ইরানে ইফতার
প্রকাশ : ০৫ জুন ২০১৮, ১৯:৩৬
ইরানে ইফতার
বিবার্তা ডেস্ক
প্রিন্ট অ-অ+

পবিত্র রমজানে ইফতার যেন একটা উৎসব। এটা সব মুসলিম দেশেই। ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে করে বাহারি আয়োজন। আমাদের দেশে একসময় ছোলা ভাজা, পেঁয়াজু, বেগুনি, দই-চিড়া ছাড়া ইফতার চিন্তাই করা যেত না। এখন শহর-নগরে নানা রকম বাহারী ইফতারসামগ্রীর দাপটে ওসব কোণঠাসা হয়ে পড়লেও দূর পল্লীতে আছে সগৌরবে। ওসব যেন গ্রামবাংলার ইফতারিতে অনেকটা অবশ্যম্ভাবী উপাদান।


এভাবেপৃথিবীর সব মুসলিম দেশের ইফতারিতেই থাকে এরকম একটা-না-একটা অবশ্যম্ভাবী উপাদান, যা তাদের একান্ত নিজস্ব। যেমন ইরানে থাকে টমেটো, শসা, লেটুসপাতার সালাদ এবং পুদিনা ও ধনিয়া পাতাসহ নানা রকমের সুগন্ধি পাতা। আর থাকে এক রকমের জিলাপি; তার স্বাদ ঠিক বাংলাদেশি জিলাপির মতো নয়। হালিম নামে একটি খাবারও ইফতারিতে খাওয়া হয়, এই হালিমের স্বাদও বাংলাদেশের হালিমের মতো নয়।


ফলের মধ্যে থাকে খেজুর, আপেল, চেরি, তরমুজ, আখরোট, তলেবি (এক ধরনের বাঙ্গি), কলা, আঙ্গুর ইত্যাদি। এছাড়া, মধু, রুটি, পনির, দুধ, পানি, চা উল্লেখযোগ্য। ছোট চাল, চিনি আর জাফরান দিয়ে রান্না হয় এক ধরনের ক্ষীর বা পায়েস, যার ইরানি নাম ‘শোলে জার্দ’।


দেশটির বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় ইফতার মাহফিল। ইরানের মাহশাদে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ইফতারের আয়োজন করা হয় বলে দাবি আয়োজকদের। এই ইফতার মাহফিল সফল করার জন্য প্রতিদিন কয়েক শ' স্বেচ্ছাসেবক কাজ করেন। সূর্যোদয় থেকে ইফতারের আগ পর্যন্ত প্রতিদিন এক লাখ মানুষের জন্য চলে এই আয়োজন। আর এই খাবার পরিবেশনের আগে প্রতিদিন বিশেষ মোনাজাত করা হয়।


এছাড়া কোম নগরীতে হযরত মাসুমার মাজারেও বড় আকারে ইফতার আয়োজন হয়।


মসজিদে কিংবা আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীর বাড়িতে ইফতারি দেয়ার রেওয়াজ ইরানেও আছে। এছাড়া যেসব অফিস ইফতারের সময়ও খোলা থাকে সেখানে অফিস থেকেই ইফতার সরবরাহ করা হয়।


বিবার্তা/হুমায়ুন/কাফী

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

৪৬, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ

কারওয়ান বাজার (৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২১৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected]mail.com, [email protected]

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com