
একদিকে নেই বৃষ্টি, অন্যদিকে তীব্র রোদের তাপ। এমন পরিস্থিতিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গাবাসীর জনজীবন।
প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হতে চাইছেন না। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন কৃষক, দিনমজুর, ভ্যান-রিকশা চালকসহ খেটে খাওয়া মানুষ।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বেলা ১২টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৪ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৬০ শতাংশ।
জেলার তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি হলেও গরম অনুভূত হচ্ছে ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো। বাতাস বইলেও তা বেশ গরম। তীব্র গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা।
গাড়ি থেকে মালামাল নামাচ্ছিলেন ট্রান্সপোর্ট শ্রমিক তনু মিয়া। তিনি বলেন, এই রোদে কাজ করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তীব্র রোদ বাতাস থাকলেও সেটা দিয়ে আগুন বের হচ্ছে। কিন্তু কিছুই করার নেই।
ভ্যান চালক পিকলু বলেন, চড়া রোদ বইছে। হাত-পা পুড়ে যাওয়ার উপক্রম। রাস্তায় লোকজন কম। কিন্তু পেটের দায়ে ভ্যান চালানো ছাড়া উপায় নেই। ভাড়াও কম হচ্ছে। সকাল থেকে দেড়শ টাকার ভাড়া মেরেছি।
কৃষক আব্দুল মালেক বলেন, জমিতে কাজ করতে গেলে গরমে দাঁড়ানোই কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। রোদে শরীর ঝলসে যাচ্ছে। একটু কাজ করলেই মাথা ঘুরে যায়। বেলা বাড়ার সাথে সাথে আর মাঠে থাকা যায় না।
শহরের ভ্রাম্যমাণ ফল বিক্রেতা মিন্টু মিয়া জানান, গরমের কারণে ক্রেতা নেই বললেই চলে। রোদের তাপে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে কষ্ট হয়। ছায়া যায়গায় দাঁড়াচ্ছি। কিন্তু বেচাকেনা নেই
বিবার্তা/আসিম/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]