শেখ হাসিনা: জুয়েল ইন দ্য ক্রাউন অব বাংলাদেশ
প্রকাশ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:৫৮
শেখ হাসিনা: জুয়েল ইন দ্য ক্রাউন অব বাংলাদেশ
প্রফেসর ড. মো. নাসির উদ্দীন মিতুল
প্রিন্ট অ-অ+

‘৭৫’ উচ্চারণে আমার অন্তত আপত্তি আছে। গণিতের ক্লাসে কিংবা কারো বয়স হিসাবের বেলায় অথবা যে কোনো কারণেই হোক, মাথায় নিতে চাই না এ শব্দটি। উচ্চারণে যারা এর পুনরাবৃত্তি, জোর প্রয়োগ কিংবা শুদ্ধতার চেষ্টা করেন আমি তাদের ওপরও বিরক্ত বোধ করি। কেন জানেন? বলছি শুনুন-আমার বাবা বেঁচে নেই। তিনি ২০০৬ সালে প্রয়াত হন। বাবার একটা ফোর-ব্যান্ড রেডিও ছিল। তিনি এটিকে ট্রানজেস্টার বলতেন। ট্রানজেস্টারটি অনেক যত্ন করে সাদা কাভার দিয়ে ঢেকে রাখতেন যেন ধুলো-ময়লা না ধরে। শুধু বিবিসি, ভয়েস অব আমেরিকা আর স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের খবর শুনতে তাঁর একমাত্র সম্বল ছিল এই ফোর-ব্যান্ড রেডিওটি।


বিবিসি’র খবরের সময় গ্রামের লোকের ভিড় বেড়ে যেতো। গাছের সাথে রেডিওটি বেঁধে ফুল ভলিউমে বাবা তখন সবাইকে খবর শোনার সুযোগ করে দিতেন। ৭৫ এর ১৫ আগস্টের পর বাবার সেই রেডিও আর শোনা হয়নি। জাতির পিতা নিহতের নির্মম-নিষ্ঠুর খবর শুনে তিনি তাঁর সেই প্রিয় রেডিওটিকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে ফেলেন। যার ধ্বংসাবশেষ আমরা আজও প্রত্যক্ষ করি। বাবার যত্নের সেই রেডিওটি আর বাজে না। কত মেকার-ইঞ্জিনিয়ার দেখালাম। কেউ সারাতে পারেনি। জীবদ্দশায় বাবা রেডিওটি দেখিয়ে বলতেন, ৭৫ আর আমার ভাংগা ট্রানজেস্টার দুটোই কণ্ঠস্তব্ধের প্রতীক। ‘৭৫’ শুনলেই আমার মানসপটে ভেসে ওঠে জাতির পিতা হত্যার সেই বীভৎসতা। মনে পড়ে আমার বাবার এ উক্তি। তাই আমি ঘৃণা করি ‘৭৫’ নামক এ শব্দটিকে।


বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতেই গণতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার প্ল্যাটিনাম জুবিলিতে পদার্পণ আর বাংলাদেশের স্বাধীনতার গোল্ডেন জুবিলি উদপযাপন! এই তিনটি উৎসবই যেন একই সুতোয় গাঁথা। অর্থাৎ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে বাংলাদেশের বয়স যখন ৫০ বছর, জননেত্রী শেখ হাসিনার বয়স তখন ৭৫। বয়সের এ ছোট্ট খতিয়ান বলে দেয় মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২৫ বছর। আর বাবা মাকে হারান তিনি ২৯ বছর বয়সে। মানুষ ক্ষণজন্মা হয়ে জন্মায় না ‘কর্ম’ মানুষকে ক্ষণজন্মা করে। বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী ক্ষণজন্মা শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন আজ। সৈয়দ শামসুল হক এর ভাষায় ‘সকলেই জন্ম নেয়, কেউ কেউ জন্মলাভ করে, অনন্য অর্জন আপনার। কর্ম আপনাকে ক্ষণজন্মা করে তুলেছে’। তিনি ২০০৯ সালে শেখ হাসিনার জন্মদিনে আরও বলেছিলেন, ‘যে বৃষ্টিভেজা বৈশাখের দিনে পিতৃমাতৃহীন শেখ হাসিনা পঁচাত্তর-পরবর্তী এক অন্ধকার সময়ে বাংলাদেশে পা রেখেছিলেন, সেদিনটিই আপনার প্রকৃত জন্মদিন’।


১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর টুঙ্গিপাড়ার বাড়িতে জন্ম শেখ হাসিনার। তখন সবে ভারতবর্ষ বিভাজিত হয়। রাজনৈতিক কারণে বাবা অধিকাংশ সময় কারাগারে থাকতেন। পঞ্চাশের দশকে মাত্র তৃতীয় শ্রেণিতে পড়াকালে গ্রামের সব স্মৃতি ফেলে মায়ের সঙ্গে তিনি ঢাকায় চলে আসেন। ষাটের দশকের শুরুতে ওঠেন ধানমন্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বরের বাড়িতে। সেখানেই স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। পঁচাত্তরের কালো রাত্রিতে শেখ হাসিনা পরিবারসহ জার্মানিতে থাকায় বেঁচে যান। এরপর ভারতের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর তত্ত্বাবধানে দিল্লিতে আশ্রয় পান।


১৯৮১ সালে দলের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরে আসেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের রাজনীতির হাল ধরেন। বাংলাদেশের রাজনীতির অঙ্গনে শেখ হাসিনার আবির্ভাব একটি যুগান্তকারী ঘটনা। কেবল স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা হিসাবে নয়, নিজের চারিত্রিক গুণাবলি ও যোগ্যতার বলে তিনি আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের শীর্ষ পদে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন।


বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী মার্কিন সেক্রেটারি অব স্টেট (পররাষ্ট্র মন্ত্রী) হেনরি কিসিঞ্জারের কুখ্যাত মন্তব্য, ‘বাংলাদেশ উইল বি এন ইন্টারন্যাশনাল বাস্কেট কেস’ অর্থাৎ ‘বাংলাদেশ হবে বিশ্বসম্প্রদায়ের জন্য ভিক্ষার ঝুলি হাতে একটি দেশ’। তিনি বাংলাদেশকে ‘বটমলেস বাস্কেট’ বা ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ বলে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি। অথচ সেই বাংলাদেশ এখন বিশ্বে ধারাবাহিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের এক রোল মডেল। শেখ হাসিনা গত ৪০ বছরে ৪ বারে ১৭ বছর রাষ্ট্রক্ষমতায় এবং বাকি সময়টা রাজপথে ও পার্লামেন্টে বিরোধী দলের রাজনীতি করেন। রাষ্ট্রক্ষমতায় গিয়ে তিনি দরিদ্র বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের কাতারে তুলে যে অসাধ্য সাধন করেছেন তা দেশে-বিদেশে বিস্ময়! শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত।


এ বছর জাতিসংঘের ৭৬তম অধিবেশনে যোগ দিয়ে তিনি অর্জন করেন ‘এসডিজি প্রোগ্রেস অ্যাওয়ার্ড’। ২০১৫- ২০২০ সাল পর্যন্ত টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশের অর্জনের জন্য তিনি এ অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। গর্বে বুক ভরে ওঠে যখন মিডিয়ার খবরে দেখি অনুষ্ঠানের সঞ্চালক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘জুয়েল ইন দ্য ক্রাউন অব দ্য ডে’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন। শুধু এবছর কেন? জাতিসংঘের ৭৫তম অধিবেশনে রাষ্ট্র পরিচালনায় শেখ হাসিনার অসামান্য অবদান ও কৃতিত্বের কারণে তাঁর হাতে তুলে দেয়া হয়েছিল দুটি পুরস্কার।


বাংলাদেশে টিকাদান কর্মসূচির সাফল্যের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘ভ্যাকসিন হিরো’ ও তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে ‘চ্যাম্পিয়ন অব স্কিল ডেভেলপমেন্ট ফর ইয়ুথ সম্মাননায় ভূষিত করে জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক তহবিল ইউনিসেফ। এ দুটি পুরস্কার একসঙ্গে পাওয়া বিরল ঘটনা। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণে প্রবাসী বাংলাদেশিদের যে মর্যাদা বেড়েছে তার প্রমাণ মিলে বহুমাত্রিকভাবে।


শেখ হাসিনার নেতৃত্বের সফলতার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি অর্জন এক নজরে দেখে নেয়া যাক। ৭১-এর যুদ্ধাপরাধী-মানবতাবিরোধী অপরাধীদের আইনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় বিচার এবং এদের মধ্যে শীর্ষ অপরাধীদের বিচারের রায় কার্যকর করা, ভারতের সঙ্গে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি (১১ ডিসেম্বর ১৯৯৬), কুখ্যাত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ (২৬শে সেপ্টেম্বর ১৯৭৫) বাতিল করে জাতির পিতার আত্মস্বীকৃত খুনিদের মধ্যে অনেকের বিচার ও রায় কার্যকর করা, পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি (২ ডিসেম্বর ১৯৯৭), সাক্ষরতার হার পাকিস্তান আমলের শতকরা ১৭ ভাগ থেকে বর্তমানে তা ৭৩ ভাগের উর্ধ্বে উন্নয়ন, নিজস্ব অর্থায়নে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ পদ্মসেতু (৬.১৫ কিমি) নির্মাণ, দারিদ্র্যের হার শতকরা ৪৪ ভাগ থেকে ২১ এবং চরম দারিদ্র্যে ২২ ভাগ থেকে ১১ ভাগে হ্রাস, সেনাবাহিনী, বিচারালয়, রাষ্ট্রদূত থেকে শুরু করে সকল কর্ম-পেশায় নারীর লক্ষণীয় অংশগ্রহণ এবং সার্বিকভাবে ক্ষমতায়ন, স্কুলগামী শতভাগ শিশুর স্কুলে গমন ও শিক্ষালাভের ব্যবস্থা, ঝড়ে পড়ার হার রোধ, সংখ্যা বিচারে উচ্চশিক্ষায় বিস্ফোরণ (৩.৮ মিলিয়ন), পাকিস্তান আমলের ৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থলে ৫০টি পাবলিক ও ১০৩টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, মেডিকেল, টেক্সটাইল, ম্যারিটাইম, এভিয়েশন সায়েন্সেস, ডিজিটাল ইত্যাদি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, শিশু ও মাতৃত্বকালীন মৃত্যুহার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস, খাদ্য ঘাটতির বাংলাদেশের খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশের বিশ্বে চতুর্থ স্থান এবং সবজি উৎপাদনে পঞ্চম স্থান অধিকার, মানুষের গড় আয়ু পাকিস্তান আমলের ২৭ বছরের স্থলে ৭৩ বছরে উন্নীত, গ্রামীণ জনগণের মাঝে চিকিৎসা সেবা প্রদানে ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা, ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন অবস্থা বা লোডসেডিং যুগের সম্পূর্ণ অবসান ঘটিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা এখন ২৪ হাজার মেয়াওয়াটে উন্নীত করে দেশের ৯৫ শতাংশ এলাকা বিদ্যুৎ সরবরাহের আওতায় নিয়ে আসতে সক্ষম হওয়া, গত এক দশক ধরে প্রবৃদ্ধির হার ৬.৫ এর কাছাকাছি থাকা (বর্তমান প্রবৃদ্ধি ৭.৮৬%), স্বাধীনতাত্তোর মানুষের মাথা পিছু আয় মাত্র ১০০ ইউএস ডলার থেকে তা বর্তমানে ১৯০২ ডলারে উন্নীত, মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে যথাক্রমে ২০১২ ও ২০১৪ সালে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি, ভারতের সঙ্গে দীর্ঘদিনের ছিটমহল বিনিময় সমস্যার সুষ্ঠু সমাধান (৩১শে জুলাই ২০১৬), চট্টগ্রামের কর্ণফুলি নদীতে ট্যানেল, পটুয়াখালীর পায়রায় গভীর সমুদ্র বন্দর, রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, দেশের বিভিন্ন স্থানে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক জোন, ঢাকায় মেট্রো রেল যোগাযোগ ইত্যাদি বাস্তবায়নাধীন প্রকল্প, দশম শ্রেণি বা সমমান পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে বছরে প্রায় ৩৮ কোটি পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ, অক্ষম, দুস্থ, বিধবা, স্বামী পরিত্যাক্তা, বৃদ্ধ ও ছিন্নমূল মানুষের জন্য খাদ্য ও বাসস্থানের ব্যবস্থাসহ সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ২১শে ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’, হিসেবে ইউনেস্কো’র স্বীকৃতি অর্জন (১৭ই নভেম্বর ১৯৯৯), বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ বিশ্ব-ঐতিহ্য সম্পদ হিসেবে ‘ইন্টারন্যাশনাল মেমোরি অব ওয়ার্ল্ড রেজিস্টার’-এ অন্তর্ভুক্তি (৩০শে অক্টোবর ২০১৭), সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী (৩রা জুলাই ২০১১)-এর মাধ্যমে ১৯৭২ সনের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত রাষ্ট্রপরিচালনার মূল ৪ নীতি পুনঃস্থাপন, জাতিসংঘ কর্তৃক বাংলাদেশের মধ্যম আয়ের দেশের স্বীকৃতি অর্জন (১৫ই মার্চ ২০১৭), জঙ্গিগোষ্ঠীর উত্থান ও তৎপরতা কঠোর হস্তে দমন, মহাশূন্যে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপন, ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০ গ্রহণ ইত্যাদি অর্জন এ ক্ষেত্রে প্রণিধানযোগ্য। সন্ত্রাস ও জঙ্গি দমনেও তিনি বিশ্বনেতাদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন।


মিয়ানমারে জাতিগত সহিংসতায় পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা মুসলিমদের আশ্রয় দিয়ে সারা বিশ্বে হয়েছেন প্রশংসিত। বাংলাদেশকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের কারণেই করোনা মহামারির মধ্যেও দেশের অর্থনীতির চাকা সচল থাকায় আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এশিয়ার প্রায় সব দেশের ওপরে।


শেষ করবো ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লবকালের একটি উক্তি দিয়ে। বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘...স্বাধীন বাংলাদেশে যে সম্পদ আছে যদি গড়তে পারি, অনেস্টলি কাজ করতে পারি, তাহলে বাংলাদেশের কষ্ট একদিন দূর হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ’।


স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরে সর্বক্ষেত্রে বহুমাত্রিক অর্জন সম্ভব হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার হাত ধরেই বাংলাদেশ স্বপ্নের সোনার বাংলার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যাবে, এটি প্রমাণিত। তাই শেখ ৭৫তম হাসিনার জন্মদিন বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। বঙ্গবন্ধু আমাদের রাজনৈতিক স্বাধীনতার রোল মডেল। শেখ হাসিনা আমাদের উন্নয়ন এবং অর্জনের রোল মডেল। তিনি নিজে যা অর্জন করেছেন, তা নজিরবিহীন। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে বিশেষ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। তাঁর জন্মদিন পালন না করলে আমরা জাতির কাছে অকৃতজ্ঞ থেকে যাব। শুভ জন্মদিন গণতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। আপনার সুস্থ সুন্দর জীবন ও নেতৃত্বই কেবল পারে বাংলাদেশকে পথ দেখাতে। জয় বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু। বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।


লেখক: ডিন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
Email: [email protected]


বিবার্তা/আরকে/আবদাল

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com