
মাঠ ও মাঠের বাইরে লিওনেল মেসির সবচেয়ে কাছের বন্ধু হিসেবেই পরিচিত রদ্রিগো দে পল। প্রিয় বন্ধুর বাবার মৃত্যুতে তাই শোক ছুঁয়ে গেছে তাকেও।
কঠিন এই সময়ে শোকার্ত মেসির পাশে দাঁড়াতে সবুজ গালিচাকেই বেছে নিলেন এই আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার। ইন্টার মায়ামির হয়ে দুর্দান্ত এক গোল করে তা উৎসর্গ করলেন পিতৃহারা মেসি ও তার পরিবারের প্রতি।
দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর শনিবার শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন লিওনেল মেসির বাবা হোর্হে মেসি। বাবার মৃত্যুসংবাদ পেয়েই লিগস কাপের ম্যাচ ফেলে তড়িঘড়ি করে ব্যক্তিগত বিমানে চেপে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি থেকে জন্মভূমি আর্জেন্টিনায় ছুটে যান ফুটবল জাদুকর।
যার কারণে রোববার বাংলাদেশ সময় ভোর ৬টায় মন্টেরির বিপক্ষে মাঠে নামা হয়নি মায়ামি তারকার। মেসি না থাকলেও মাঠে তাকে এক মুহূর্তের জন্যও ভুলে যাননি সতীর্থরা।
বিশেষ করে অকৃত্রিম বন্ধু দে পলের হৃদয়ে বেজেছে বিষাদের সুর। মন্টেরির বিপক্ষে ম্যাচের ৩২ মিনিটের মাথায় কাসেমিরোর বাড়িয়ে দেওয়া বল পেয়ে যান দে পল। ডি-বক্সের বেশ বাইরে, প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে ডান পায়ের নিচু অথচ জোরালো এক শটে প্রতিপক্ষের জালের ঠিকানা খুঁজে নেন তিনি।
গোল করেই দৌড়ে চলে যান সাইডলাইনে। নিজের গায়ের জার্সি খুলতেই বেরিয়ে আসে ভেতরে পরে থাকা লিওনেল মেসির নামাঙ্কিত আরেকটি জার্সি! এই গোলটি যে শুধুই বন্ধু মেসি এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের জন্য, সেটিই যেন বিনা বাক্যে বুঝিয়ে দিলেন তিনি। যদিও মাঠে জার্সি খোলার কারণে রেফারি নিয়ম অনুযায়ী তাকে হলুদ কার্ড দেখাতে বাধ্য হন।
দে পলের এমন আবেগঘন গোল ও উদযাপনের দিনে শেষ হাসি অবশ্য হাসতে পারেনি ইন্টার মায়ামি। প্রথমার্ধে লিড নিয়ে বিরতিতে গেলেও দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ায় মন্টেরি। ৪৭ মিনিটে হুগো কিউপ্রাস সমতা ফেরানোর পর, ম্যাচের একদম অন্তিম মুহূর্তে (৯০ মিনিটে) ডিয়েগো রসি জয়সূচক গোলটি করেন। ফলে মন্টেরির কাছে ২-১ গোলের হতাশার হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় মেসিবিহীন মায়ামিকে।
বিবার্তা/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]