঠিক রেখে ওজন কমিয়ে মূল্য সমন্বয় করা হবে।
সমিতির সভাপতি জালাল উদ্দিন বলেন, ‘দাম বৃদ্ধির কোনো ঘোষণা আমরা দিইনি। তবে সবাই মিলে দাম সমন্বয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দাম বাড়লে সেটা ২০ শতাংশ হারে বাড়াবে। আবার কিছু ক্ষেত্রে ওজন কমিয়ে দাম সমন্বয় করা হবে। অর্থাৎ ১০ টাকার রুটি ১০ টাকাই থাকবে। তবে যেটা ৪০০ গ্রাম ছিল, সেটা হয়তো ৩৫০ গ্রাম বা ৩২০ গ্রাম হবে।’
এর যুক্তি হিসেবে তিনি বলেন, ‘গত ছয় মাসে ২৫-৩০ টাকার আটা ৪২ টাকা হয়ে গেলো, তিন হাজার টাকার ময়দার বস্তা পাঁচ হাজার ৬০০ টাকা হয়ে গেলো, ২৫ হাজার টাকার ড্রামের তেল ৩৬ হাজার টাকা হয়ে গেলো। এখন আমরা কী করতে পারি? এছাড়া গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যা, বাড়তি খরচ। আমরা টিকতে পারছি না। আমার কর্মচারী না খেয়ে থাকবে?’
এর মধ্যে কোনো বেকারি কি বন্ধ হয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে জালাল উদ্দিন বলেন, ‘না, বন্ধ হয় নাই। তবে উৎপাদন কমাইছে। যে আগে পাঁচ বস্তা ময়দার কাজ করতো, সে এখন তিন বস্তায় চলে আসছে।’
এ সমিতির তথ্য অনুযায়ী, সারাদেশে ক্ষুদ্র বেকারি আছে প্রায় সাত হাজার। এর মধ্যে রাজধানীতে রয়েছে সাত শতাধিক।
তাদের দাবি, কাঁচামাল ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রভাবে উৎপাদন খরচ ২০ থেকে ৩০ শতাংশ বেড়েছে। বিপরীতে গ্যাস-বিদ্যুৎ ঠিকমতো না থাকায় উৎপাদন ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কমে গেছে। চলমান সংকট দীর্ঘ হলে ছয় মাসের মধ্যে বেকারি খাত ঝুঁকিতে পড়বে বলে মনে করছেন সমিতির নেতারা।
বিবার্তা/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]