‘রিটস ব্রাউজারেই সবাই চিনবে বাংলাদেশকে’
প্রকাশ : ২১ জুলাই ২০১৮, ১৬:৫৮
‘রিটস ব্রাউজারেই সবাই চিনবে বাংলাদেশকে’
উজ্জ্বল এ গমেজ
প্রিন্ট অ-অ+

তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে মানুষের জীবন অনেকটা মোবাইল অ্যাপনির্ভর হয়ে উঠেছে। শহুরে জীবনে যে কোনো প্রয়োজন মেটাতে মানুষ অ্যাপের সাহায্য নিয়ে থাকেন। সবকিছুর আলাদা আলাদা অ্যাপ রয়েছে। কিন্তু কিভাবে একটি অ্যাপের মাধ্যমে মানুষের সব ধরনের সেবা দেয়া যায়, মোবাইল ফোনের চার্জ ও ডাটা খরচ কমানো যায় - বিষয়টি একজনের মাথায় সবসময় কাজ করতো। সেই থেকে ব্যতিক্রমী একটা অ্যাপ তৈরির কথা ভাবতে থাকেন তিনি। একসময় মাথায় আসে রিটজ ব্রাউজারের বিষয়টি। নানান চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে আলোর মুখ দেখে উদ্যোগটি।


বলছিলাম বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ইন্টারনেট রিটস ব্রাউজারের উদ্ভাবক, তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান রেইজ আইটি সলিউশনস্-এর প্রতিষ্ঠাতা ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর কে এ এম রাশেদুল মাজিদের কথা।


যার একটা মোবাইল আছে, তারই ইনফরমেশনের প্রয়োজন। যার ইনফরমেশন প্রয়োজন, তার ব্রাউজারেরও প্রয়োজন, যেটা তাকে সব ধরনের সুবিধা দিতে সক্ষম। এই আইডিয়া ব্রাউজারটি ডেভেলপে তাঁর উৎসাহকে আরো বেগবান করেছে। এর পেছনের গল্পটা আরো বেশি সংগ্রামের।


আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তি জগতে রাশেদুল মাজিদের পথ চলা শুরু। শুরুতে যখন আউটসোর্সিংয়ের কাজ করতেন তখন তিনি কাস্টমাইজ সলিউশন দিতেন। অস্ট্রেলিয়া, ইউএসএ ও কানাডায় তাঁর ক্লায়েন্ট ছিল। ক্লায়েন্টরা ছিল মূলত সফটওয়ার কম্পানি। ওরা তাঁকে নানা প্রজেক্টের কাজ দিত, তিনি ডেভেলপ করে সেগুলো ডেলিভারি দিতেন। কিন্তু যে কাজটা করতেন দিনশেষে তার কোনো স্বীকৃতি থাকতো না। কারণ, তাঁকে মাধ্যম হয়ে কাজগুলো করে দিতে হতো।


পাঁচ-ছয় বছর পর লক্ষ্য করেন, তাঁর পোর্টফোলিও দেখানোর মতো কোনো-কিছুই তৈরি হয়নি। ভাবতে শুরু করে্ন, কীভাবে এমন কিছু করা যায় যেটা দিয়ে নিজস্বতার জায়গা এবং দেশের তথ্য-প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব তৈরি করা সম্ভব, সাথে সাথে স্বকীয়তাও বজায়ে রাখতে পারবো।



ভাবতে-ভাবতে রাশেদুল মাজিদ এগিয়ে যান নিজে থেকে নতুন কিছু একটা করার নেশায়। কয়েকজনকে নিয়ে গঠন করেন একটা আরএনডি টিম এবং সার্ভিস রিলেটেড কিছু ইনোভেটিভ প্রজেক্টে হাতে নেন। এর মধ্যে আছে ২০১৩ সালে অ্যাড নেটওয়ার্ক, যা তারাই বাংলাদেশে প্রথম চালু করেন। তা হলো, অকশনবেইজড প্রগ্রামেটিক অ্যাডভারটাইজিং সিস্টেম। অর্থাৎ কোনো বিজ্ঞাপনদাতা কোনো পাবলিসারে বিজ্ঞাপন দিতে হলে তাকে আগে অকসন করে তারপর বিজ্ঞাপন দিতে হয়। এটা চালুর পরেই তারা বিশ্বের ৩৬টি দেশের সঙ্গে পার্টনারশিপ করতে সক্ষম হন। যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।


ওখান থেকে রাশেদুল মাজিদের উপলব্ধি হলো, আমরা যদি সার্ভিস ওরিয়েন্টেড কাজ করি তাহলে আমাদের স্বকীয়তার জায়গাটাও থাকে, একই সঙ্গে রেভিনিউ আসে। অন্যদিকে আউটসোর্সিং বেইজড কাজ করা খুব জটিল ছিলো। কারণ, আউটসোর্সিং মডেলে বিজনেসটা ছিলো এরকম, আমরা যাদের কাজ করতাম তারা ফল-ডাউন করলে আমরাও ফল-ডাউন করতাম। অর্থাৎ তাদের কাজ থাকলে আমরা কাজ করতাম, তাদের কাজ না থাকলে আমরাও বসে থাকতাম। অনেকটা আমাদের গার্মেন্টস শিল্পের মত। এরপর আমরা সার্ভিস ওরিয়েন্টেড মডেলের মাধ্যমে একটি ডিডিকেটেড রেভিনিউ সিস্টেম তৈরি করতে সক্ষম হই। নাম দেই ‘রিটস ব্রাউজার’। এটি রেইজ আইটি সলিউশনস্-এর সংক্ষিপ্ত নাম। তাই এটির নাম হলো মোবাইল ইন্টারনেট ‘রিটস ব্রাউজার’


ব্যবহারকারীরা রিটস ব্রাউজারটি ব্যবহার করবে কেন - জানতে চাইলে রাশেদুল মাজিদ বলেন, বিভিন্ন কন্টেন্টের পাশাপাশি রিটস ব্রাউজারে যে সুবিধাগুলো পাওয়া যাবে তা হচ্ছে, ব্যবহারকারীরা ভিডিওগুলো উপভোগ করার সঙ্গে সঙ্গে ডাউনলোডের সুবিধাও পাবেন। ডাউনলোডের জন্য বিকল্প কোনো অ্যাপের প্রয়োজন হবে না। একই সাথে এই ব্রাউজারে পাওয়া যাবে লাইভ টেলিভিশন। ৫৬ টার বেশি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক টেলিভিশন চ্যানেল ও রেডিওর প্রোগ্রাম উপভোগ করা যাবে সম্পূর্ণ ফ্রিতে।


তিনি বলেন, আমরা যখন দেশের বাইরে যাই, তখন আমরা নিজ দেশকে মিস করি। আমি চায়নায় গেলাম তখন লক্ষ্য করলাম, বাংলাদেশের খবর, রেডিও ও টেলিভিশন দেখার জন্য কোনো মাধ্যম পাওয়া যাচ্ছে না এবং পাওয়া গেলেও অনেক ডাটা, চার্জ ও সময় নষ্ট হচ্ছে। যখন আপনার মোবাইলে রিটস ব্রাউজার থাকবে তখন আপনি আপনার লোকালিটি নিয়ে ট্রাভেল করতে পারবেন। মানে দেশের সকল অনলাইন পোর্টাল, রেডিও-টেলিভিশন চলে আসবে আপনার হাতের মুঠোয়। এ কারণেই অন্যদের চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে আছে রিটস ব্রাউজার।


পৃথিবীর সব শ্রেণীর মানুষ যেন একটি ব্রাউজারের মাধ্যমে সব ধরনের প্রয়োজন মেটাতে পারেন বা একের ভেতরে সব - সেই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে ব্রাউজারটি গুগল প্লে-স্টোরে ছাড়া হয়। খুব অল্পসময়ে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সাড়া মেলে। সবচেয়ে মজার বিষয়, ব্রাউজারটির এখনও কোনো অফিসিয়াল উদ্বোধন হয়নি। তারপরেও দেড় মিলিয়ন ডাউনলোড হয়ে গেছে। শুরু করার তিন/চার মাস পরে দেখা গেছে, তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রগামী দেশ ভারতের প্রচুর ব্যবহারকারী রিটস ব্রাউজারটি ব্যবহার করছে। এরপর থেকে বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের কৃষ্টি ও সংস্কৃতি লক্ষ্য করে কন্টেন্ট সরবরাহ করা হয়। এতে করে প্রতিদিনই ভারতে ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। এখন পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের মানুষের সাধারণ পছন্দ-অপছন্দকে লক্ষ্য করে আন্তর্জাতিক কন্টেন্ট সরবরাহ করা হচ্ছে। বর্তমানে পৃথিবীর ২১৩ দেশের ১৫ লাখেরও বেশি মানুষ রিটস ব্রাউজারটি ব্যবহার করছে। এই রেকর্ড থেকে আমরা বুঝতে পারি ব্রাউজারটি বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে দ্রুত জনপ্রিয় হওয়া মোবাইল ইন্টারনেট ব্রাউজার। গুগল প্লে-স্টোরে অ্যাপটির রেটিং ৪ দশমিক ৫, বললেন রাশেদুল মাজিদ।



অল্পসময়ে দেশের সফটওয়্যার খাতের শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসের (বেসিস) অ্যাওয়ার্ড এবং আন্তর্জাতিকস্বীকৃত এশিয়ার অস্কারখ্যাত অ্যাপিকটা মেরিট অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে এই উদ্যোগটি।


এত অল্পসময়ে সারাবিশ্বে জনপ্রিয় হয়ে ওঠার কারণ প্রসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী জানান, রিটস্ ব্রাউজারটির মাধ্যমে দ্রুত ব্রাউজিং, কম মেমোরি খরচ লাইভ ক্রিকেট আপডেট, ভাষা ও পছন্দ অনুযায়ী বলিউড ও হলিউডসহ বিনোদন জগতের সর্বশেষ খবর ও ভিডিও দেখা, লাইভ টিভি, লাইভ রেডিও শোনাসহ আরো অনেক সুবিধা উপভোগ করা যায়। সব ধরনের সুবিধা দিতে সক্ষমতা রয়েছে ব্রাউজারটির। নেট ব্যবহার থেকে শুরু করে কেনাকাটাসহ জীবনের যাবতীয় সমস্যা সমাধানে প্রথমে রয়েছে রিটস ব্রাউজার।


এটি একমাত্র ব্রাউজার যেখানে কন্টেন্টগুলো বুফের মতো করে পাওয়া যাবে। ওয়েবসাইট সার্চিং ও অ্যাপ ইন্সটলিং অনেকাংশেই কমিয়ে সহজ করে দেবে এই রিটস ব্রাউজার। এটি শুধু আঙ্গুলের একটি স্পর্শ দিয়ে পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তের আপডেট, চলমান ও সর্বশেষ খবর এবং অন্যান্য বিষয়ের বিষয়ভিত্তিক ধারণা দেবে তাই নয়, এটি ডিভাইসের মেমোরি ও পাওয়ার বাঁচাতে সহায়তা করবে, এই অ্যাপটি অন্য একাধিক অ্যাপ ইন্সটলের প্রয়োজনীয়তাও কমিয়ে দিবে।


ব্রাউজারটিকে একটু ভিন্ন আঙ্গিকে, সবধরনের সুযোগ-সুবিধাসম্বলিত করার সর্বাত্মক প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন একটি টেকনিক্যাল টিম। তারা অক্লান্ত পরিশ্রম, মেধা ও সৃজনশীলতা দিয়ে প্রতিদিন একটু একটু করে নতুন আঙ্গিকে সাজ্জাচ্ছেন ব্রাউজারটি। তাদের একটাই লক্ষ্য - নেট ব্রাউজিং থেকে শুরু করে কেনাকাটাসহ জীবনের যাবতীয় সমস্যা সমাধানে প্রথমে থাকবে রিটস ব্রাউজার।


প্রথম বাংলাদেশি মোবাইল ইন্টারনেট ব্রাউজার রিটস্ ব্রাউজার। অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণ ৪.১ এবং এর ওপরের ভার্সনের জন্য প্রযোজ্য এই ব্রাউজারটি ব্যবহারকারীদের অধিক গুণগত মানসম্পন্ন অভিজ্ঞতা দিতে সক্ষম। সবমিলিয়ে ব্রাউজারটির বেশকিছু বৈশিষ্ট্যই এটিকে অন্য ব্রাউজারগুলো থেকে আলাদা করার পাশাপাশি জনপ্রিয় করে তুলেছে। এতে সম্প্রতি যুক্ত হয়েছে নোটিফিকেশন নামে নতুন একটি সুবিধা। ফলে এখন থেকে এই ব্রাউজার ব্যবহারকারীরা কোনো সংবাদভিত্তিক ওয়েবসাইটে ব্রাউজ না করেই জানতে পারবেন সদ্য ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো।


এছাড়া অ্যাপটিতে যুক্ত হয়েছে অ্যাক্সিট অপশন। এতে এই অপশনটি ব্যবহারের মাধ্যমে সহজেই অ্যাপ ব্যবহার শেষে বের হয়ে যেতে পারবেন এর ব্যবহারকারীরা। পাশাপাশি এই ফিচারটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ব্যাক অ্যান্ড প্রসেস থেকেও স্বয়ংক্রিয়ভাবে অ্যাপটির সকল কার্যক্রম বন্ধ করে ডিভাইসের মেমোরি ও ব্যাটারির অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার রোধ করে।



ব্যক্তি উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছে ব্রাউজারটি। সরকারিভাবে কোনো সহায়তা দেয়া হয়নি।


কী ধরনের সুযোগ-সুবিধা পেলে সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে মনে করেন? এমন প্রশ্নের জবাবে রাশেদুল মাজিদ জানান, আমরা যদি চায়নার প্রযুক্তিখাতের দিকে লক্ষ্য করি, তাহলে দেখতে পাবো তাদের একটিমাত্র অ্যাপ, নাম ‘উইচ্যাট’। অ্যাপটি এতটাই জনপ্রিয় যে, বর্তমানে ফেসবুক ও টুইটারের মতো এগিয়ে আছে এবং এটি সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় চলে। ওই একটা অ্যাপ দিয়েই তাদের যোগাযোগ থেকে শুরু করে যাবতীয় পেমেন্ট সম্পন্ন হয়। একইভাবে সরকার আমাদেরকে এরকম পৃষ্ঠপোষকতা দিলে, আমরাও বাংলাদেশে এরকম প্লাটফর্ম তৈরি করতে পারবো। যার মাধ্যমে আমরা সারাবিশ্বে অনলাইন কমিউনিকেশন ও পেমেন্ট সেবা দিতে পারবো।


তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরির মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় সহজেই তথ্যসেবা পৌঁছে দেয়ার জন্য বর্তমান সরকার অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে। আমার বিশ্বাস, রিটস ব্রাউজারের মাধ্যমে সরকারের এসব কার্যক্রম আরো সহজে, দ্রুত ও নিরাপদে দেশের সকল মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়া যাবে। কারণ, ব্যবহারকারীরা এই অ্যাপের মাধ্যমে ঘরে বসেই প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সহজেই পেয়ে যাবে। অন্যদিকে অনলাইন মার্কেটিংয়ের নামে গুগল ও ফেসবুক বিপুল পরিমাণ অর্থ এদেশ থেকে নিয়ে যাচ্ছে। রিটস ব্রাউজারের প্রসার ঘটানো গেলে এটা শুধু বৈদেশিক মুদ্রা পাচার রোধই করবে না বরং যেহেতু এই অ্যাপের ব্যবহারকারী সারা দুনিয়ায় রয়েছে, তাই এর মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রাও অর্জিত হবে।


টেলিকম কম্পানিগুলো যেমন ফেসবুক, ইউটিউবের জন্য ফ্রি ইন্টারনেট সেবা দিয়ে থাকে, যেহেতু এটা দেশীয় উদ্যোগ, তেমনি আমরাও মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়ে অনুরোধ করেছিলাম যেন আমাদের এরকম একটা সুবিধা দেয়া হয়। মন্ত্রী আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, টেলিটক যেহেতু দেশীয় কম্পানি, তাই দেশীয় উদ্যোক্তারা এখান থেকে একটা বিশেষ সুবিধা পাবে।


ব্রাউজারটিকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখেন রাশেদুল মাজিদ। তিনি বলেন, আমি চাই মোবাইল ইন্টারনেট দেশীয় ব্রাউজার হিসেবে রিটস ব্রাউজারটি সবাই ব্যবহার করুক। দেশের সকল মানুষ এই অ্যাপটি ব্যবহার করলে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে বলে আমার বিশ্বাস।


মানুষকে এটি ব্যবহারে উৎসাহিত করতে হবে। শুধু গুগল কেন, আমরাও তো ভালো কিছু উদ্ভাবন করতে পারি। আমাদেরও বিশ্বমানের ইন্টারনেট ব্রাউজার আছে। এটাকে বেশি বেশি ব্যবহার করে সারাবিশ্বকে এটা জানিয়ে দিতে হবে। এখন বিশ্বের ২১৩ টি দেশে ব্যবহার হচ্ছে এই ব্রাউজার। একদিন পৃথিবীর সবদেশের মানুষ এটি ব্যবহার করবে। রিটস ব্রাউজার ব্যবহারের মাধ্যমে সবাই একনামে চিনবে বাংলাদেশকে।


বিবার্তা/উজ্জ্বল/হুমায়ুন/মৌসুমী

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

৪৬, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ

কারওয়ান বাজার (৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২১৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com