
বলিউডের গ্ল্যামারাস দুনিয়া অনেকের কাছেই স্বপ্নের মতো। তবে এই রঙিন ভুবনে পা রাখার আগে অনেক তারকারই ছিল একদম ভিন্ন এক জীবন। নিশ্চিত ভবিষ্যতের হাতছানি উপেক্ষা করে কেবল প্যাশনের টানে রূপালি পর্দার তারকা হওয়ার স্বপ্নের কারণে মোটা পারিশ্রমিকের চাকরি ছেড়েছিলেন তারা।
২০১৫ সালে ‘মাসান’ ছবির মাধ্যমে বলিপাড়ায় অভিষেক ঘটে ভিকি কৌশলের। মুম্বাইয়ের একটি কলেজ থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করা ভিকি চাইলে কোনো বড় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে উচ্চ বেতনের চাকরি করতে পারতেন। এমনকি সেই সুযোগ তার হাতেও এসেছিল। কিন্তু অভিনয়ের নেশায় বুঁদ হয়ে থাকা ভিকি সব প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে বেছে নেন স্ট্রাগলিং লাইফ। আজ তিনি বলিউডের অন্যতম সেরা অভিনেতা।
দিল্লির একটি কলেজ থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন তাপসী পান্নু। পড়াশোনা শেষে একটি সফটওয়্যার কোম্পানিতে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে ক্যারিয়ারও শুরু করেছিলেন তিনি। তবে বেশি দিন সেই কাজে মন টেকেনি। সফটওয়্যার কোডিং ছেড়ে তিনি যোগ দেন শোবিজ দুনিয়ায়।
বলিউডের এই ‘অ্যাকশন হিরো’র শিক্ষাগত যোগ্যতা জানলে অনেকেই অবাক হবেন। মুম্বাই থেকে এমবিএ শেষ করে একটি প্রতিষ্ঠানে ‘মিডিয়া প্ল্যানার’ হিসেবে ক্যারিয়ার গড়েছিলেন জন। তবে অভিনয়ের স্বপ্ন তাকে থিতু হতে দেয়নি। শেষমেশ পেশাদারি চাকরির মায়া ত্যাগ করে তিনি হয়ে ওঠেন বলিউডের নির্ভরযোগ্য এক নাম।
মুম্বাইয়ের একটি নামী কলেজ থেকে ফ্যাশন ডিজাইনিং নিয়ে পড়াশোনা করেছিলেন সোনাক্ষী সিনহা। ক্যারিয়ার গড়তে চেয়েছিলেন পোশাকের কারুকার্য দিয়ে। তবে ২০১০ সালে সালমান খানের বিপরীতে ‘দাবাং’ ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব আসতেই বদলে যায় তার জীবনের মোড়। ক্যারিয়ারের শুরুতে ফ্যাশন জগতকে বিদায় জানিয়ে তিনি বেছে নেন অভিনয়কে।
এক সময় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির পেছনের সারিতে কাজ করতেন পরিণীতি চোপড়া। পেশাদার হিসেবে তিনি একটি প্রযোজনা সংস্থার জনসংযোগ বিভাগে যুক্ত ছিলেন। তবে পর্দার আড়ালে নয়, নিজেকে পর্দায় দেখার সুপ্ত বাসনা থেকেই এক সময় চাকরি ছেড়ে অভিনয়ের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ভর্তি হন। ২০১১ সালে ‘লেডিস ভার্সেস রিকি বহল’ এবং পরের বছর ‘ইশকজাদে’ দিয়ে বলিউডে নিজের আসন পাকাপোক্ত করেন তিনি।
বিবার্তা/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]