
রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি আমল। মাহে রমজানের বরকত ও ফজিলত বিশেষত হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ রজনি লাইলাতুল কদরের বরকত ও ফজিলত লাভের শ্রেষ্ঠতম উপায় হচ্ছে ইতিকাফ। তবে টাকার বিনিময়ে ইতিকাফ করা ও করানো সম্পূর্ণ না জায়েজ। এভাবে ইতিকাফ করানোর দ্বারা মহল্লাবাসী দায়মুক্ত হতে পারবে না। (ফাতাওয়া শামি: ২/৫৯৫)
ইতিকাফের ফজিলত সম্পর্কে রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির নিয়তে যে ব্যক্তি মাত্র একদিন ইতিকাফ করবে; আল্লাহ তার ও জাহান্নামের মাঝে তিনটি পরিখার সমান দূরত্ব সৃষ্টি করে দিবেন। প্রতিটি পরিখার দূরত্ব হবে আসমান-জমিনের মধ্যবর্তী দূরত্বের সমান। (আল-মুজামুল আওসাত লিত-তবারানী, মাজমাউয যাওয়ায়েদ ৮/৩৫১-৩৫২; শুআবুল ঈমান ৩/৪২৫, হাদিস: ৩৯৬৫)
ইতিকাফ শুধু পুরুষের জন্য নয় বরং নারীদের জন্যও ইতিকাফের বিধান রয়েছে। রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র স্ত্রীরা ইতিকাফ করতেন। উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃত্যু পর্যন্ত রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করেছেন। তার মৃত্যুর পর তার স্ত্রীগণ ইতিকাফ করেছেন। (বুখারি, হাদিস: ২০৩৬; মুসলিম, হাদিস: ১১৭২)
বিবার্তা/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]