
খাগড়াছড়ির রামগড় ও দীঘিনালা উপজেলায় পৃথক দুটি ঘটনায় পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ-প্রসীত গ্রুপ) দুই সদস্য নিহত হয়েছেন।
বুধবার (২৪ জুন) সকালে রামগড় উপজেলার তৈকাথান এলাকায় গোলাগুলির প্রথম ঘটনাটি ঘটে।
রামগড়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে একজন এবং দীঘিনালায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে অপরজন নিহত হন। এ সময় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আরও একজনকে আটক করার পাশাপাশি একটি একে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর সিন্দুকছড়ি জোনের একটি টহল দল ওই এলাকায় অভিযানে যায়। এ সময় সশস্ত্র ব্যক্তিরা টহল দলটিকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে উভয়পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়।
এতে ঘটনাস্থলেই ববিন ত্রিপুরা (৩২) নামে ইউপিডিএফের এক সদস্য নিহত হন। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মংসানু মারমা ওরফে জীবন (২৯) নামে আরেক ইউপিডিএফ কর্মীকে আটক করা হয়েছে। পরে ঘটনাস্থল থেকে একটি একে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার করে পুলিশ।
অন্যদিকে, একই দিন দুপুরে দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়া ইউনিয়নের মুড়োপাড়া চৌমুহনী এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে সুজন চাকমা (৪৮) নামে অপর এক ইউপিডিএফ সদস্য নিহত হন। জানা যায়, সাংগঠনিক কাজে স্থানীয় একটি দোকানে অবস্থান করছিলেন তিনি। এ সময় কয়েকজন অস্ত্রধারী তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়।
দীঘিনালার হত্যাকাণ্ডের এ ঘটনার জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকে (জেএসএস-সন্তু লারমা গ্রুপ) দায়ী করেছে ইউপিডিএফ। তবে এ বিষয়ে জেএসএস-এর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এদিকে, পৃথক এক বিবৃতিতে রামগড়ে গোলাগুলির ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে নিহত ববিন ত্রিপুরাকে নিজেদের সাধারণ কর্মী বলে দাবি করেছে ইউপিডিএফ।
রামগড় ও দীঘিনালা থানার পুলিশ পৃথকভাবে ঘটনা দুটির সত্যতা নিশ্চিত করেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উভয় ঘটনার তদন্ত চলছে এবং নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।
বিবার্তা/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]