ফিরে পেতে চাই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সেই সোনালী অতীত
প্রকাশ : ২৮ অক্টোবর ২০২১, ২০:১২
ফিরে পেতে চাই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সেই সোনালী অতীত
প্রফেসর ড. মো. নাসির উদ্দীন মিতুল
প্রিন্ট অ-অ+

আমি সবে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। সামনেই বৃত্তি পরীক্ষা। ভোর রাতে কাঠের দোতলা ঘরের বারান্দায় বসে চেঁচিয়ে পড়ার একটা চর্চা তখন আমাদের মধ্যে গড়ে উঠেছিল। কিন্তু এত সকালে ঘুম থেকে উঠা সহজ ছিল না। মাকে অনুরোধ করতাম যেন জাগিয়ে দেন। আমার কষ্ট হবে ভেবে মা রাজী হতেন না। প্রথম দু-একদিন টেনে টুনে তুলে দিলেও এই নিষ্ঠুর কাজটি করতে মা তেমন স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন না। এই কাজে আমাকে সহায়তা করতে এগিয়ে এলেন পাশের বাড়ীর ঠাকুরদাস সাহা। আমি তাঁকে কাকু বলে সম্বোধন করতাম।


কাকুর ঘুম ভাঙত আজানের ধ্বনিতে। শরৎকালয়ে গ্রামে হালকা শীত অনুভূত হতো এবং শেষ রাতে বেশ কুয়াশা পড়তো। আলিশান ধূতি পড়ে উদোম শরীরে গলায় পৈতা বেঁধে দু’হাতে মন্দিরা নিয়ে বেরিয়ে পড়তেন তিনি। দরাজ গলায় ‘হরে-হরে, কৃষ্ণ-কৃষ্ণ, হরে রাম হরে কৃষ্ণ’ বলে সুর তুলতেন। আমাদের বাসার সামনে এসে অনেকক্ষণ মন্দিরা বাজাতেন। এতেই আমার ঘুম ভেঙে যেতো। আমি উঠে যথারীতি হাতমুখ ধুয়ে পড়তে বসে যেতাম। কাকু বহুদূর হেঁটে চিহ্নিত কিছু জায়গা থেকে সূর্য উঠার আগেই তাজা শেফালী, গেন্ধা ইত্যাদি ফুল কুড়িয়ে পুজোর জন্য বাড়ি নিয়ে আসতেন। এসেই হাঁক দিয়ে বলতেন, ‘ঐ নিতাই, শ্যামা, ভূবন, রতন, পঞ্চা উঠ। মুখ হাত ধুয়ে পড়তে বস। ওরাতো সব পড়ে ফেললো। তোরা কেন এত ঘুমাস?


দোতলা ঘরের পূর্ব পাশের জানালায় তাকিয়ে যখন ঠাকুরদাস সাহা কাকুর এমন চিত্র নজরে পড়ে, দক্ষিনের জানালায় তখন স্পষ্ট অবলোকন করি ভোলানাথ সাহা কাকু তার দু’পুত্র সুব্রত ও কালুকে জাগাতে ব্যস্ত। শিবানী ও দীপু তো সুবহ-সাদিকেই কাকীমার সাথে নাস্তা ও পূজো সেরে পাঠে বসে গেছে।


ঠাকুরদাস সাহা আর ভোলানাথ সাহা এই দু’ আপন ভাইয়ের মাঝখানের ঘরটি তীর্থবাশী বণিক কাকার। তাঁর আবার ভাবের শেষ নেই। ছয়-ছয়টি রূপসী কন্যার বাবা তিনি। বাজারের একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। ভুলু, দুলু, টুলু, পলি, সপু, অপুমনি যখন গানের রেওয়াজ করতে হারমোনিয়াম নিয়ে টানাটানি; তখন তাদেরই হ্যান্ডসাম সহোদর গৌতম গ্রামবাসীকে দারুণ সব ইন্ডিয়ান বাংলা সিনেমা দেখাতে তটস্থ। আহা! কি দিনগুলি ছিল। খরা থাকলে উঠোনে আর বৃষ্টি এলে ঘরের মধ্যে বসে পাড়া-পড়শী একসাথে সিনেমা দেখতাম। আমার মনে আছে আনন্দআশ্রম, দীপ জ্বেলে যাই, হারানো সুর, একান্ত আপন এসব সিনেমাতো আমি ওদের বাসায়ই দেখেছি। ভিসিআর এর পর্দায় সেই ৮০ এর দশকে যখন এগুলো দেখতাম, তখন কিসের দুঃখ আর কিসের বেদনা?


বরিশাল শহর থেকে আমাদের গ্রামের বাড়ী লঞ্চে প্রায় ২-৩ ঘন্টার পথ। গৌতম বরিশাল শহরে পড়াশোনা করতো আর প্রতি সপ্তাহে বাড়ি এলে সিনেমার ভিডিও ক্যাসেট ভাড়া নিয়ে আসতো। দশ বাড়ির ছেলেমেয়ে একত্রে বসে মুভিগুলো দেখতাম। স্মৃতিতে ভাসছে মুভি দেখে কাকা-কাকীমা বেশ আবেগপ্রবণ হয়ে অনেক সময় কান্না সংবরণ করতে পারতেন না। ঢুকরে কেঁদে দিতেন। আমার বাবাকেও আমি দেখেছি টিভিতে সিনেমা দেখার সময় অতি আবেগের দৃশ্য দেখলে হাউমাউ করে কেঁদে ফেলতেন। আমরা ভাইবোন আবার তখন সান্ত্বনা দিতাম।
দোতলার রেলিং এর পাশে বসে পড়ছি। সহসাই নাকে তীব্র গন্ধ অনুভব করি। রান্নার ঝাঁজ! চোখ যায় আমাদের ঘর সংলগ্ন কানাই ঘোষ কাকুর ঘরের দিকে। উমা’দির রান্নার তেলের ঝাঁঝে তখন আমার ঘ্রানেদ্রিয় ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। জানতে চাইলাম কি রান্না হচ্ছে দিদি? দিদির আগেই কাকীমার উত্তর, খাবি নাকি? দিব একটু? নিবি? আয়, চলে আয়। ততক্ষনে হয়তো সুজিত, কিংবা ভূট্টো খাবার নিয়ে এসে হাজির। কখনো নিয়েছি। আবার কখনো গল্প করে সেখান থেকেই সময় কাটিয়ে চলে এসেছি। স্মৃতিগুলো আজও অমলিন। ঘরগুলো এখনও সেরকমই আছে। পাশাপাশি দুটি বাড়ির মধ্যে ব্যবধান শুধু একটি টিনের দেয়াল। আমার প্রয়াত মা সেই দেয়ালের এপাশে আর কাকীমা ওপাশে বসে রান্না ঘর থেকেই ঘন্টার পর ঘন্টা কথোপকথন চালিয়ে গেছেন। নিজেদের সুখ-দুঃখ ভাগ করে গেছেন যুগের পর যুগ।


কানাই কাকার ঠিক পাশের ঘরে বাস করেন আমাদের সকলের পরম শ্রদ্ধেয় ইংরেজী শিক্ষক যার কাছে আমার ইংরেজী শিক্ষার হাতেখড়ি সেই মহান শিক্ষাগুরু। দূর-দূরান্ত থেকে অনেক শিক্ষার্থী তার কাছে ইংরেজী পড়তে আসতো। সাড়া উপজেলায় তখন বলরাম স্যার এক নামে পরিচিত। আমিতো দূরের কথা, আমার বারো ভাইবোন সবাই স্যারের সরাসরি শিক্ষার্থী। তিনি স্ত্রী ও তিন পুত্র সন্তান নিয়ে বাস করতেন এক রুমের একটি টিনের ঘরে। সারারাত জেগে থেকে স্যার ফোর-ব্যান্ড রেডিওতে বিশাল তারের এন্টিনা ফিট করে শো-শো শব্দে অষ্ট্রেলিয়া আর ইন্ডিয়ার খেলা শুনতেন। পুরোটাই ছিল ইংরেজী ধারাভাষ্য। মাথা-মুন্ড কিছুই বুঝতাম না। স্যার একাই বুঝতেন আর উল্লাস করতেন। কাকিমা সারাদিন ঘর মুছতেন। গোবর ছিল তার রান্নার একমাত্র উপকরণ। তাদের তিন ছেলে বিদ্যুৎ, প্রদ্যুৎ ও দীলিপ যেমনি ছিল দেখতে সুন্দর, তেমনি ছিল খেলাধুলায় পারদর্শী।


কত কথা মনে আসে। ওরাই ছিল আমাদের খেলার সাথী। একই পুকুর আমাদের। পুকুরটি বেশ বড়। সবাই এটাকে দীঘি বলতো। প্রতিদিন সকালে প্রতিবেশীদের সাথে দেখা-সাক্ষাতের কাজটি আমাদের পুকুরঘাটেই ঘটতো। তাছাড়া দলবেঁধে একসাথে সাঁতরে বেড়ানো, বাজি ধরে পুকুরের তলদেশ থেকে একদমে মাটি তুলে এনে দিগ্বিজয়ই একটা ভাব নেয়া, গোসলের সময় সাপের স্পর্শ লেগেছে ভেবে ভয়ে চিৎকার করে পুকুর থেকে লাফিয়ে স্থলে উঠা, সুব্রতদের মাঠে গোল-পোস্টের কাছে জামাকাপড় রেখে ফুটবল খেলতে নেমে দেখি ওদের গৃহপালিত গরুটি ঘাস খেতে খেতে আমার স্কুলের ইউনিফর্মটি প্রায় অর্ধেক গিলে ফেলেছে। অতঃপর গরুর মুখ থেকে ইউনিফর্মের বাকী অংশ টেনে-ছিঁড়ে বের করে বাড়ি ফিরে মায়ের বকা খাওয়া, বৃষ্টির দিনে ভীমরুলের বাসায় ফুটবল ছুঁড়ে মারার কারনে বিষাক্ত ভীমরুলের কামড়ে টিকতে না পেরে মাঠে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া এবং কাকীমাদের বনাজী ঔষধে তা নিরাময় হওয়া, নিজের চিকেন পক্স এর দাগ ভালো করতে চন্দন কাঠের জন্য কাকীমাদের শরণাপন্ন হওয়া… এরকম আরও কত ঘটনা যে আছে তার ইয়াত্তা নেই। ইস! কি মধুর ছিল এ সেই দিনগুলো! কি মায়া আর ভালবাসার সম্প্রীতি নিয়ে আমরা বড় হয়েছি। কে হিন্দু আর কে মুসলমান তা কারও কল্পনায় কখনো ছিল না। কতটা মানবিক ও অসাম্প্রদায়িক ছিল সেদিনগুলো।


কোটিপতি গান্ধীবাবু আহুত কীর্তন ছিল আমার নিজ এলাকা মেহেন্দিগঞ্জের প্রান। মন্দিরে দিনের পর দিন চলা কীর্তন স্থানীয় বাজারে ব্যবসা সচল রাখতে সহায়ক ছিল বারো মাস। কীর্তন মৌসুমে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে নৌকা, লঞ্চ, ট্রলার ও পায়ে হেঁটে প্রচুর লোক সমাগম ঘটতো। বেচাকেনা ভাল ছিল। মানুষের মুখে হাসি ছিল। অভাব কখনো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি স্পর্শ করতে পারেনি। বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব নেজামত আলী জমাদ্দার, বজলু আকন, শুধাংশ বণিক, কালাপাল, মতিনাথ উনারা ছিলেন মেহেন্দিগঞ্জ বণিক সমিতির নিয়ন্ত্রনকর্তা। শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে আসে উনাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দেখলে। আমাদের শৈশব জীবনে তাদের এ সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি দারুণ প্রভাব বিস্তার করেছে যা আমাদের আজও উদ্বুদ্ধ করে চলেছে। ঠিক এ কারণেই আমরা কেউ কখনো মনে রাখিনি কে হিন্দু আর কে মুসলমান।


আফসোস! এবারের দুর্গাপূজায় ঘটে যাওয়া সাম্প্রদায়িক সহিংসতার যে চিত্র আমরা দেখেছি, এটা আমার বাংলাদেশ হতে পারে না। এর সাথে আমাদের অতীত ইতিহাস বড্ড বেমানান। একজন ভবঘুরে ইকবাল হোসেন আর একজন ফয়েজ আহমদ ইসলাম অবমাননার ধোঁয়া তুলে জাত গেলো জাত গেলো বলে গুঁজব রটালো আর মুহূর্তেই স্থানীয় জনতা শত শত হিন্দুদের ঘরবাড়ি আগুনে পুড়িয়ে ছারখার করে দিলো, এমন ঠুনকো বিশ্বাস নিয়ে আমরা বড় হইনি। ভুলটি রাষ্ট্রের। রাষ্ট্র, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে নির্বিকার। একজন কুরআন রাখবেন কুমিল্লায়, তা আবার ফেসবুকে লাইভ করবেন আরেকজন। আর সঙ্গে সঙ্গে তৌহিদি জনতার আগুনে ভস্মীভূত হবে বান্দরবানের লামার হিন্দু দোকানগুলো, ফেনীতে ভাঙচুর হবে হিন্দু মন্দির, হাজীগঞ্জে, বাঁশখালীতে, চকরিয়ায়, গাজীপুরে পোড়ানো হবে একের পর এক মন্দির। নোয়াখালীর চৌমুহনীতে ইসকনের মন্দিরে প্রাণ দেবে পুজারিরা। এও কি বিশ্বাসযোগ্য? আর এভাবেই কি রংপুরের রঘুনাথপুরের পরিতোষ চন্দ্র রায় তার বাড়িঘর হারিয়ে ফেলে নিঃস্ব হয়ে যাবে? এটা মেনে নেয়া যায় না।


এটি হচ্ছে পরিকল্পিত কিছু ভন্ড ধর্ম ব্যবসায়ীর ইউটিউব ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া ইসলামের নামে ক্রমাগত অপব্যাখার পরিনাম। সস্তা সেন্টিমেন্টের ভয়ঙ্কর বহিঃপ্রকাশ। যা ধ্বংস করে দিয়েছে বাঙ্গালীর হাজার বছরের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য। দুমড়ে মুসড়ে দিয়েছে আমাদের সারা জীবনের লালিত অসাম্প্রদায়িক চিন্তা চেতনাকে। কলংকিত করেছে ধর্ম, রাষ্ট্র, জাতিকে।
কথা হচ্ছে এই বিশেষ প্রজন্মটি কারা? যারা শুধুমাত্র হুজুগের বশে এমন ধ্বংসলীলায় মেতে উঠে? যারা কথায় কথায় মানুষের ঘরে আগুন দেয়? কি তাদের উদ্দেশ্য? বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ৫০ বছর। এই ৫০ বছরে আমরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা বলছি। সামাজিক ও অর্থনৈতিক নানা উন্নয়নের কথা বলছি, আমরা একটি স্বাধীন ভূখণ্ড পেয়েছি, মানচিত্র পেয়েছি। কিন্তু পরিতোষ চন্দ্র রায়কে স্বাধীনভাবে বাঁচার নিরাপত্তা দিতে পারিনি। আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি তাদের রক্ষা করতে পারেনি। সাম্প্রদায়িকতার এই বিষধর সাপ প্রায়ই ছোবল মারে। এসব অপরাধের কোনো বিচার হয় না বলে বারবারই তারা আঘাত হানতে উদ্যত হয়।


বঙ্গবন্ধু আমাদের কি শিখিয়েছেন? ‘........একজন হিন্দু বাঙালি ও মুসলমান বাঙালি অথবা বৌদ্ধ ও খৃষ্টান বাঙালির মধ্যে পার্থক্য এইটুকুই যে, তাদের ধর্মমত শুধু আলাদা। কিন্তু খাদ্য, রুচি, ভৌগলিক পরিবেশ স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি, বর্ণ ও রাজনৈতিক লক্ষ্যের দিক থেকে তারা অভিন্ন”। উক্তিটি ’৭১ এ (২রা অগ্রহায়ণ ১৩৭৮ বঙ্গাব্দ) জয় বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত বঙ্গবন্ধুর বাণী থেকে উদ্ধৃত। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক চিন্তা-চেতনা ও বিশ্বাসের মূলে ছিল অসাম্প্রদায়িকতা। এগুলোকে তিনি তাঁর জীবনের আদর্শ হিসেবে নিয়েছেন। তাহলে তিনি কি শিখিয়ে গেছেন আর আমরা কি শিখলাম?


পরিশেষে বলবো, বাঙালি কোন কালেই ধর্মবিরোধী ছিলনা, আজও নয়। কিন্তু একশ্রেণির স্বার্থান্বেষী মহল সাধারণ মানুষের ধর্মীয় অন্ধবিশ্বাসকে পুঁজি করে সচেতনভাবেই সাম্প্রদায়িক উগ্রতার বিষ বাস্প ছড়িয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করে তোলে। সংস্কৃতিগত ঐতিহ্য আর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কারণে বাঙালি তাদের ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করেছে বারবার। তা সে যে ধর্মেরই হোক না কেন। মধ্যযুগের মানবতাবাদী বাঙালি কবি চন্ডীদাস এর কথায় একথা প্রতিধ্বনিত হয়েছে, ‘সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপর নাই’ আমরা আজও একথা মনে প্রাণে লালন করি। বিশ্বাস করি আমাদের পরবর্তী প্রজন্মও এই মূল্যবোধ নিয়ে সঠিক পথে এগুবে।


লেখক : ডিন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]


বিবার্তা/ইমরান

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com