
বৈষম্য-সংঘাত নয়, শান্তির পাহাড় গড়তে চাই মন্তব্য করে খাগড়াছড়ি ঘোড়া প্রতিকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ধর্ম জ্যোতি চাকমা বলেছেন, পাহাড়ে হানাহানি নয় সম্প্রীতি প্রয়োজন। আর তার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন পাহাড়ি-বাঙালিসহ সকলের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ মাঠে তিনি সংক্ষিপ্ত নির্বাচনি প্রচারণায় এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, পাহাড়কে উন্নয়নমুখী ও পর্যটন বন্ধন করে গড়ে তুলতে হবে পরিকল্পিতভাবে। কারো বসতবাড়ি উচ্ছেদ করে বা মাথা গুঁজার ঠাঁই কেঁড়ে নিয়ে নয়, আলোচনার মাধ্যমে পর্যটন বিকাশে উন্নয়নে সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন করা হবে বলেও তিনি জানান।
একই সাথে কোনো জাতি, গোষ্ঠীকে এগিয়ে নিতে হলে স্বাবলম্বী গড়ে তোলা জরুরি জানিয়ে তিনি ফান্ড গঠনের উপর জোর দিয়ে নির্বাচিত হলে বিশেষ ফান্ড গঠন করবেন বলে জানান। এছাড়া সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে সংসদে গিয়ে কথা বলতে ১২ ফেব্রুয়ারি ঘোড়া প্রতিককে নির্বাচিত করার আহ্বান জানান।
এ সময় তিনি শিক্ষার দিকে পিছিয়ে পড়া খাগড়াছড়িতে দুর্গম পাহাড়ের মানুষের শিক্ষার সুবিধার্থে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করেন তিনি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্ব-স্ব ভাষায় শিক্ষা গ্রহণে অবদান রাখবেন জানিয়ে তিনি আরো বলেন, পাহাড়কে নিরাপদ রেখে সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলে চাষাবাদ, গিরি, ঝরনা বাঁচিয়ে রাখতে উদ্যোগ নেয়া হবে।
শিল্প কারখানা গড়ে তুলতে হলে পাহাড়ে আগে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হবে বলে জানিয়ে পাহাড়ি-বাঙালির অধিকার নিয়ে শান্তিতে বসবাসের অগ্রণী ভূমিকা রাখাসহ পাহাড়ে সহিংসতা, দুর্গম নারীর প্রতি সহিততা, খাগড়াছড়িতে ঘটে যাওয়া সংঘাতের কথা তুলে ধরে তিনি পিছিয়ে ধরনের সংঘাত চিরতরে যেন বিলীন হয়ে যায় সে লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবেন বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে বৈষম্য বিরোধী পাহাড়ি ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি কোপান ত্রিপুরাসহ কয়েকজন বক্তব্য রাখেন। এর আগে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর বিশাল এক শোডাউন নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী ধর্ম জ্যোতি চাকমা খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ মাঠ থেকে শুরু করে চেঙ্গি স্কয়ার, মহাজনপাড়া, শাপলা চত্বর- আদালত সড়ক হয়ে মধুপুর বাজার ঘুরে পুনরায় কলেজ মাঠে গিয়ে সমাবেশের মধ্য দিয়ে প্রচারণার সমাপ্তি করেন।
বিবার্তা/মামুন/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]